‘আগামী নির্বাচন নির্ধারণ করবে, দেশ উদার নাকি উগ্রপন্থিদের হাতে যাবে’

আপলোড সময় : ২০-০১-২০২৬ ০৪:৫৪:৩৪ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২০-০১-২০২৬ ০৪:৫৪:৩৪ অপরাহ্ন
আগামী জাতীয় নির্বাচনকে দেশের ভবিষ্যতের জন্য ‘কঠিন পরীক্ষা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, এই নির্বাচনে নির্ধারিত হবে দেশ লিবারেল ডেমোক্রেসির (উদার গণতন্ত্র) হাতে থাকবে, নাকি উগ্রপন্থী-রাষ্ট্রবিরোধীদের দখলে যাবে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই অভিযোগ করেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি বিপুল ব্যবধানে জয় পাবে, সেজন্য নানা কিছু শুরু হয়েছে। সবচেয়ে বেশি দুষ্টামি করছে তারা, যারা অতীতে বাংলাদেশকেই স্বীকার করেনি, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনি, যারা আমাদের মা-বোনদের নির্যাতন করেছে-তুলে নিয়ে গিয়েছিল। সেই হিসাব আমরা ভুলিনি।’

তিনি বলেন, ‘সামনের নির্বাচনে নির্ধারিত হবে দেশ উদার গণতান্ত্রিকদের হাতে থাকবে, নাকি উগ্রপন্থি-রাষ্ট্রবিরোধী লোকদের হাতে যাবে। আমাদের অবশ্যই উদারপন্থি রাস্তা বেছে নিতে হবে, গণতান্ত্রিক রাস্তা বেছে নিতে হবে।’

এ সময় জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সোজা রাস্তায় রাজনীতি করার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘রাজনীতি করছেন, করেন। তবে সোজা রাস্তায় করেন।’

‘তারা ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করে। দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে নাকি বেহেস্তে যাওয়া যাবে...তাহলে নামাজ পড়া, ইবাদত করা, আল্লাহর কাছে নিজেকে সমর্পণ করা, এসবের কিছুই দরকার নেই?’, প্রশ্ন রাখেন তিনি।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘মানুষকে ভুল বুঝিয়ে, বিভ্রান্ত করে তারা এই ধরনের মুনাফেকি করছে। তবে এসব কথা বলতাম না, কিন্তু তারা বিভিন্নভাবে মিথ্যা প্রচার করছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছে প্রতিটি মানুষ, তখনও তারা বিরোধিতা করেছে।’

‘যখন দেশের মানুষ জাতীয়তাবাদী রাজনীতি, তারেক রহমানের নতুন রাজনীতি গ্রহণের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে, তখনও তারা ধর্মের নামে মানুষকে বিভ্রান্তের চেষ্টা করছে’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘অনেকে বলছেন নির্বাচন হবে কিনা, বলছেন বাধা দেবে, নির্বাচন করতে দেবে না...কিন্তু তাদের তিনটা ভোটও নেই। তারাই আবার বড় গলায় কথা বলে। জনগণ যদি আমাদের চায় আমরা থাকব, বাদ দিলে বিরোধী দলে থাকব। তবে আগে থেকেই গলাবাজি কেন?’

‘সংস্কার প্রস্তাবে সবাই যেখানে একমত হয়েছে, সেখানে অবশ্যই হ্যাঁ আছে, সেখানে কোনো না নেই। আমার বলতে কোনো দ্বিধা নেই, যেগুলোতে একমত হইনি সেগুলোও ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারপরও আমরা দেশ ও জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে মেনে নিয়েছি। আমাদের কাছে যেটা গ্রহণযোগ্য নয় সেটাও মেনে নিয়েছি, পরে সংসদে গিয়ে দেখা যাবে’, বলেন তিনি।

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘আজ সংস্কারের যে কথা বারবার বলা হচ্ছে, পত্র-পত্রিকা-রেডিও-টেলিভিশনে খুব প্রচার হচ্ছে, প্রধান উপদেষ্টা থেকে শুরু করে সব উপদেষ্টারা নেমে গেছেন প্রচারণায়, কিন্তু বিএনপি অনেক আগেই এসব সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছিল। এই সংস্কার নিয়ে অনেকেই আমাদের প্রশ্ন করে, আপনারা সংস্কারের পক্ষে নাকি বিপক্ষে?...এগুলো নিয়ে সবসময় বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়।’

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]