ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নের ধরমণ্ডল পূর্ব পাড়া এলাকায় বিয়ে বাড়ির দাওয়াত খাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সংঘর্ষে দুইজন নিহত হওয়ার ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত (১২ জানুয়ারি) ধরমন্ডল ইউনিয়নের ছাতিকামলা পাড়ায় সাবেক ইউপি সদস্য জিতু মিয়া মেম্বার ও রমজান মিয়া গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ হয়। এতে জিতু মিয়া মেম্বার গুরুতর আহত হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। একই ঘটনায় আহত খলিল মিয়া (৩৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ জানুয়ারি তারিখে মারা যান।
খলিল মিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে তার গোষ্ঠীর লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক হামলা চালায়। হামলাকারীরা কুতুবউদ্দিনের বাড়িসহ শাহীন মিয়া, আমির আলী, শিশু মিয়া, অলিল মিয়া, শাহ-আলম, ছোট্ট মিয়া ও নশাই মিয়ার** বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে।
এ ঘটনায় এলাকার বহু পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা বসতঘরে আগুন দিয়ে নগদ অর্থ ও মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।
নাসিরনগর থানার উপ-পরিদর্শক মাহবুব জানান, জিতু মিয়া মেম্বার হত্যা মামলার অন্যতম আসামি সুবারককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় মহিলা ইউপি সদস্য রাহেলা (৪৫) ও তার মেয়ে লাইজু বেগমকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুল ইসলাম জানান, ফের সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পৃথক হত্যা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান চলমান রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত (১২ জানুয়ারি) ধরমন্ডল ইউনিয়নের ছাতিকামলা পাড়ায় সাবেক ইউপি সদস্য জিতু মিয়া মেম্বার ও রমজান মিয়া গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ হয়। এতে জিতু মিয়া মেম্বার গুরুতর আহত হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। একই ঘটনায় আহত খলিল মিয়া (৩৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ জানুয়ারি তারিখে মারা যান।
খলিল মিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে তার গোষ্ঠীর লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক হামলা চালায়। হামলাকারীরা কুতুবউদ্দিনের বাড়িসহ শাহীন মিয়া, আমির আলী, শিশু মিয়া, অলিল মিয়া, শাহ-আলম, ছোট্ট মিয়া ও নশাই মিয়ার** বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে।
এ ঘটনায় এলাকার বহু পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা বসতঘরে আগুন দিয়ে নগদ অর্থ ও মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।
নাসিরনগর থানার উপ-পরিদর্শক মাহবুব জানান, জিতু মিয়া মেম্বার হত্যা মামলার অন্যতম আসামি সুবারককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় মহিলা ইউপি সদস্য রাহেলা (৪৫) ও তার মেয়ে লাইজু বেগমকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুল ইসলাম জানান, ফের সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পৃথক হত্যা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান চলমান রয়েছে।