‘অযোধ্যায় পরে যাওয়ার শাড়ি দিতে চাননি,মাসাবাকে কটাক্ষ কঙ্গনার

আপলোড সময় : ১৮-০১-২০২৬ ০৪:৫২:৪৪ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৮-০১-২০২৬ ০৪:৫২:৪৪ অপরাহ্ন
এ বার কঙ্গনা রনৌতের নিশানায় মাসাবা গুপ্ত। অভিনেত্রী নীনা গুপ্তের মেয়ে, এই পোশাকশিল্পীকে নিয়ে এক ব়ড় অভিযোগ করেছেন অভিনেত্রী তথা সাংসদ। মাসাবা নাকি চাননি, তাঁর তৈরি করা শাড়ি পরে কঙ্গনা অযোধ্যায় যান।

সেই সময়ে ‘তেজস’ ছবির প্রচার নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন কঙ্গনা। এই ছবির প্রযোজকেরা পোশাকশিল্পী হিসেবে নিযুক্ত করেছিলেন মাসাবাকে। কঙ্গনার দাবি, এর মাঝেই অযোধ্যা যাওয়ার প্রসঙ্গ এলে মাসাবা নাকি মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন। এই ঘটনায় আঘাত পেয়েছিলেন কঙ্গনা। তাঁর কথায়, “পোশাকশিল্পীরা সাধারণত খুশি হন, যখন তাঁদের তৈরি করা পোশাক পরে তারকাদের দেখা যায়।” কঙ্গনার আরও দাবি, মাসাবার তৈরি করা শাড়ি পরে অযোধ্যা গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই ছবিগুলি নিজের সমাজমাধ্যমে শেয়ার করেননি মাসাবা।

কঙ্গনা বলেছেন, “ওই ছবিগুলি নেটপাড়ায় ছেয়ে গিয়েছিল। কিন্তু উনি (মাসাবা) কেন এই ছবিগুলি শেয়ার করলেন না এবং স্টাইলিস্ট কেন ওঁকে ট্যাগ করলেন না, বলতে পারবেন?” কঙ্গনার বক্তব্য, অযোধ্যার রামমন্দিরের সঙ্গে কোনও রকমের সংযোগে যেতে চাননি মাসাবা।

এই ঘটনায় আঘাত পেয়েছিলেন অভিনেত্রী। তাঁর স্বীকারোক্তি, “আমাকে বহু পোশাকশিল্পী নিষিদ্ধ করে রেখেছেন, তা নিয়ে আমার কোনও মাথাব্যথা নেই। কিন্তু নির্দিষ্ট এই ঘটনা আমাকে খুব কষ্ট দিয়েছিল। মাসাবা স্টাইলিস্টকে শাড়িটা পাঠিয়েছিলেন ছবির প্রচারে পরার জন্য। কিন্তু ওঁকে বলা হয়েছিল, শাড়িটা অযোধ্যায় পরে যেন না যাওয়া হয়। স্টাইলিস্ট খুবই ভদ্র একজন মহিলা। উনি নিজের পকেট থেকে তখন সেই শাড়ির টাকা দিয়েছিলেন এবং আমাকে অনুরোধ করেছিলেন, আমি যেন ছবিতে মাসাবাকে ট্যাগ না করি। আমি বিষয়টা যখন জানতে পারি, তখন আমি রাস্তায়। কিন্তু এই ধরনের ভেদাভেদ ও তিক্ততার ঘটনায় আমার পেট এখনও গুলিয়ে ওঠে, এখনও অসুস্থ বোধ করি।”

এই ঘটনায় এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি মাসাবা বা তাঁর সহযোগী দল।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]