বাসররাতে মুখ ধোয়ার পর কনেকে চিনতে পারলো না বর

আপলোড সময় : ২০-০১-২০২৬ ০৫:০৬:৩৩ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২০-০১-২০২৬ ০৫:০৬:৩৩ অপরাহ্ন
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় গত বছর ১ আগস্ট একটি বিয়ের পর ‘কনে বদল’ সংক্রান্ত জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। যা এখন আদালত ও কারাগারের মাধ্যমে বিচারাধীন রয়েছে।

বিবরণ অনুযায়ী, রায়হান কবির ও জিয়ারুল হকের মেজ মেয়ের বিয়ে হয়। তবে বাসররাতে বর রায়হান কবির অভিযোগ করেন, যাকে বিয়ের আগে দেখানো হয়েছিল, বাসরঘরে আসা নববধূ সে নন। বর দাবি করেন, অতিরিক্ত মেকআপের আড়ালে কনে বদল করা হয়েছে এবং বিয়ের পরেই এ প্রতারণা বুঝতে পেরেছেন।

এই অভিযোগের ভিত্তিতে বরপক্ষ মেয়ের বাবা জিয়ারুল হক ও ঘটক মোতালেবকে আসামি করে ২৭ আগস্ট ঠাকুরগাঁও আদালতে মামলা করেন। এরপর ২ সেপ্টেম্বর কনের পরিবারও পাল্টা মামলা দায়ের করে।

বর রায়হান কবিরের মামা বাদল জানান, ঘটকের মাধ্যমে পাত্রী খোঁজা হয়েছিল এবং মেয়েপক্ষ দ্রুত বিয়ে সম্পন্ন করতে চেয়েছিল। কিন্তু বিয়ের রাতেই কনেকে চিনতে না পারার কারণে সমস্যা শুরু হয়। বর দাবি করেন, ঘটক ও মেয়ের বাবা এই প্রতারণার পরিকল্পনা করেছিলেন।

অন্যদিকে কনের বাবা জিয়ারুল হক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মেজ মেয়েকে ছেলেপক্ষ বিয়ের আগে দেখেছে এবং বিয়ের অনুষ্ঠানে অনেক অতিথি উপস্থিত ছিল। তিনি বলেন, বিয়ের পর যৌতুক দাবি করা হয়, যা মিথ্যা অভিযোগ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ঘটক মোতালেবও কনে বদলের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি অন্য কোনো মেয়ে দেখাননি এবং বিয়ের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করেছে ছেলেপক্ষ।

ঠাকুরগাঁও আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও ছেলেপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন জানান, মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও সমাধান হয়নি। বর্তমানে বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং তারা আশা করেন, সঠিক সত্য উন্মোচিত হবে।

এ ঘটনা ঠাকুরগাঁও এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে এবং বিয়ের আনন্দ মুহূর্তকে সন্দেহ ও আইনি ঝামেলায় পরিণত করেছে। আদালতের সিদ্ধান্ত অনুসারে রায়হান কবির জামিনে ছিলেন, তবে সম্প্রতি জামিন নামঞ্জুর হয়ে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]