সাবেক স্ত্রী ও মেয়ের অভিযোগে মিথ্যা ধর্ষণ মামলার শিকার বৃদ্ধ বাবা দ্বারে দ্বারে ন্যায়ের খোঁজে

আপলোড সময় : ১৫-০১-২০২৬ ০৮:৫৮:১৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৫-০১-২০২৬ ০৮:৫৮:১৭ অপরাহ্ন
সাবেক স্ত্রী ও তার কন্যার ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে মিথ্যা ধর্ষণ মামলার বোঝা কাঁধে নিয়ে ঢাকার আশুলিয়ায় দ্বারে দ্বারে ন্যায়ের খোঁজে বেড়াচ্ছেন এক বৃদ্ধ পিতা। তিনি বলেন, নিজের তিলে তিলে গড়া বাড়ি ছেড়ে বর্তমানে নিকটাত্মীয়দের কাছে আশ্রয় নিয়েছেন।

ভূক্তভোগী আব্দুর রহিম (৬০) অভিযোগ করেছেন, তার সাবেক স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৪০) ও ছোট মেয়ে সুমনা ইসলাম ঋতু (১৭) ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর আশুলিয়া থানায় ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। মামলার নং ৮৪ (৯) অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর আব্দুর রহিম তার কন্যাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছেন বলে বলা হয়েছে। মামলায় তিনি জামিনে মুক্তি পান।

আব্দুর রহিম জানান, ৩৪ বছর কুয়েতে প্রবাসী জীবন কাটানোর পর দেশে ফিরে আশুলিয়ার ইসলামনগর এলাকার নিজের বাড়িতে থাকতে পারছেন না। তার সাবেক স্ত্রী ও দুই কন্যা নানা অমানবিক নির্যাতন চালিয়েছেন। অভিযোগ, তাঁকে মারপিট করে বাড়ি থেকে বের করা হয়েছে, যেখানে তাদের সাথে ছাত্রলীগের ক্যাডার জামাতা কাউসারও যুক্ত ছিলেন।

তিনি আরও জানান, আগেও তার বড় মেয়ে সুমইয়া ইসলাম রবি (১৯) নামের কন্যাকে ব্যবহার করে ২০২৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরে ধর্ষণ মামলা করা হয়েছিল। পরে পিবিআই তদন্তে তিনি সেই মামলা থেকে অব্যাহতি পান। সম্পত্তির জন্য পুনরায় ছোট মেয়ে সুমনা ইসলাম ঋতুকে ব্যবহার করে ফাতেমা বেগম আশুলিয়া থানায় নতুন মামলা দায়ের করেছেন, যা তিনি মিথ্যা দাবি করেন।

আব্দুর রহিম অভিযোগ করেন, ২০২৫ সালের ২০ সেপ্টেম্বর থানায় যাওয়ার সময় সাবেক ওসি আব্দুল হান্নান তাকে লাথি মেরে হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাহমুদুল হাসান তাকে গ্রেফতার করেন, মোবাইল ফোনে থাকা ডকুমেন্ট মুছে দেন এবং ১০ হাজার টাকা নিয়ে যান। পরবর্তীতে ফোন ফেরত দিলেও টাকা ও কাগজপত্র ফেরত পাননি।

আশুলিয়া থানার সাব-ইনস্পেক্টর ও তদন্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা তদন্তাধীন। তবে ধর্ষণ বা ধর্ষণ চেষ্টার প্রশ্নে তিনি বিস্তারিত তথ্য দিতে অস্বীকার করেছেন।

ফাতেমা বেগম সাংবাদিকদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ এড়িয়েছেন। স্থানীয়রা এই অনুপস্থিতি রহস্যজনক বলে মন্তব্য করেছেন।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, স্পর্শকাতর ধর্ষণ মামলা প্রাথমিক তদন্ত ছাড়া গ্রহণ করলে পুলিশি কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। তদন্ত কর্মকর্তার ঘটনাস্থল না দেখে বাদীর অভিযোগ অনুযায়ী প্রতিবেদন তৈরি করা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

আব্দুর রহিম বলেন, তিনি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি চান এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত অন্যায় ও নির্যাতনের প্রতিকার চান।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]