কুষ্মাণ্ডের সাধারণ অর্থ কুমড়া, কুমোড় বা কাঁকুড়। এটি কর্কোটিকা, শসা জাতীয় লতাফল। যা সাধারণত বাড়ির চালে ও মাচায় চাষ করা হয়। আর অকাল কুষ্মাণ্ডের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ অকালে বা অসময়ে উৎপন্ন কুমড়া হলেও প্রবাদ প্রবচনে ব্যবহৃত হয় অপদার্থ,অকর্মণ্য, মূর্খ ও অকেজো হিসেবে। তবে অকালে উৎপন্ন কুষ্মাণ্ড অকেজো হলেও পাকালে বেশ দাম আছে। কারণ একেকটি পাকা কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়।
সম্প্রতি নওগাঁর নিয়ামতপুরে এমন ভ্রাম্যমাণ পাকা কুমড়া ক্রেতাদের দেখা পাওয়া গেল। মো. রানা ও আব্দুল মান্নান নামের দুজন ব্যবসায়ী অটোরিকশা গাড়িতে করে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঘুরে পাকা কুমড়া কিনছেন।
আলাপচারিতায় জানা গেল, এই পাকা কুমড়া মোরব্বা ও 'কুমড়া বড়ি' তৈরির জন্য বেশ চাহিদা আছে। তাঁরা জেলার বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে ঘুরে পাকা কুমড়া কিনেন। তিন বছর ধরে এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। প্রতিদিন সকাল বেলা অটো গাড়ি নিয়ে বের হন। বিক্রেতাদের মনোযোগ আকর্ষণে গাড়িতে লাগানো থাকে মাইক। সারাদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে কুমড়া কিনে মান্দা উপজেলার সতীহাট এলাকায় মোকামে মজুদ করেন। সেখান মজুদ করার পর ট্রাকে করে দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী হিলি এলাকায় পাঠান। সেখান থেকে চলে যায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। কিছু কুমড়া 'বড়ি' তৈরির জন্য এলাকার লোকজন কিনে নেন।
মো. রানা জানালেন, সারাদিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ১৫০ থেকে ২৫০ টা কুমড়া কিনতে পারেন। নভেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত এ পাকা কুমড়ার কেনাবেচা চলে। সবচেয়ে বেশি কুমড়া পাওয়া সাপাহার উপজেলায়। তারপরে রয়েছে নিয়ামতপুর। আকার ও মানভেদে একটি পাকা কুমড়া ২০-১০০ টাকায় কেনেন।
আরেক ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নান জানালেন, বিভিন্ন এলাকা থেকে পরিবহনের সময় কিছু কুমড়া ফেটে যায়, কিছু কুমড়া মোকামে পচে যায়। অনেক সময় বুঝতে না পেরে পচা কুমড়া কিনে ফেলেন। সেক্ষেত্রে 'লস' লেগে যায়।
২০টি কুমড়া বিক্রি করলেন গৃহবধূ ধবলী রানী। তিনি জানালেন, 'বাড়ির চালে ও আশেপাশে অনেক কুমড়া হয়েছিল। কিছু কাঁচা অবস্থায় বিক্রি করেছি। আর কিছু পাকা ছিল। আজকে বিক্রি করলাম। ভালোই দাম পেলাম।' বাড়ি থেকেই বিক্রি করতে পারায় বাজারে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হয়না বলে জানালেন।
নিয়ামতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার গৃহবধূরা বাড়ির চালে কুমড়া চাষ করে পরিবারের সবজির চাহিদা পূরণ করে কাঁচা ও পাকা কুমড়া বিক্রি করে আর্থিকভাবে সচ্ছল হচ্ছেন। পারিবারিক ও বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনকারী কুমড়া চাষীরা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে ভালো বীজ ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করা হবে বলে জানান।
নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোছা. হোমায়রা মন্ডল বলেন, গ্রামাঞ্চলের গৃহবধূরা বাড়ির চালে এই কুমড়া চাষ করেন।কেউ কেউ পতিত ও অনাবাদি জমিতে মাচা করে চাষ করে সবজি উৎপাদনে ভালো ভূমিকা রাখছেন। এর কচি পাতা ও ডগা শাক হিসেবে রান্না করে খাওয়া যায়, ফুলের বড়াও বেশ সুস্বাদু। কাঁচা কুমড়ার পাশাপাশি পাকা কুমড়াও বিক্রি করছেন গৃহবধূরা। অনেকে মাষকলাইয়ের ডাল দিয়ে সুস্বাদু কুমড়া বড়ি তৈরি করে বিক্রি করছেন। এতে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন তাঁরা। উপার্জনের বাড়তি উৎস কুমড়া চাষে সকলকেই আহবান জানান তিনি।
সম্প্রতি নওগাঁর নিয়ামতপুরে এমন ভ্রাম্যমাণ পাকা কুমড়া ক্রেতাদের দেখা পাওয়া গেল। মো. রানা ও আব্দুল মান্নান নামের দুজন ব্যবসায়ী অটোরিকশা গাড়িতে করে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঘুরে পাকা কুমড়া কিনছেন।
আলাপচারিতায় জানা গেল, এই পাকা কুমড়া মোরব্বা ও 'কুমড়া বড়ি' তৈরির জন্য বেশ চাহিদা আছে। তাঁরা জেলার বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে ঘুরে পাকা কুমড়া কিনেন। তিন বছর ধরে এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। প্রতিদিন সকাল বেলা অটো গাড়ি নিয়ে বের হন। বিক্রেতাদের মনোযোগ আকর্ষণে গাড়িতে লাগানো থাকে মাইক। সারাদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে কুমড়া কিনে মান্দা উপজেলার সতীহাট এলাকায় মোকামে মজুদ করেন। সেখান মজুদ করার পর ট্রাকে করে দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী হিলি এলাকায় পাঠান। সেখান থেকে চলে যায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। কিছু কুমড়া 'বড়ি' তৈরির জন্য এলাকার লোকজন কিনে নেন।
মো. রানা জানালেন, সারাদিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ১৫০ থেকে ২৫০ টা কুমড়া কিনতে পারেন। নভেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত এ পাকা কুমড়ার কেনাবেচা চলে। সবচেয়ে বেশি কুমড়া পাওয়া সাপাহার উপজেলায়। তারপরে রয়েছে নিয়ামতপুর। আকার ও মানভেদে একটি পাকা কুমড়া ২০-১০০ টাকায় কেনেন।
আরেক ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নান জানালেন, বিভিন্ন এলাকা থেকে পরিবহনের সময় কিছু কুমড়া ফেটে যায়, কিছু কুমড়া মোকামে পচে যায়। অনেক সময় বুঝতে না পেরে পচা কুমড়া কিনে ফেলেন। সেক্ষেত্রে 'লস' লেগে যায়।
২০টি কুমড়া বিক্রি করলেন গৃহবধূ ধবলী রানী। তিনি জানালেন, 'বাড়ির চালে ও আশেপাশে অনেক কুমড়া হয়েছিল। কিছু কাঁচা অবস্থায় বিক্রি করেছি। আর কিছু পাকা ছিল। আজকে বিক্রি করলাম। ভালোই দাম পেলাম।' বাড়ি থেকেই বিক্রি করতে পারায় বাজারে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হয়না বলে জানালেন।
নিয়ামতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার গৃহবধূরা বাড়ির চালে কুমড়া চাষ করে পরিবারের সবজির চাহিদা পূরণ করে কাঁচা ও পাকা কুমড়া বিক্রি করে আর্থিকভাবে সচ্ছল হচ্ছেন। পারিবারিক ও বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনকারী কুমড়া চাষীরা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে ভালো বীজ ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করা হবে বলে জানান।
নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোছা. হোমায়রা মন্ডল বলেন, গ্রামাঞ্চলের গৃহবধূরা বাড়ির চালে এই কুমড়া চাষ করেন।কেউ কেউ পতিত ও অনাবাদি জমিতে মাচা করে চাষ করে সবজি উৎপাদনে ভালো ভূমিকা রাখছেন। এর কচি পাতা ও ডগা শাক হিসেবে রান্না করে খাওয়া যায়, ফুলের বড়াও বেশ সুস্বাদু। কাঁচা কুমড়ার পাশাপাশি পাকা কুমড়াও বিক্রি করছেন গৃহবধূরা। অনেকে মাষকলাইয়ের ডাল দিয়ে সুস্বাদু কুমড়া বড়ি তৈরি করে বিক্রি করছেন। এতে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন তাঁরা। উপার্জনের বাড়তি উৎস কুমড়া চাষে সকলকেই আহবান জানান তিনি।