চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর এলাকায় র্যাবের অভিযানে হামলা ও এক সদস্য নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারনামীয় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
র্যাব-৭ সূত্রে জানা যায়, (১৯ জানুয়ারি) বিকাল সোয়া ৪টায় সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের জঙ্গল-সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালায় র্যাব-৭-এর একটি দল। অভিযানের সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাইকিংয়ের মাধ্যমে ডেকে এনে আনুমানিক ৪০০ থেকে ৫০০ জন দুষ্কৃতকারী র্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
দুষ্কৃতকারীদের হামলায় র্যাবের চার সদস্য গুরুতর রক্তাক্ত আহত হন। পরে থানা পুলিশের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ)-এ পাঠানো হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডিএডি মো. মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া র্যাবের এক সদস্যকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর তিনজন সদস্য বর্তমানে চট্টগ্রাম সিএমএইচ-এ চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় গুরুত্বের সঙ্গে প্রচারিত হলে দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় র্যাব-৭, চট্টগ্রাম বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় ২৯ জনকে এজাহারনামীয় এবং ১৫০ থেকে ২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি মামলা দায়ের করে। মামলাটি সীতাকুণ্ড থানার মামলা নম্বর-২৪, ২২ জানুয়ারি। মামলায় দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৩৫৩, ৩৩২, ২২৪, ২২৫, ৩৩৩, ৩০৭, ৩৮৬, ৩৬৪, ৩৪২, ৪২৭, ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাব-৭ গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়াতদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুর সোয়া ১টায় চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ইকবাল কনভেনশন হল এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় আসামি মো. ইউনুছ আলী হাওলাদারকে (৬২) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ থানার গোলখালী এলাকার সোনাম উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে।
পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন দুপুর সোয়া ২টায় র্যাব-৭-এর অপর একটি দল পতেঙ্গা থানাধীন ওয়াসা গলি এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার সন্দেহভাজন আসামি খন্দকার জাহিদ হোসেনকে (৩৯) গ্রেপ্তার করে। তিনি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া থানার মোহাম্মদপুর এলাকার মৃত নবীন উদ্দিনের ছেলে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব-৭ সূত্রে জানা যায়, (১৯ জানুয়ারি) বিকাল সোয়া ৪টায় সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের জঙ্গল-সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালায় র্যাব-৭-এর একটি দল। অভিযানের সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাইকিংয়ের মাধ্যমে ডেকে এনে আনুমানিক ৪০০ থেকে ৫০০ জন দুষ্কৃতকারী র্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
দুষ্কৃতকারীদের হামলায় র্যাবের চার সদস্য গুরুতর রক্তাক্ত আহত হন। পরে থানা পুলিশের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ)-এ পাঠানো হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডিএডি মো. মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া র্যাবের এক সদস্যকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর তিনজন সদস্য বর্তমানে চট্টগ্রাম সিএমএইচ-এ চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় গুরুত্বের সঙ্গে প্রচারিত হলে দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় র্যাব-৭, চট্টগ্রাম বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় ২৯ জনকে এজাহারনামীয় এবং ১৫০ থেকে ২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি মামলা দায়ের করে। মামলাটি সীতাকুণ্ড থানার মামলা নম্বর-২৪, ২২ জানুয়ারি। মামলায় দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৩৫৩, ৩৩২, ২২৪, ২২৫, ৩৩৩, ৩০৭, ৩৮৬, ৩৬৪, ৩৪২, ৪২৭, ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাব-৭ গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়াতদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুর সোয়া ১টায় চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ইকবাল কনভেনশন হল এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় আসামি মো. ইউনুছ আলী হাওলাদারকে (৬২) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ থানার গোলখালী এলাকার সোনাম উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে।
পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন দুপুর সোয়া ২টায় র্যাব-৭-এর অপর একটি দল পতেঙ্গা থানাধীন ওয়াসা গলি এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার সন্দেহভাজন আসামি খন্দকার জাহিদ হোসেনকে (৩৯) গ্রেপ্তার করে। তিনি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া থানার মোহাম্মদপুর এলাকার মৃত নবীন উদ্দিনের ছেলে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।