জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় জবানবন্দি দেওয়া শুরু করেছেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) কেন্দ্রে তাকে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় করা এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে সাবেক ও কর্মরত সেনা কর্মকর্তারাও রয়েছেন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরের কিছু আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এ জবানবন্দি শুরু হয়। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক বেঞ্চে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
হুম্মাম কাদের চৌধুরী বিএনপির মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে। তাকে ২০১৬ সালে অপহরণ করা হয় এবং প্রায় সাত মাস নিখোঁজ থাকার পর ২০১৭ সালের মার্চে তিনি বাড়ি ফেরেন। জবানবন্দিতে তিনি নিজের গুম হওয়ার ঘটনা এবং আটক অবস্থায় নির্যাতনের অভিজ্ঞতা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরবেন বলে আদালত সূত্র জানিয়েছে।
এর আগে ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল ১৩ জনের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ গঠন করেন এবং বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ১৯ জানুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণ ও সূচনা বক্তব্যের দিন ধার্য করা হয়।
মামলার ১৩ আসামির মধ্যে তিনজন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন তৎকালীন ডিজিএফআই পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সারওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভীর মাজহার সিদ্দিকী। সোমবার সকালে তাদের ঢাকা সেনানিবাসের ভেতরে অবস্থিত বিশেষ কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
বাকি ১০ আসামি পলাতক রয়েছেন। তাদের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করা পাঁচজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা রয়েছেন। তারা হলেন অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ আকবর হোসেন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সাইফুল আবেদিন, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. সাইফুল আলম, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী এবং অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল হামিদুল হক।
অন্য আসামিরা হলেন শেখ হাসিনার সাবেক প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিকী, সাবেক ডিজিএফআই পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ তৌহিদুল উল ইসলাম, মেজর জেনারেল কবির আহমেদ এবং অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোখছুরুল হক।
রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগ থাকায় মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক কার্যক্রম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরের কিছু আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এ জবানবন্দি শুরু হয়। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক বেঞ্চে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
হুম্মাম কাদের চৌধুরী বিএনপির মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে। তাকে ২০১৬ সালে অপহরণ করা হয় এবং প্রায় সাত মাস নিখোঁজ থাকার পর ২০১৭ সালের মার্চে তিনি বাড়ি ফেরেন। জবানবন্দিতে তিনি নিজের গুম হওয়ার ঘটনা এবং আটক অবস্থায় নির্যাতনের অভিজ্ঞতা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরবেন বলে আদালত সূত্র জানিয়েছে।
এর আগে ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল ১৩ জনের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ গঠন করেন এবং বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ১৯ জানুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণ ও সূচনা বক্তব্যের দিন ধার্য করা হয়।
মামলার ১৩ আসামির মধ্যে তিনজন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন তৎকালীন ডিজিএফআই পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সারওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভীর মাজহার সিদ্দিকী। সোমবার সকালে তাদের ঢাকা সেনানিবাসের ভেতরে অবস্থিত বিশেষ কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
বাকি ১০ আসামি পলাতক রয়েছেন। তাদের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করা পাঁচজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা রয়েছেন। তারা হলেন অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ আকবর হোসেন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সাইফুল আবেদিন, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. সাইফুল আলম, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী এবং অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল হামিদুল হক।
অন্য আসামিরা হলেন শেখ হাসিনার সাবেক প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিকী, সাবেক ডিজিএফআই পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ তৌহিদুল উল ইসলাম, মেজর জেনারেল কবির আহমেদ এবং অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোখছুরুল হক।
রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগ থাকায় মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক কার্যক্রম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।