মিনিয়াপোলিসে রেনি গুডকে গুলি করে হত্যা করা ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) কর্মকর্তা অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণে ভুগছেন বলে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) নিশ্চিত করেছে।
ডিএইচএসের এক কর্মকর্তা জানান, আইসিই কর্মকর্তা জনাথন রসের অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের মাত্রা এখনো স্পষ্ট নয়। ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, গুড নিহত হওয়ার পর রস রাস্তায় হাঁটাহাঁটি করছিলেন।
হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম ৭ জানুয়ারির ওই গুলির ঘটনার পর জানান, রসকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। নোয়েম দাবি করেন, গুড তার এসইউভি দিয়ে কর্মকর্তাকে আঘাত করেছিলেন, যা তিনি পরে ‘ঘরোয়া সন্ত্রাসবাদ’ বলে অভিহিত করেন।
৭ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে নোয়েম বলেন, কর্মকর্তাকে গাড়িটি আঘাত করেছিল। তিনি হাসপাতালে গিয়েছিলেন। একজন চিকিৎসক তাকে চিকিৎসা দিয়েছেন। এখন তিনি ছাড়া পেয়েছেন।
গুডের মৃত্যুর পর দেশজুড়ে নিন্দা ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং মিনেসোটার সঙ্গে ফেডারেল সরকারের টানাপোড়েন আরও বেড়ে যায়। এর আগে রাজ্যটি কল্যাণ তহবিল জালিয়াতির তদন্ত নিয়ে ফেডারেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে উত্তেজনায় ছিল।
মিনিয়াপলিসের মেয়র জ্যাকব ফ্রে বলেন, গুড নিহত হওয়ার পর থেকে শহরে হাজার হাজার মানুষের বিক্ষোভ হলেও বেশিরভাগ প্রতিবাদ শান্তিপূর্ণ ছিল। সপ্তাহান্তেও বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল। কিছু ক্ষেত্রে বিক্ষোভকারীরা ফেডারেল কর্মকর্তাদের মুখোমুখি হন। ওই সময় কর্মকর্তারা হেলমেট পরে, লাঠি হাতে টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করেন।
ফ্রে ও অন্যান্য রাজ্য ও স্থানীয় কর্মকর্তা মিনেসোটায় আইসিই অভিযান বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। মিনেসোটার অ্যাটর্নি জেনারেল কিথ এলিসন সোমবার বলেন, রাজ্যে ফেডারেল অভিবাসন অভিযানের ঢল ঠেকাতে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে রাজ্য সরকার।
এলিসন বলেন, এটা থামতেই হবে। স্পষ্ট করে বলি, এটি শুরুই হওয়া উচিত ছিল না। এসব এজেন্টের এখানে থাকার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই।
ডিএইচএস মুখপাত্র ট্রিসিয়া ম্যাকলাফলিন বলেন, বামপন্থীরা যখন ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের ফেডারেল আইন কার্যকর করতে চায় না, তখন হঠাৎ করে দশম সংশোধনী আবিষ্কার করা সত্যিই বিস্ময়কর।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও গুডের মৃত্যুর পর থেকে রসকে সমর্থন করে আসছেন। তিনি সিবিএস নিউজের টনি ডোকুপিলকে বলেন, নিহত হওয়ার আগে গুডের আচরণ 'খুবই কঠোর' ছিল।
গুডের বাবাকে উদ্দেশ করে ট্রাম্প বলেন, আমি ধরে নিচ্ছি, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে তিনি একজন ভালো, দারুণ মানুষই ছিলেন, যিনি প্রেসিডেন্টের সমর্থক। কিন্তু তার কাজগুলো ছিল বেশ কঠোর।
ডিএইচএসের এক কর্মকর্তা জানান, আইসিই কর্মকর্তা জনাথন রসের অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের মাত্রা এখনো স্পষ্ট নয়। ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, গুড নিহত হওয়ার পর রস রাস্তায় হাঁটাহাঁটি করছিলেন।
হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম ৭ জানুয়ারির ওই গুলির ঘটনার পর জানান, রসকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। নোয়েম দাবি করেন, গুড তার এসইউভি দিয়ে কর্মকর্তাকে আঘাত করেছিলেন, যা তিনি পরে ‘ঘরোয়া সন্ত্রাসবাদ’ বলে অভিহিত করেন।
৭ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে নোয়েম বলেন, কর্মকর্তাকে গাড়িটি আঘাত করেছিল। তিনি হাসপাতালে গিয়েছিলেন। একজন চিকিৎসক তাকে চিকিৎসা দিয়েছেন। এখন তিনি ছাড়া পেয়েছেন।
গুডের মৃত্যুর পর দেশজুড়ে নিন্দা ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং মিনেসোটার সঙ্গে ফেডারেল সরকারের টানাপোড়েন আরও বেড়ে যায়। এর আগে রাজ্যটি কল্যাণ তহবিল জালিয়াতির তদন্ত নিয়ে ফেডারেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে উত্তেজনায় ছিল।
মিনিয়াপলিসের মেয়র জ্যাকব ফ্রে বলেন, গুড নিহত হওয়ার পর থেকে শহরে হাজার হাজার মানুষের বিক্ষোভ হলেও বেশিরভাগ প্রতিবাদ শান্তিপূর্ণ ছিল। সপ্তাহান্তেও বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল। কিছু ক্ষেত্রে বিক্ষোভকারীরা ফেডারেল কর্মকর্তাদের মুখোমুখি হন। ওই সময় কর্মকর্তারা হেলমেট পরে, লাঠি হাতে টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করেন।
ফ্রে ও অন্যান্য রাজ্য ও স্থানীয় কর্মকর্তা মিনেসোটায় আইসিই অভিযান বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। মিনেসোটার অ্যাটর্নি জেনারেল কিথ এলিসন সোমবার বলেন, রাজ্যে ফেডারেল অভিবাসন অভিযানের ঢল ঠেকাতে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে রাজ্য সরকার।
এলিসন বলেন, এটা থামতেই হবে। স্পষ্ট করে বলি, এটি শুরুই হওয়া উচিত ছিল না। এসব এজেন্টের এখানে থাকার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই।
ডিএইচএস মুখপাত্র ট্রিসিয়া ম্যাকলাফলিন বলেন, বামপন্থীরা যখন ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের ফেডারেল আইন কার্যকর করতে চায় না, তখন হঠাৎ করে দশম সংশোধনী আবিষ্কার করা সত্যিই বিস্ময়কর।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও গুডের মৃত্যুর পর থেকে রসকে সমর্থন করে আসছেন। তিনি সিবিএস নিউজের টনি ডোকুপিলকে বলেন, নিহত হওয়ার আগে গুডের আচরণ 'খুবই কঠোর' ছিল।
গুডের বাবাকে উদ্দেশ করে ট্রাম্প বলেন, আমি ধরে নিচ্ছি, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে তিনি একজন ভালো, দারুণ মানুষই ছিলেন, যিনি প্রেসিডেন্টের সমর্থক। কিন্তু তার কাজগুলো ছিল বেশ কঠোর।