প্রকাশ্যে নিজেদের সম্পর্কের কথা কখনও স্বীকার করেননি তাঁরা। কিন্তু এখনও ঐশ্বর্যা রাই এবং সলমন খানের সম্পর্ক নিয়ে নানা ফিসফাস শুনতে পাওয়া যায়। তাঁদের প্রেমপর্ব নিয়ে নানা কথা এখনও শোনা যায় ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে, সলমন-ঐশ্বর্যা প্রসঙ্গে কী বললেন সঙ্গীতশিল্পী কুমার শানু?
সে সময় সবচেয়ে হাসিখুশি থাকতেন সলমন। একটি ছবির শুটিংয়ের মুহূর্তে ফিরে যান গায়ক। কুমার শানু বলেন, “হ্যাঁ, সত্যিই ওই এক মুহূর্ত ছিল। ‘হম দিল দে চুকে সনম’ ছবির শুটিংয়ের সময় সলমন এবং ঐশ্বর্যাকে চোখের সামনে দেখতে এত সুন্দর লাগত। নায়ক যেমন সুন্দর, তেমই ঐশ্বর্যা। চোখ ফেরানোর জো ছিল না। ওরা একসঙ্গে যখন ছবিতে অভিনয় করেছিল, তখন আরও সুন্দর লাগছিল। সেই সময় খুব হাসিখুশি ছিলেন সলমন।”
শোনা যায়, সেই সেট থেকেই নায়ক-নায়িকার সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেই আলোচিত প্রেম টেকেনি। শোনা যায়, ১৯৯৯ সালে ‘হম দিল দে চুকে সনম’ ছবির সেট থেকেই প্রেমের সূত্রপাত সলমন ও ঐশ্বর্যার। ২০০২ সালে সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। পরবর্তীকালে দু’জনেই নিজেদের জীবনে এগিয়েছেন। ঐশ্বর্যা বিয়ে করেছেন অভিষেক বচ্চনকে। অভিনয়জীবনে সাফল্য লাভ করেছেন। অন্য দিকে, বিয়ে না করলেও একাধিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন সলমন।
সে সময় সবচেয়ে হাসিখুশি থাকতেন সলমন। একটি ছবির শুটিংয়ের মুহূর্তে ফিরে যান গায়ক। কুমার শানু বলেন, “হ্যাঁ, সত্যিই ওই এক মুহূর্ত ছিল। ‘হম দিল দে চুকে সনম’ ছবির শুটিংয়ের সময় সলমন এবং ঐশ্বর্যাকে চোখের সামনে দেখতে এত সুন্দর লাগত। নায়ক যেমন সুন্দর, তেমই ঐশ্বর্যা। চোখ ফেরানোর জো ছিল না। ওরা একসঙ্গে যখন ছবিতে অভিনয় করেছিল, তখন আরও সুন্দর লাগছিল। সেই সময় খুব হাসিখুশি ছিলেন সলমন।”
শোনা যায়, সেই সেট থেকেই নায়ক-নায়িকার সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেই আলোচিত প্রেম টেকেনি। শোনা যায়, ১৯৯৯ সালে ‘হম দিল দে চুকে সনম’ ছবির সেট থেকেই প্রেমের সূত্রপাত সলমন ও ঐশ্বর্যার। ২০০২ সালে সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। পরবর্তীকালে দু’জনেই নিজেদের জীবনে এগিয়েছেন। ঐশ্বর্যা বিয়ে করেছেন অভিষেক বচ্চনকে। অভিনয়জীবনে সাফল্য লাভ করেছেন। অন্য দিকে, বিয়ে না করলেও একাধিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন সলমন।