বলিউডের 'কিং' শাহরুখ খান। অনুরাগীদের কাছে তাঁর বয়স কেবলই একটি সংখ্যা। শুধু একজন সুপারস্টার নন, একটা গোটা প্রজন্মের কাছে তিনি প্রেমেরই অন্য নাম। সেই শাহরুখ খানকেই নাকি ‘কাকু’ বলে সম্বোধন করা হয়েছে! তাও আবার দেশের বাইরে, বিদেশের মাটিতে। কী এমন ঘটল, যে কারণে বাদশাকে ঘিরে এই অস্বস্তিকর বিতর্ক?
সম্প্রতি সৌদি আরবের রিয়াধে অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন শাহরুখ খান। সেই মঞ্চেই তাঁর সঙ্গে দেখা যায় মিশরীয় অভিনেত্রী আমিনা খলিলকে। দু’জনের একসঙ্গে উপস্থিতির মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করেন পাপারাজ্জিরা। ঠিক সেই সময়েই দর্শকাসনে বসে নিজের মোবাইলে মঞ্চের দৃশ্য রেকর্ড করছিলেন তুরস্কের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হান্দে এরচেল। সেই দৃশ্য আবার পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় ধরা পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায় ভিডিওটি।
ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় নানা জল্পনা। অনেকেই ধরে নেন, বিদেশের মাটিতেও শাহরুখ খানের জনপ্রিয়তা যে অটুট, তারই প্রমাণ এই ভিডিও। দর্শকাসনে বসে যিনি ভিডিও করছিলেন, তিনিও নাকি কিং খানের একনিষ্ঠ ভক্ত, এমনটাই দাবি করেন নেটিজেনদের একাংশ।
তবে এই ‘ভ্রান্তিবিলাসে’ নিজেই জল ঢালেন হান্দে এরচেল। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি দীর্ঘ পোস্টে তুরস্কের অভিনেত্রী স্পষ্ট করে জানান, তিনি আদৌ শাহরুখ খানের ভক্ত নন। শুধু তাই নয়, তাঁকে তিনি চিনতেনও না। হান্দের দাবি, মঞ্চে উপস্থিত আমিনা খলিল তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু, আর তাকেই ক্যামেরাবন্দি করছিলেন তিনি। এর বেশি কিছু নয়। তবে পরেই একটি পোস্টে পরিস্কার করে জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এমন কিছু বলেননি। এটা একটি ফেক পোস্ট।
এই পোস্টেই হান্দে লেখেন একটি বিতর্কিত লাইন, ‘কে এই কাকুটা?’ আর সেই মন্তব্য ঘিরেই তোলপাড় হয়ে যায় নেটদুনিয়া। কিং খানের প্রতি এমন সম্বোধন মেনে নিতে পারেননি তাঁর অনুরাগীরা। তুরস্কের অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন নেটিজেনরা। কেউ প্রশ্ন তোলেন, ‘না চিনেই কাকু বলছেন? জানেন উনি কে?’ আবার কারও কটাক্ষ, ‘ওনার জায়গায় পৌঁছাতে আপনার সাত জন্ম লাগবে।’
সম্প্রতি সৌদি আরবের রিয়াধে অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন শাহরুখ খান। সেই মঞ্চেই তাঁর সঙ্গে দেখা যায় মিশরীয় অভিনেত্রী আমিনা খলিলকে। দু’জনের একসঙ্গে উপস্থিতির মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করেন পাপারাজ্জিরা। ঠিক সেই সময়েই দর্শকাসনে বসে নিজের মোবাইলে মঞ্চের দৃশ্য রেকর্ড করছিলেন তুরস্কের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হান্দে এরচেল। সেই দৃশ্য আবার পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় ধরা পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায় ভিডিওটি।
ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় নানা জল্পনা। অনেকেই ধরে নেন, বিদেশের মাটিতেও শাহরুখ খানের জনপ্রিয়তা যে অটুট, তারই প্রমাণ এই ভিডিও। দর্শকাসনে বসে যিনি ভিডিও করছিলেন, তিনিও নাকি কিং খানের একনিষ্ঠ ভক্ত, এমনটাই দাবি করেন নেটিজেনদের একাংশ।
তবে এই ‘ভ্রান্তিবিলাসে’ নিজেই জল ঢালেন হান্দে এরচেল। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি দীর্ঘ পোস্টে তুরস্কের অভিনেত্রী স্পষ্ট করে জানান, তিনি আদৌ শাহরুখ খানের ভক্ত নন। শুধু তাই নয়, তাঁকে তিনি চিনতেনও না। হান্দের দাবি, মঞ্চে উপস্থিত আমিনা খলিল তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু, আর তাকেই ক্যামেরাবন্দি করছিলেন তিনি। এর বেশি কিছু নয়। তবে পরেই একটি পোস্টে পরিস্কার করে জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এমন কিছু বলেননি। এটা একটি ফেক পোস্ট।
এই পোস্টেই হান্দে লেখেন একটি বিতর্কিত লাইন, ‘কে এই কাকুটা?’ আর সেই মন্তব্য ঘিরেই তোলপাড় হয়ে যায় নেটদুনিয়া। কিং খানের প্রতি এমন সম্বোধন মেনে নিতে পারেননি তাঁর অনুরাগীরা। তুরস্কের অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন নেটিজেনরা। কেউ প্রশ্ন তোলেন, ‘না চিনেই কাকু বলছেন? জানেন উনি কে?’ আবার কারও কটাক্ষ, ‘ওনার জায়গায় পৌঁছাতে আপনার সাত জন্ম লাগবে।’