ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে সংগঠনটির চট্টগ্রাম নগর ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা-কর্মীরা।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর চট্টগ্রাম নগরের আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কাজীর দেউড়ি মোড়ে গিয়ে সমাবেশে রূপ নেয়।
বেলা আড়াইটার দিকে কাজীর দেউড়ি মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভকারীরা ‘তুমি কে, আমি কে—হাদি, হাদি’, ‘জাস্টিস ফর হাদি’সহ নানা স্লোগান দেন। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল ‘জাস্টিস ফর হাদি’ লেখা প্ল্যাকার্ড।
সমাবেশের শুরুতে বক্তব্য দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রামের সাবেক নেতা ইবনে হোসেন জিয়াদ। তিনি বলেন, “হাদি হত্যার বিচার নিয়ে ইন্টেরিম সরকার টালবাহানা শুরু করেছে। যদি দ্রুত বিচার নিশ্চিত না করা হয়, তাহলে প্রয়োজনে আইন উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং অন্তর্বর্তী সরকারকে অপসারণের দাবিতে আন্দোলনে নামা হবে।”
ইনকিলাব মঞ্চ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক রাফসান রাকিব বলেন, হাদি হত্যা মামলার অভিযোগপত্রে সঠিক তথ্য উঠে আসেনি। ইন্টেরিম সরকার কি আমাদের সঙ্গে টালবাহানা করছে? এই চট্টগ্রাম থেকে ঘোষণা দিচ্ছি, যদি আপনারা টালবাহানা করতেই থাকেন, তাহলে চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেব।
জুলাই ঐক্য চট্টগ্রাম–এর প্রধান সমন্বয়কারী আবরার হাসান রিয়াদ অভিযোগ করেন, হাদি হত্যা মামলায় তাড়াহুড়া করে ভুল অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “চার্জশিটে ভুল তথ্য রয়েছে। আমাদের ইনকিলাব মঞ্চের ভাইয়েরা এসব ভুল আদালতের সামনে তুলে ধরেছেন। মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করে অভিযোগপত্র সংশোধন না করলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”
গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের হত্যাচেষ্টার মামলা করেন।
পরবর্তীতে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর ওসমান হাদি মারা গেলে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ গত ৬ জানুয়ারি মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন।
এরপর ১২ জানুয়ারি মামলার বাদী আদালতে হাজির হয়ে অভিযোগপত্র পর্যালোচনার সময় নেন এবং বৃহস্পতিবার আদালতে নারাজি দাখিল করেন।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর চট্টগ্রাম নগরের আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কাজীর দেউড়ি মোড়ে গিয়ে সমাবেশে রূপ নেয়।
বেলা আড়াইটার দিকে কাজীর দেউড়ি মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভকারীরা ‘তুমি কে, আমি কে—হাদি, হাদি’, ‘জাস্টিস ফর হাদি’সহ নানা স্লোগান দেন। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল ‘জাস্টিস ফর হাদি’ লেখা প্ল্যাকার্ড।
সমাবেশের শুরুতে বক্তব্য দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রামের সাবেক নেতা ইবনে হোসেন জিয়াদ। তিনি বলেন, “হাদি হত্যার বিচার নিয়ে ইন্টেরিম সরকার টালবাহানা শুরু করেছে। যদি দ্রুত বিচার নিশ্চিত না করা হয়, তাহলে প্রয়োজনে আইন উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং অন্তর্বর্তী সরকারকে অপসারণের দাবিতে আন্দোলনে নামা হবে।”
ইনকিলাব মঞ্চ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক রাফসান রাকিব বলেন, হাদি হত্যা মামলার অভিযোগপত্রে সঠিক তথ্য উঠে আসেনি। ইন্টেরিম সরকার কি আমাদের সঙ্গে টালবাহানা করছে? এই চট্টগ্রাম থেকে ঘোষণা দিচ্ছি, যদি আপনারা টালবাহানা করতেই থাকেন, তাহলে চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেব।
জুলাই ঐক্য চট্টগ্রাম–এর প্রধান সমন্বয়কারী আবরার হাসান রিয়াদ অভিযোগ করেন, হাদি হত্যা মামলায় তাড়াহুড়া করে ভুল অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “চার্জশিটে ভুল তথ্য রয়েছে। আমাদের ইনকিলাব মঞ্চের ভাইয়েরা এসব ভুল আদালতের সামনে তুলে ধরেছেন। মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করে অভিযোগপত্র সংশোধন না করলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”
গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের হত্যাচেষ্টার মামলা করেন।
পরবর্তীতে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর ওসমান হাদি মারা গেলে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ গত ৬ জানুয়ারি মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন।
এরপর ১২ জানুয়ারি মামলার বাদী আদালতে হাজির হয়ে অভিযোগপত্র পর্যালোচনার সময় নেন এবং বৃহস্পতিবার আদালতে নারাজি দাখিল করেন।