চীনে এ যাবৎকালের সর্বনিম্ন জন্মহার রেকর্ড করা হয়েছে গেল বছর। এতে করে টানা চার বছর দেশটি জনসংখ্যার পরিমাণ শুধু কমেছে। চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
কর্তৃপক্ষের নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও টানা চতুর্থ বছরের মতো দেশটির জনসংখ্যা কমেছে। চীনা কর্মকর্তারা জানান, গত বছর দেশটিতে মোট জন্ম হয়েছে মাত্র ৭৯ লাখ ২০ হাজার। এতে প্রতি হাজারে জন্মহার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৬৩। এই সময়ের মধ্যে মারা গেছেন ১ কোটি ১৩ লাখ ১০ হাজার মানুষ। এতে করে জনসংখ্যা কমে গেছে ৩৯ লাখ।
চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো (এনবিএস) ১৯৪৯ সাল থেকে জন্মহারের তথ্য সংরক্ষণ শুরু করে। ওই বছরই কমিউনিস্ট নেতা মাও সে-তুং গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। সেই সময় থেকে এটিই চীনের সর্বনিম্ন জন্মহার।
দ্রুত বয়স্ক জনসংখ্যা বৃদ্ধির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বেইজিং সরকার বিয়ে ও সন্তান জন্মদানে উৎসাহ দিতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে- শিশু পরিচর্যা ভর্তুকি দেওয়া এবং কনডমের ওপর কর আরোপের মতো উদ্যোগ।
জন্মহার কমলেও ২০২৫ সালে চীনের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। এতে করে দেশটি তাদের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে।
কর্তৃপক্ষের নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও টানা চতুর্থ বছরের মতো দেশটির জনসংখ্যা কমেছে। চীনা কর্মকর্তারা জানান, গত বছর দেশটিতে মোট জন্ম হয়েছে মাত্র ৭৯ লাখ ২০ হাজার। এতে প্রতি হাজারে জন্মহার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৬৩। এই সময়ের মধ্যে মারা গেছেন ১ কোটি ১৩ লাখ ১০ হাজার মানুষ। এতে করে জনসংখ্যা কমে গেছে ৩৯ লাখ।
চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো (এনবিএস) ১৯৪৯ সাল থেকে জন্মহারের তথ্য সংরক্ষণ শুরু করে। ওই বছরই কমিউনিস্ট নেতা মাও সে-তুং গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। সেই সময় থেকে এটিই চীনের সর্বনিম্ন জন্মহার।
দ্রুত বয়স্ক জনসংখ্যা বৃদ্ধির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বেইজিং সরকার বিয়ে ও সন্তান জন্মদানে উৎসাহ দিতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে- শিশু পরিচর্যা ভর্তুকি দেওয়া এবং কনডমের ওপর কর আরোপের মতো উদ্যোগ।
জন্মহার কমলেও ২০২৫ সালে চীনের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। এতে করে দেশটি তাদের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে।