রাজশাহী মহানগরীতে ঠিকাদারি কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে এক ঠিকাদারের লাইসেন্স বাতিল করেছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক)। একই সঙ্গে ওই ঠিকাদারের চলমান কাজ বন্ধ এবং নির্মাণ সামগ্রী জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাসিক সূত্র জানায়, মহানগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন তালাইমারী শহীদ মিনার এলাকা ও বাবর আলী সড়ক সংলগ্ন পাড়া-মহল্লার গলিতে ড্রেন ও সড়ক ঢালাইয়ের কাজ করছিলেন স্থানীয় ঠিকাদার মোঃ রেজাউল করিম ও তার পার্টনার মোঃ ইসলাম। অভিযোগ রয়েছে, ঢালাই কাজে পুরোনো ৩ নম্বর ইটের খোয়া ও অতিরিক্ত ডাস্ট ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি বালুর পরিমাণ বেশি এবং সিমেন্টের পরিমাণ ছিল অত্যন্ত কম, যা নির্মাণ বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
নিম্নমানের কাজের প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা গণমাধ্যমকর্মীদের ডেকে আনেন। তারা সদ্য নির্মিত ঢালাই রাস্তা ভেঙে যাওয়ার চিত্র দেখান এবং অবিলম্বে ঠিকাদার রেজাউল করিম ও তার পার্টনার মোঃ ইসলামের কাজ বন্ধের দাবি জানান। পরে সাংবাদিকরা সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগের সত্যতা পান।
এ সময় ঠিকাদারের শ্রমিক ও মিস্ত্রিদের সঙ্গে কথা বললে তারা নিম্নমানের কাজের বিষয়টি স্বীকার করেন। শ্রমিকরা জানান, ঢালাইয়ে পুরোনো ৩ নম্বর ইটের খোয়া ও ডাস্ট বেশি ব্যবহার করা হয়েছে এবং তারা ঠিকাদারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেছেন। তাদের দাবি, এ বিষয়ে তাদের নিজস্ব কোনো সিদ্ধান্ত ছিল না। পুরো ঘটনাটি স্থানীয়দের বক্তব্যসহ ভিডিও ধারণ করেন গণমাধ্যমকর্মীরা। পরে ভিডিওটি বিভিন্ন ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার মোঃ রেজাউল করিম সাংবাদিকদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতে কথা বলবেন বলে জানান। তিনি বলেন, স্থানীয়রা এ রকম কথাই বলে থাকে, এসব অভিযোগে কর্ণপাত করার প্রয়োজন নেই। তবে তার পার্টনার মোঃ ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নিম্নমানের কাজের বিষয়টি রাসিককে অবহিত করা হলে, সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আহমদ আল মঈন মুঠোফোনে জানান, বিষয়টি তার জানা ছিল না। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।
পরবর্তীতে সোমবার বিকালে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক (অতিরিক্ত সচিব) ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ জানান, কর্মকর্তারা সরেজমিনে তদন্ত করে নিম্নমানের কাজের সত্যতা পেয়েছেন। এর প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে কাজ বন্ধ এবং ব্যবহৃত মালামাল জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমি যতদিন দায়িত্বে আছি, ততদিন রাসিকে কোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। নগরজুড়ে চলমান উন্নয়নকাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।
রাসিক সূত্র জানায়, মহানগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন তালাইমারী শহীদ মিনার এলাকা ও বাবর আলী সড়ক সংলগ্ন পাড়া-মহল্লার গলিতে ড্রেন ও সড়ক ঢালাইয়ের কাজ করছিলেন স্থানীয় ঠিকাদার মোঃ রেজাউল করিম ও তার পার্টনার মোঃ ইসলাম। অভিযোগ রয়েছে, ঢালাই কাজে পুরোনো ৩ নম্বর ইটের খোয়া ও অতিরিক্ত ডাস্ট ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি বালুর পরিমাণ বেশি এবং সিমেন্টের পরিমাণ ছিল অত্যন্ত কম, যা নির্মাণ বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
নিম্নমানের কাজের প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা গণমাধ্যমকর্মীদের ডেকে আনেন। তারা সদ্য নির্মিত ঢালাই রাস্তা ভেঙে যাওয়ার চিত্র দেখান এবং অবিলম্বে ঠিকাদার রেজাউল করিম ও তার পার্টনার মোঃ ইসলামের কাজ বন্ধের দাবি জানান। পরে সাংবাদিকরা সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগের সত্যতা পান।
এ সময় ঠিকাদারের শ্রমিক ও মিস্ত্রিদের সঙ্গে কথা বললে তারা নিম্নমানের কাজের বিষয়টি স্বীকার করেন। শ্রমিকরা জানান, ঢালাইয়ে পুরোনো ৩ নম্বর ইটের খোয়া ও ডাস্ট বেশি ব্যবহার করা হয়েছে এবং তারা ঠিকাদারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেছেন। তাদের দাবি, এ বিষয়ে তাদের নিজস্ব কোনো সিদ্ধান্ত ছিল না। পুরো ঘটনাটি স্থানীয়দের বক্তব্যসহ ভিডিও ধারণ করেন গণমাধ্যমকর্মীরা। পরে ভিডিওটি বিভিন্ন ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার মোঃ রেজাউল করিম সাংবাদিকদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতে কথা বলবেন বলে জানান। তিনি বলেন, স্থানীয়রা এ রকম কথাই বলে থাকে, এসব অভিযোগে কর্ণপাত করার প্রয়োজন নেই। তবে তার পার্টনার মোঃ ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নিম্নমানের কাজের বিষয়টি রাসিককে অবহিত করা হলে, সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আহমদ আল মঈন মুঠোফোনে জানান, বিষয়টি তার জানা ছিল না। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।
পরবর্তীতে সোমবার বিকালে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক (অতিরিক্ত সচিব) ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ জানান, কর্মকর্তারা সরেজমিনে তদন্ত করে নিম্নমানের কাজের সত্যতা পেয়েছেন। এর প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে কাজ বন্ধ এবং ব্যবহৃত মালামাল জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমি যতদিন দায়িত্বে আছি, ততদিন রাসিকে কোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। নগরজুড়ে চলমান উন্নয়নকাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।