কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে উলঙ্গ হয়ে অশ্লীল আচরণ ও বিয়ে বাড়ির লোকজনকে হুমকির অভিযোগ উঠেছে একদল হিজড়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার পিপলাকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জিনারী ইউনিয়নের পিপলাকান্দি গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে পলাশের বিয়ের অনুষ্ঠান চলাকালে দুপুরের দিকে কয়েকজন হিজড়া বিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করে চাঁদা দাবি করে। বিয়ে বাড়ির পক্ষ থেকে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা প্রথমে উচ্চস্বরে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
অভিযোগ রয়েছে, হিজড়ারা প্রকাশ্যে উলঙ্গ হয়ে অশ্লীল আচরণ প্রদর্শন করে এবং বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত নারী ও অতিথিদের সামনে অশালীন ভঙ্গিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। এতে বিয়ে বাড়ির পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয় এবং অতিথিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন হিজরার হাতে দেশীয় অস্ত্র ‘দা’ রয়েছে, যা দিয়ে তারা ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। ভিডিওতে বিয়ে বাড়ির লোকজনকে নানা ধরনের হুমকি দিতেও দেখা যায়। এ সময় উপস্থিত অনেকেই ভয়ে কিছু বলতে না পেরে নীরব থাকে।
বিয়ে বাড়ির স্বজনদের অভিযোগ, হিজড়াদের আচরণে বিয়ের অনুষ্ঠান প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। পরে স্থানীয় কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, এলাকায় এ ধরনের ঘটনা নতুন নয়। বিয়েসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে চাঁদা আদায়ের নামে ভয়ভীতি ও অশালীন আচরণের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই শোনা যাচ্ছে। তারা বিষয়টির স্থায়ী সমাধান ও প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম জানান, বিয়ের অনুষ্ঠানে হিজড়াদের চাঁদাবাজির বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেলে তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। এছাড়াও এখন যে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে ভবিষ্যতে যেন এ রকম ঘটনা ঘটাতে না পারে সে জন্য পুলিশ সর্তক থাকবে বলেও নিশ্চিত করেন।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার পিপলাকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জিনারী ইউনিয়নের পিপলাকান্দি গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে পলাশের বিয়ের অনুষ্ঠান চলাকালে দুপুরের দিকে কয়েকজন হিজড়া বিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করে চাঁদা দাবি করে। বিয়ে বাড়ির পক্ষ থেকে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা প্রথমে উচ্চস্বরে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
অভিযোগ রয়েছে, হিজড়ারা প্রকাশ্যে উলঙ্গ হয়ে অশ্লীল আচরণ প্রদর্শন করে এবং বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত নারী ও অতিথিদের সামনে অশালীন ভঙ্গিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। এতে বিয়ে বাড়ির পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয় এবং অতিথিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন হিজরার হাতে দেশীয় অস্ত্র ‘দা’ রয়েছে, যা দিয়ে তারা ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। ভিডিওতে বিয়ে বাড়ির লোকজনকে নানা ধরনের হুমকি দিতেও দেখা যায়। এ সময় উপস্থিত অনেকেই ভয়ে কিছু বলতে না পেরে নীরব থাকে।
বিয়ে বাড়ির স্বজনদের অভিযোগ, হিজড়াদের আচরণে বিয়ের অনুষ্ঠান প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। পরে স্থানীয় কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, এলাকায় এ ধরনের ঘটনা নতুন নয়। বিয়েসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে চাঁদা আদায়ের নামে ভয়ভীতি ও অশালীন আচরণের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই শোনা যাচ্ছে। তারা বিষয়টির স্থায়ী সমাধান ও প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম জানান, বিয়ের অনুষ্ঠানে হিজড়াদের চাঁদাবাজির বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেলে তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। এছাড়াও এখন যে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে ভবিষ্যতে যেন এ রকম ঘটনা ঘটাতে না পারে সে জন্য পুলিশ সর্তক থাকবে বলেও নিশ্চিত করেন।