কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় মাদক কেনার টাকা না পেয়ে স্ত্রীকে নৃশংসভাবে নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যার অভিযোগে ঘাতক স্বামী মোঃ দুলালকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
র্যাব-৭ চট্টগ্রাম ও র্যাব-১১ নারায়ণগঞ্জের যৌথ অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়া থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব সূত্র জানায়, গত (৭ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে বুড়িচং থানাধীন পূর্ণমতি গ্রামের গৃহবধূ লিজা আক্তার (২৮) এর সঙ্গে তার স্বামী মো. দুলালের বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, মো. দুলাল পেশায় রাজমিস্ত্রি হলেও নিয়মিত মাদক সেবন করতেন এবং প্রায়ই স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ি থেকে জোরপূর্বক নেশার টাকা আদায় করতেন। টাকা দিতে না পারলে তিনি লিজা আক্তারের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন।
ঘটনার দিন মাদক কেনার টাকা না পেয়ে সন্তানদের সামনে লিজা আক্তারের ঘাড় ও তলপেটে মারধর করেন মো. দুলাল। একপর্যায়ে তিনি বাঁশ দিয়ে লিজা আক্তারের গোপনাঙ্গে গুরুতর আঘাত করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় লিজা আক্তারকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং বিষয়টি বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে গুরুত্বসহকারে প্রচারিত হয়।
এ ঘটনায় নিহতের মা খোকি আক্তার বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর-৭, তারিখ-৮ জানুয়ারি ২০২৬; ধারা-৩০২/৩৪, দণ্ডবিধি ১৮৬০।
র্যাব জানায়, ঘটনার পর থেকেই প্রধান অভিযুক্ত মো. দুলালকে গ্রেপ্তারে নজরদারি জোরদার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করে গত ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১০টা ১০ মিনিটে চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়া থানাধীন বউ বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব-৭ চট্টগ্রাম ও র্যাব-১১ নারায়ণগঞ্জের যৌথ অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়া থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব সূত্র জানায়, গত (৭ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে বুড়িচং থানাধীন পূর্ণমতি গ্রামের গৃহবধূ লিজা আক্তার (২৮) এর সঙ্গে তার স্বামী মো. দুলালের বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, মো. দুলাল পেশায় রাজমিস্ত্রি হলেও নিয়মিত মাদক সেবন করতেন এবং প্রায়ই স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ি থেকে জোরপূর্বক নেশার টাকা আদায় করতেন। টাকা দিতে না পারলে তিনি লিজা আক্তারের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন।
ঘটনার দিন মাদক কেনার টাকা না পেয়ে সন্তানদের সামনে লিজা আক্তারের ঘাড় ও তলপেটে মারধর করেন মো. দুলাল। একপর্যায়ে তিনি বাঁশ দিয়ে লিজা আক্তারের গোপনাঙ্গে গুরুতর আঘাত করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় লিজা আক্তারকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং বিষয়টি বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে গুরুত্বসহকারে প্রচারিত হয়।
এ ঘটনায় নিহতের মা খোকি আক্তার বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর-৭, তারিখ-৮ জানুয়ারি ২০২৬; ধারা-৩০২/৩৪, দণ্ডবিধি ১৮৬০।
র্যাব জানায়, ঘটনার পর থেকেই প্রধান অভিযুক্ত মো. দুলালকে গ্রেপ্তারে নজরদারি জোরদার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করে গত ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১০টা ১০ মিনিটে চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়া থানাধীন বউ বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।