উত্তপ্ত সময়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট যেন এক কঠিন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। বোর্ড পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের বিতর্কিত মন্তব্যে শুরু হওয়া অস্থিরতা ছুঁয়ে গেছে জাতীয় দলের ড্রেসিংরুম পর্যন্ত। এমন পরিস্থিতিতে গতকাল রাজধানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মেহেদী হাসান মিরাজের কণ্ঠে শোনা গেল ক্রিকেটারদের আত্মসম্মান, গর্ব আর বেদনার কথা।
ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)-এর ডাকা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তিন ফরম্যাটের অধিনায়কসহ বিপিএলে অংশ নেওয়া রংপুর রাইডার্স, নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রাম রয়্যালসের ক্রিকেটাররা। মূল উদ্দেশ্য ছিল বোর্ড পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের পদত্যাগের দাবিতে নিজেদের অনড় অবস্থান জানানো। কিন্তু শেষ দিকে মিরাজের আবেগভরা বক্তব্য ছুঁয়ে যায় সবাইকে।
বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক বলেন, 'আমরা কারও বিপক্ষে না। কিন্তু আমাদের নিয়ে অনেক ভুল বোঝানো হচ্ছে।' তিনি জানান, অনেক দর্শক মনে করেন ক্রিকেটাররা সরকারি টাকায় খেলে। মিরাজ দৃঢ়ভাবে বলেন, 'এটা ভুল ধারণা। সরকার থেকে আমরা কোনো টাকা পাই না। আমরা ক্রিকেট খেলে যা আয় করি, তা আইসিসি আর স্পন্সরদের কাছ থেকে আসে।' মিরাজ পরিষ্কার ভাষায় বলেন, 'আমরা যে আয় করি, আমার মনে হয় সবচেয়ে বেশি ট্যাক্স আমরাই দিই। আমরা ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ ট্যাক্স দিই। এর মানে আমরা সরকারকে টাকা দিই, সরকার আমাদের টাকা দেয় না।'
তিনি আরও বলেন, 'আমরা খেলি বলেই বিসিবি টাকা পায়। মাঠে খেলা হচ্ছে বলেই বোর্ড শক্ত জায়গায় আছে। খেলাই যদি না হয়, স্পন্সরও আসবে না, আইসিসি থেকেও কোনো লভ্যাংশ আসবে না।' দর্শকদের উদ্দেশে মিরাজ বলেন, 'অনেক সময় আমাদের নিয়ে নেতিবাচক কথা বলা হয়, অথচ আমাদের ইতিবাচক দিকটা কেউ দেখায় না। আমরা মাঠে খারাপ খেললে অনেক গালি খাই, তবুও দর্শক এলে ছবি তুলি। আমরা তো বলতে পারতাম ছবি তুলব না। কিন্তু আমরা সেটা কখনো করিনি। কারণ দর্শকরাই আমাদের শক্তি।'
তিনি আবেগমথিত কণ্ঠে আরও বলেন, 'আজ আমি মেহেদী হাসান মিরাজ হয়েছি ক্রিকেটের জন্য। আমার কিছুই ছিল না। ক্রিকেট দিয়ে আমি সব পেয়েছি। ক্রিকেটকে যদি কেউ অসম্মান করে, তাহলে আমরা নিশ্চয়ই দাঁড়াব।' বিসিবি পরিচালক নাজমুল ইসলামের বিতর্কিত মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'আমরা সবসময় বলি বোর্ড আমাদের অভিভাবক। অভিভাবকের জায়গা থেকে যদি এমন মন্তব্য আসে, সেটা শুধু ক্রিকেটারদের জন্য না, পুরো ক্রীড়াঙ্গনের জন্যই লজ্জাজনক।'
তিনি আরও যোগ করেন, 'উনি কীভাবে এমন কথা বললেন, বুঝে বললেন কি না, জানি না। তবে দায়িত্বে থেকে এমন মন্তব্য করা উচিত না।' ক্রিকেটারদের প্রতি দর্শকদের ভুল ধারণা ভাঙতে গিয়ে মিরাজ বলেন, 'আমরা যেই টাকা পাই, সেটা দেশের ক্রিকেটের প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি ক্রিকেটারের অবদানেই এসেছে। আজকের বিসিবির যে আর্থিক অবস্থান, সেটা তৈরি হয়েছে মাঠে খেলা প্রতিটি মানুষের ঘাম, পরিশ্রম আর আত্মত্যাগে। বাংলাদেশের জার্সি গায়ে যে একটা ম্যাচও খেলেছে, তারও এখানে অংশ আছে।'
তিনি স্পষ্ট করেন, 'আমরা যারা মাঠে খেলি, তারাই দেশের ক্রিকেটের মূল চালিকাশক্তি। আমরা না খেললে কোনো আয়ই হতো না। তাই কেউ যেন এটা না ভাবে যে, আমরা সরকারের করের টাকায় বেঁচে আছি।' মাঠের বাইরে এই নাটকীয় পরিস্থিতিতে মিরাজের কণ্ঠে শুধু ক্ষোভ নয়, ছিল আত্মমর্যাদার দৃঢ় ঘোষণা। তিনি বলেন, 'আমরা সমালোচনার ভয় করি না। পারফর্ম না করলে সমালোচনা হবেই। কিন্তু ক্রিকেটকে অপমান করা আমরা মেনে নেব না।' সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত অন্য ক্রিকেটাররাও মিরাজের বক্তব্যে সমর্থন জানান। কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন বলেন, 'আমরা খেলার বিপক্ষে না, কিন্তু অসম্মানের বিরুদ্ধে আমরা আপসহীন।'
ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)-এর ডাকা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তিন ফরম্যাটের অধিনায়কসহ বিপিএলে অংশ নেওয়া রংপুর রাইডার্স, নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রাম রয়্যালসের ক্রিকেটাররা। মূল উদ্দেশ্য ছিল বোর্ড পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের পদত্যাগের দাবিতে নিজেদের অনড় অবস্থান জানানো। কিন্তু শেষ দিকে মিরাজের আবেগভরা বক্তব্য ছুঁয়ে যায় সবাইকে।
বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক বলেন, 'আমরা কারও বিপক্ষে না। কিন্তু আমাদের নিয়ে অনেক ভুল বোঝানো হচ্ছে।' তিনি জানান, অনেক দর্শক মনে করেন ক্রিকেটাররা সরকারি টাকায় খেলে। মিরাজ দৃঢ়ভাবে বলেন, 'এটা ভুল ধারণা। সরকার থেকে আমরা কোনো টাকা পাই না। আমরা ক্রিকেট খেলে যা আয় করি, তা আইসিসি আর স্পন্সরদের কাছ থেকে আসে।' মিরাজ পরিষ্কার ভাষায় বলেন, 'আমরা যে আয় করি, আমার মনে হয় সবচেয়ে বেশি ট্যাক্স আমরাই দিই। আমরা ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ ট্যাক্স দিই। এর মানে আমরা সরকারকে টাকা দিই, সরকার আমাদের টাকা দেয় না।'
তিনি আরও বলেন, 'আমরা খেলি বলেই বিসিবি টাকা পায়। মাঠে খেলা হচ্ছে বলেই বোর্ড শক্ত জায়গায় আছে। খেলাই যদি না হয়, স্পন্সরও আসবে না, আইসিসি থেকেও কোনো লভ্যাংশ আসবে না।' দর্শকদের উদ্দেশে মিরাজ বলেন, 'অনেক সময় আমাদের নিয়ে নেতিবাচক কথা বলা হয়, অথচ আমাদের ইতিবাচক দিকটা কেউ দেখায় না। আমরা মাঠে খারাপ খেললে অনেক গালি খাই, তবুও দর্শক এলে ছবি তুলি। আমরা তো বলতে পারতাম ছবি তুলব না। কিন্তু আমরা সেটা কখনো করিনি। কারণ দর্শকরাই আমাদের শক্তি।'
তিনি আবেগমথিত কণ্ঠে আরও বলেন, 'আজ আমি মেহেদী হাসান মিরাজ হয়েছি ক্রিকেটের জন্য। আমার কিছুই ছিল না। ক্রিকেট দিয়ে আমি সব পেয়েছি। ক্রিকেটকে যদি কেউ অসম্মান করে, তাহলে আমরা নিশ্চয়ই দাঁড়াব।' বিসিবি পরিচালক নাজমুল ইসলামের বিতর্কিত মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'আমরা সবসময় বলি বোর্ড আমাদের অভিভাবক। অভিভাবকের জায়গা থেকে যদি এমন মন্তব্য আসে, সেটা শুধু ক্রিকেটারদের জন্য না, পুরো ক্রীড়াঙ্গনের জন্যই লজ্জাজনক।'
তিনি আরও যোগ করেন, 'উনি কীভাবে এমন কথা বললেন, বুঝে বললেন কি না, জানি না। তবে দায়িত্বে থেকে এমন মন্তব্য করা উচিত না।' ক্রিকেটারদের প্রতি দর্শকদের ভুল ধারণা ভাঙতে গিয়ে মিরাজ বলেন, 'আমরা যেই টাকা পাই, সেটা দেশের ক্রিকেটের প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি ক্রিকেটারের অবদানেই এসেছে। আজকের বিসিবির যে আর্থিক অবস্থান, সেটা তৈরি হয়েছে মাঠে খেলা প্রতিটি মানুষের ঘাম, পরিশ্রম আর আত্মত্যাগে। বাংলাদেশের জার্সি গায়ে যে একটা ম্যাচও খেলেছে, তারও এখানে অংশ আছে।'
তিনি স্পষ্ট করেন, 'আমরা যারা মাঠে খেলি, তারাই দেশের ক্রিকেটের মূল চালিকাশক্তি। আমরা না খেললে কোনো আয়ই হতো না। তাই কেউ যেন এটা না ভাবে যে, আমরা সরকারের করের টাকায় বেঁচে আছি।' মাঠের বাইরে এই নাটকীয় পরিস্থিতিতে মিরাজের কণ্ঠে শুধু ক্ষোভ নয়, ছিল আত্মমর্যাদার দৃঢ় ঘোষণা। তিনি বলেন, 'আমরা সমালোচনার ভয় করি না। পারফর্ম না করলে সমালোচনা হবেই। কিন্তু ক্রিকেটকে অপমান করা আমরা মেনে নেব না।' সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত অন্য ক্রিকেটাররাও মিরাজের বক্তব্যে সমর্থন জানান। কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন বলেন, 'আমরা খেলার বিপক্ষে না, কিন্তু অসম্মানের বিরুদ্ধে আমরা আপসহীন।'