ইরানে সামরিক অভিযান করতে পারে আমেরিকার বাহিনী, একাধিক বার তা নিয়ে সতর্ক করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজে প্রকাশ্যেই সেই অভিযানের সম্ভাবনার কথা ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমেরিকা সেই পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে। ইরান সম্বন্ধে সুর কিছুটা নরম করেছেন ট্রাম্প। এই সংক্রান্ত তাঁর শেষ পোস্টেই সেই ইঙ্গিত রয়েছে। ট্রাম্পের মুখে শোনা গিয়েছে ইরানের প্রশংসা, যা অতি দুর্লভ।
সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ঠেকাতে কঠোর দমননীতি প্রয়োগ করেছে ইরান। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের উপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়েছে। হাজার হাজার প্রতিবাদী নাগরিককে বন্দি করে রাখা হয়েছে। তেহরান জানিয়েছিল, এই সমস্ত বন্দির একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। পাল্টা ট্রাম্পও তা নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। শুক্রবার সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প জানান, ইরান মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে। সেই কারণে তেহরানকে তিনি ধন্যবাদও জানিয়েছেন। লিখেছেন, ‘‘ইরানের নেতৃত্ব সমস্ত মৃত্যুদণ্ড বাতিল করেছে। বৃহস্পতিবার ৮০০-র বেশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। ইরানের এই সিদ্ধান্তকে আমি শ্রদ্ধা করি। ধন্যবাদ।’’
চলতি সপ্তাহের শুরুতেও ইরান নিয়ে কঠোর বার্তা দিচ্ছিলেন ট্রাম্প। দাবি করছিলেন, ইরানে সামরিক অভিযান চালানো ছাড়া আমেরিকার আর উপায় নেই। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসে দফায় দফায় বৈঠক চলেছে। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইও ট্রাম্পের সমালোচনা করেছিলেন প্রকাশ্যে। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যে আমেরিকার এই সুরবদলের নেপথ্যে রয়েছে মূলত চারটি দেশ। সৌদি আরব, মিশর, কাতার এবং ওমানের মধ্যস্থতাতেই ইরান এবং আমেরিকার উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হয়েছে, জানিয়েছে সংবাদসংস্থা রয়টার্স।
চলতি সপ্তাহের মধ্যেই আমেরিকা এবং ইরানের নেতৃত্বের সঙ্গে দফায় দফায় কথা বলেছেন সৌদি, কাতার, ওমান এবং মিশরের প্রতিনিধিরা। কূটনীতির মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের বার্তা দিয়েছেন। প্রত্যেকেই ট্রাম্পকে বুঝিয়েছেন, ইরানের উপর এই মুহূর্তে যে কোনও হামলা আঞ্চলিক অশান্তি বৃদ্ধি করবে, নিরাপত্তা বিঘ্নিত করবে এবং তাতে আখেরে আমেরিকারই ক্ষতি হবে। আবার ইরানকে এই চার দেশের প্রতিনিধি বুঝিয়েছেন, আরব উপসাগরীয় এলাকায় থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলিতে যে কোনও ধরনের হামলা ওই অঞ্চলের অন্যান্য দেশের সঙ্গে ইরানের সম্পর্কের অবনতি ঘটাবে। এর পর গত বৃহস্পতিবার ট্রাম্প প্রথম সুর নরম করেন। জানান, তিনি শুনেছেন যে, ইরানে খুনোখুনি কিছুটা কমেছে এবং পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। শুক্রবার ইরানের নেতৃত্বের প্রশংসাও করলেন তিনি।
সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ঠেকাতে কঠোর দমননীতি প্রয়োগ করেছে ইরান। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের উপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়েছে। হাজার হাজার প্রতিবাদী নাগরিককে বন্দি করে রাখা হয়েছে। তেহরান জানিয়েছিল, এই সমস্ত বন্দির একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। পাল্টা ট্রাম্পও তা নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। শুক্রবার সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প জানান, ইরান মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে। সেই কারণে তেহরানকে তিনি ধন্যবাদও জানিয়েছেন। লিখেছেন, ‘‘ইরানের নেতৃত্ব সমস্ত মৃত্যুদণ্ড বাতিল করেছে। বৃহস্পতিবার ৮০০-র বেশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। ইরানের এই সিদ্ধান্তকে আমি শ্রদ্ধা করি। ধন্যবাদ।’’
চলতি সপ্তাহের শুরুতেও ইরান নিয়ে কঠোর বার্তা দিচ্ছিলেন ট্রাম্প। দাবি করছিলেন, ইরানে সামরিক অভিযান চালানো ছাড়া আমেরিকার আর উপায় নেই। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসে দফায় দফায় বৈঠক চলেছে। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইও ট্রাম্পের সমালোচনা করেছিলেন প্রকাশ্যে। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যে আমেরিকার এই সুরবদলের নেপথ্যে রয়েছে মূলত চারটি দেশ। সৌদি আরব, মিশর, কাতার এবং ওমানের মধ্যস্থতাতেই ইরান এবং আমেরিকার উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হয়েছে, জানিয়েছে সংবাদসংস্থা রয়টার্স।
চলতি সপ্তাহের মধ্যেই আমেরিকা এবং ইরানের নেতৃত্বের সঙ্গে দফায় দফায় কথা বলেছেন সৌদি, কাতার, ওমান এবং মিশরের প্রতিনিধিরা। কূটনীতির মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের বার্তা দিয়েছেন। প্রত্যেকেই ট্রাম্পকে বুঝিয়েছেন, ইরানের উপর এই মুহূর্তে যে কোনও হামলা আঞ্চলিক অশান্তি বৃদ্ধি করবে, নিরাপত্তা বিঘ্নিত করবে এবং তাতে আখেরে আমেরিকারই ক্ষতি হবে। আবার ইরানকে এই চার দেশের প্রতিনিধি বুঝিয়েছেন, আরব উপসাগরীয় এলাকায় থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলিতে যে কোনও ধরনের হামলা ওই অঞ্চলের অন্যান্য দেশের সঙ্গে ইরানের সম্পর্কের অবনতি ঘটাবে। এর পর গত বৃহস্পতিবার ট্রাম্প প্রথম সুর নরম করেন। জানান, তিনি শুনেছেন যে, ইরানে খুনোখুনি কিছুটা কমেছে এবং পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। শুক্রবার ইরানের নেতৃত্বের প্রশংসাও করলেন তিনি।