রোজের অন্যান্য খাবারেও আছে ডায়াবেটিসের ভয়, জেনে নিন নিরাপদ ডায়েট প্ল্যান

আপলোড সময় : ২১-০১-২০২৬ ০৯:৩৪:৩১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২১-০১-২০২৬ ০৯:৩৪:৩১ অপরাহ্ন
ডায়াবেটিস হলে সবচেয়ে আগে বাদ যায় চিনি আর মিষ্টি। তবে শুধু মিষ্টি নয়, অনেক নোনতা বা বাজারচলতি খাবারও ডায়াবেটিস রোগীদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, বিশেষ করে টাইপ–২ ডায়াবেটিসে খাদ্যতালিকায় নিয়ন্ত্রণ ও পরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। সঠিক ডায়েট, ব্যায়াম এবং প্রয়োজনে ওষুধ- এই তিন মিললেই ডায়াবেটিস অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তাই কোন খাবার রাখবেন, আর কোনগুলো বাদ দেবেন তা জানা অত্যন্ত প্রয়োজন।

কোন পানীয় খাবেন, কোনটা নয়: বাজারে পাওয়া যায় এমন ফলের রস বা ‘চিনিমুক্ত’ লেখা প্যাকেটজাত পানীয় নিয়মিত খাওয়া একেবারেই ঠিক নয়। এগুলিতে চিনি না থাকলেও অন্যান্য উপাদান রক্তে শর্করা বাড়াতে পারে। এর বদলে দিনে দু-তিনবার চিনি ছাড়া চা, ব্ল্যাক কফি বা ভেষজ চায়ে চুমুক দিতে পারেন। যদি শরবত খেতেই চান, তবে বাড়িতে বানান এবং চিনির বদলে স্টিভিয়ার মতো প্রাকৃতিক মিষ্টি ব্যবহার করুন।

কার্বোহাইড্রেট নিয়ে সতর্কতা: ময়দা জাতীয় খাবারকে ডায়াবেটিসের বড় শত্রু বলা হয়। লুচি, পরোটা, পাস্তা, পাউরুটি- সবকিছুই সরল কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ হওয়ায় রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। এই খাবারগুলি যতটা সম্ভব এড়িয়ে গিয়ে ওটস, আটার রুটি, ব্রাউন রাইস বেছে নেওয়া ভাল। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ফাইবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাই নিয়মিত খেতে হবে দানাশস্য, ডাল, এবং ফাইবার সমৃদ্ধ সবজি। ফাইবার রক্তে গ্লুকোজ এক লাফে বাড়তে দেয় না।

স্ন্যাক্সে সতর্কতা: বাজারের বিস্কুট, চকলেট বা মিষ্টি-যুক্ত নানারকম স্ন্যাক্স এড়িয়ে চলাই ভালো। এর বদলে বাদাম-বীজ, মাখানা খাওয়া যেতে পারে। তবে খুব বেশি নুন মেশানো বাদাম খাওয়া উচিৎ নয়।

ফল ও সবজি-কোনগুলো নিরাপদ: ডায়াবেটিস হলেই ফল খাওয়া যাবে না, এই ধারণা ভুল। আঙুর, আপেল, পেয়ারা, আর বেরি জাতীয় ফল খাওয়া যেতেই পারে। এগুলিতে চিনি থাকলেও ফাইবারও রয়েছে, যা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। প্রতিদিনের খাবারে টাটকা সবজিও রাখা জরুরি। যারা প্রি-ডায়াবেটিক, তাদের জন্য তো আরও প্রয়োজন ফল ও সবজি খাওয়া।

মাংস কীভাবে খাবেন: প্রক্রিয়াজাত মাংস যেমন সসেজ, হ্যাম, বেকন- ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য মোটেই উপযুক্ত নয়। এর বদলে বাড়িতে তৈরি টাটকা মুরগির মাংস, ডিম, মাছ, এবং ডাল প্রোটিনের ভালো উৎস হতে পারে। বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছ খেলে ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের চাহিদা পূরণ হয়। তবে পাঁঠার মাংস ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এড়িয়ে চলাই ভালো।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]