সীতাকুন্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের হামলায় র্যাব সদস্য ডিএডি আব্দুল মোতালেব হোসেন ভূঁইয়ার হত্যাকাণ্ডসহ একাধিক র্যাব সদস্য আহত ও সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি আলীরাজ হাসান ওরফে সাগরকে (২৮) কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র্যাব-১৫, কক্সবাজারের যৌথ অভিযানে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ভোরে কক্সবাজার সদর থানার সুগন্ধা পয়েন্ট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়—র্যাব সূত্রে জানা গেছে।
র্যাব জানায়, গত ১৯ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে চারটার দিকে র্যাব-৭, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক দল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে সীতাকুন্ডের সলিমপুর ইউনিয়নের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে আনুমানিক ৪০০–৫০০ জন দুষ্কৃতকারী র্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে চারজন র্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন।
আহতদের চট্টগ্রাম সিএমএইচে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডিএডি মোতালেব হোসেন ভূঁইয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর তিনজন র্যাব সদস্য বর্তমানে চিকিৎসাধীন।
এই ঘটনায় র্যাব-৭ বাদী হয়ে সীতাকুন্ড থানায় ২৯ জনকে এজাহারনামীয় ও ১৫০–২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করে। মামলাটি নম্বর ২৪, তারিখ ২২ জানুয়ারি ২০২৬। এতে দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৩৫৩, ৩৩২, ২২৪, ২২৫, ৩৩৩, ৩০৭, ৩৮৬, ৩৬৪, ৩৪২, ৪২৭, ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
র্যাবের দাবি, মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়াতদন্তের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, এজাহারনামীয় আসামি আলীরাজ হাসান ওরফে সাগর কক্সবাজার সদরে অবস্থান করছে। এরপর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামির পিতা মৃত রহমত আলী এবং তার বাড়ি সীতাকুন্ড থানার ১০ নম্বর জঙ্গল সলিমপুর এলাকায়।
র্যাব আরও জানায়, পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামিকে সীতাকুন্ড থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেন র্যাবের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এআরএম মোজাফ্ফর হোসেন।
র্যাব জানায়, গত ১৯ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে চারটার দিকে র্যাব-৭, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক দল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে সীতাকুন্ডের সলিমপুর ইউনিয়নের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে আনুমানিক ৪০০–৫০০ জন দুষ্কৃতকারী র্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে চারজন র্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন।
আহতদের চট্টগ্রাম সিএমএইচে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডিএডি মোতালেব হোসেন ভূঁইয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর তিনজন র্যাব সদস্য বর্তমানে চিকিৎসাধীন।
এই ঘটনায় র্যাব-৭ বাদী হয়ে সীতাকুন্ড থানায় ২৯ জনকে এজাহারনামীয় ও ১৫০–২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করে। মামলাটি নম্বর ২৪, তারিখ ২২ জানুয়ারি ২০২৬। এতে দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৩৫৩, ৩৩২, ২২৪, ২২৫, ৩৩৩, ৩০৭, ৩৮৬, ৩৬৪, ৩৪২, ৪২৭, ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
র্যাবের দাবি, মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়াতদন্তের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, এজাহারনামীয় আসামি আলীরাজ হাসান ওরফে সাগর কক্সবাজার সদরে অবস্থান করছে। এরপর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামির পিতা মৃত রহমত আলী এবং তার বাড়ি সীতাকুন্ড থানার ১০ নম্বর জঙ্গল সলিমপুর এলাকায়।
র্যাব আরও জানায়, পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামিকে সীতাকুন্ড থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেন র্যাবের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এআরএম মোজাফ্ফর হোসেন।