নওগাঁর রাণীনগরে একটি হোটেলের রান্না ঘরের চুলা থেকে আগুন লেগে মুদি দোকানসহ দুইটি দোকানঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বুধবার দিনগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার সিম্বা বাজারে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনাটি ঘটে।
অগ্নিকান্ডে সিম্বা বাজারের আব্দুল বারিক টুকুর মুদি দোকানঘর ও মোজাফ্ফর আকন্দের চায়ের দোকানঘর এবং দোকানের ভেতরে থাকা সব মালামাল পুড়ে গেছে।
আব্দুল বারিক টুকুর ছেলে সৈকত জানান, প্রতিদিনের ন্যায় বুধবার রাতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যাই। রাত আনুমানিক ৩টার দিকে খবর পাই আমাদের টিনের তৈরি মুদি দোকানঘর ও পাশের মোজাফ্ফরের চায়ের দোকান ঘরে আগুন লেগেছে। সঙ্গে সঙ্গে আমরা ছুঁটে আসি। সেখানে এসে দেখতে পাই পাশের হোটেলের রান্না ঘরের চুলা থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়েছে। স্থানীয় লোকজনের সহয়তায় আমরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। এরপর ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন। ততক্ষণে আমাদের দোকানঘর, দোকানের ভেতরে থাকা সব মালামাল ও মোজাফ্ফরের চায়ের দোকানঘর এবং হোটেলের রান্নাঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে আমাদের ৬ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
রাণীনগর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডার মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার পর আমরা দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৪০ মিনিটের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনি। বিদ্যুতের সট সার্কিট অথবা হোটেলের রান্না ঘরের চুলা থেকে আগুনের সুত্রপাত হতে পারে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে ধারনা করছি।
অগ্নিকান্ডে সিম্বা বাজারের আব্দুল বারিক টুকুর মুদি দোকানঘর ও মোজাফ্ফর আকন্দের চায়ের দোকানঘর এবং দোকানের ভেতরে থাকা সব মালামাল পুড়ে গেছে।
আব্দুল বারিক টুকুর ছেলে সৈকত জানান, প্রতিদিনের ন্যায় বুধবার রাতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যাই। রাত আনুমানিক ৩টার দিকে খবর পাই আমাদের টিনের তৈরি মুদি দোকানঘর ও পাশের মোজাফ্ফরের চায়ের দোকান ঘরে আগুন লেগেছে। সঙ্গে সঙ্গে আমরা ছুঁটে আসি। সেখানে এসে দেখতে পাই পাশের হোটেলের রান্না ঘরের চুলা থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়েছে। স্থানীয় লোকজনের সহয়তায় আমরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। এরপর ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন। ততক্ষণে আমাদের দোকানঘর, দোকানের ভেতরে থাকা সব মালামাল ও মোজাফ্ফরের চায়ের দোকানঘর এবং হোটেলের রান্নাঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে আমাদের ৬ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
রাণীনগর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডার মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার পর আমরা দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৪০ মিনিটের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনি। বিদ্যুতের সট সার্কিট অথবা হোটেলের রান্না ঘরের চুলা থেকে আগুনের সুত্রপাত হতে পারে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে ধারনা করছি।