আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাজনৈতিক শাখা-৪ এর স্মারক মূলে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের আদেশের প্রেক্ষিতে আরএমপি কর্তৃক নিন্মোক্ত গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।
আগামী ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ হতে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত রাজশাহী মেট্রোপলিটন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্সধারীগণের আগ্নেয়াস্ত্রের বহন ও প্রদর্শন করার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এছাড়াও আগামী ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে স্থগিতকৃত/ লাইসেন্সভুক্ত আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ সমূহ লাইসেন্সধারীর (স্থায়ী/বর্তমান) ঠিকানার নিকটস্থ থানায়/ বৈধ ডিলারের নিকট লাইসেন্স গ্রহীতা নিজে/মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে জমা প্রদান করবেন। তবে এই আদেশ নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, যথাঃ
(ক) আইন শৃঙ্খলা রক্ষার সাথে সম্পৃক্ত সকল শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য;
(খ) বিভিন্ন সরকারী, আধাসরকারী এবং বেসরকারী দপ্তর, আর্থিক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহে নিয়োজিত নিরাপত্তা প্রহরী;
রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের অনুকূলে 'আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগ নীতিমালা, ২০২৫' অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনে বৈধভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল ও গৃহীত জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এবং তার সশস্ত্র রিটেইনারের ক্ষেত্রে বৈধ অস্ত্র প্রদর্শন নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে না।
আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত লাইসেন্সধারী ব্যক্তির আগেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ থাকবে।
এ আদেশ লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে The Arms Act, 1878 এর সংশ্লিষ্ট ধারার বিধান মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ব্যাখ্যা: এই আদেশে "শৃঙ্খলা বাহিনী" বলতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২-এ বর্ণিত শৃঙ্খলা বাহিনীকে বুঝাবে।
আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২০ জানুয়ারি ২০২৬ আরএমপি পুলিশ কমিশনার ড. মো: জিল্লুর রহমান কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
আগামী ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ হতে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত রাজশাহী মেট্রোপলিটন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্সধারীগণের আগ্নেয়াস্ত্রের বহন ও প্রদর্শন করার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এছাড়াও আগামী ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে স্থগিতকৃত/ লাইসেন্সভুক্ত আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ সমূহ লাইসেন্সধারীর (স্থায়ী/বর্তমান) ঠিকানার নিকটস্থ থানায়/ বৈধ ডিলারের নিকট লাইসেন্স গ্রহীতা নিজে/মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে জমা প্রদান করবেন। তবে এই আদেশ নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, যথাঃ
(ক) আইন শৃঙ্খলা রক্ষার সাথে সম্পৃক্ত সকল শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য;
(খ) বিভিন্ন সরকারী, আধাসরকারী এবং বেসরকারী দপ্তর, আর্থিক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহে নিয়োজিত নিরাপত্তা প্রহরী;
রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের অনুকূলে 'আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগ নীতিমালা, ২০২৫' অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনে বৈধভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল ও গৃহীত জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এবং তার সশস্ত্র রিটেইনারের ক্ষেত্রে বৈধ অস্ত্র প্রদর্শন নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে না।
আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত লাইসেন্সধারী ব্যক্তির আগেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ থাকবে।
এ আদেশ লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে The Arms Act, 1878 এর সংশ্লিষ্ট ধারার বিধান মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ব্যাখ্যা: এই আদেশে "শৃঙ্খলা বাহিনী" বলতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২-এ বর্ণিত শৃঙ্খলা বাহিনীকে বুঝাবে।
আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২০ জানুয়ারি ২০২৬ আরএমপি পুলিশ কমিশনার ড. মো: জিল্লুর রহমান কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।