রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলায় আল-মদিনা হিমাগার (কোল্ড স্টোরেজ) কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আলু সংরক্ষণে অবহেলা এবং কৃষকের অনুমতি ছাড়া আলু বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মামুনুর রশিদ তানোর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে মামুনুর রশিদ উল্লেখ করেন, ২০২৫ সালের ৩ জুলাই থেকে ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে আল-মদিনা কোল্ড স্টোরেজে (বুকিং নম্বর-৬০৭) তিনি কয়েক দফায় মোট ৪ হাজার ১৪৫ বস্তা আলু সংরক্ষণ করেন। এর মধ্যে দিনাজপুরের এক হাজার বস্তা আলু বীজ হিসেবে রাখা হয়। তবে স্টোরেজ কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলা ও যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে ওই এক হাজার বস্তা বীজ আলু সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। এতে তার আনুমানিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২৫ লাখ টাকা বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি জানানো হলে স্টোরেজ ম্যানেজার মাহাবুর রহমান ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পরিবর্তে নানা অজুহাত ও তালবাহানা শুরু করেন। এরই মধ্যে গত ১২ ডিসেম্বর অবশিষ্ট আলু দেখতে গিয়ে বস্তার সংখ্যায় ঘাটতি দেখতে পান তিনি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ম্যানেজার আলু সঠিকভাবে সংরক্ষিত আছে বলে আশ্বস্ত করেন।
অভিযোগকারীর দাবি, ২৫ ডিসেম্বর বিকেলে পুনরায় স্টোরেজে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, তার এক হাজার ৩০০ বস্তা আলু কোনো অনুমতি ছাড়াই বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। ওই আলুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে ম্যানেজার জানান, স্টোরেজ মালিকের নির্দেশে আলু বিক্রি করা হয়েছে এবং ক্ষতিপূরণের টাকা ফেরত দেওয়া হবে। তবে পরে টাকা চাইলে তা দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়।
সব মিলিয়ে আলু নষ্ট ও অনুমতি ছাড়া বিক্রির কারণে তার মোট ক্ষতির পরিমাণ ৪১ লাখ ৯০ হাজার টাকা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। টাকা ফেরত না পেলে তিনি চরম আর্থিক সংকটে পড়বেন বলেও জানান মামুনুর রশিদ।
অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে আল-মদিনা কোল্ড স্টোরেজের ম্যানেজার মাহাবুর রহমান বলেন, বারবার তাগাদা দেওয়ার পরও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কৃষক আলু উত্তোলন না করায় নিয়ম অনুযায়ী স্টোর ফাঁকা করতে আলু বিক্রি করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ওই কৃষকের কাছেই স্টোর কর্তৃপক্ষ টাকা পাবে। সেই টাকা পরিশোধ না করে আত্মসাতের উদ্দেশ্যে স্টোরেজের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
এ বিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুজ্জামান বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অভিযোগে মামুনুর রশিদ উল্লেখ করেন, ২০২৫ সালের ৩ জুলাই থেকে ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে আল-মদিনা কোল্ড স্টোরেজে (বুকিং নম্বর-৬০৭) তিনি কয়েক দফায় মোট ৪ হাজার ১৪৫ বস্তা আলু সংরক্ষণ করেন। এর মধ্যে দিনাজপুরের এক হাজার বস্তা আলু বীজ হিসেবে রাখা হয়। তবে স্টোরেজ কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলা ও যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে ওই এক হাজার বস্তা বীজ আলু সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। এতে তার আনুমানিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২৫ লাখ টাকা বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি জানানো হলে স্টোরেজ ম্যানেজার মাহাবুর রহমান ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পরিবর্তে নানা অজুহাত ও তালবাহানা শুরু করেন। এরই মধ্যে গত ১২ ডিসেম্বর অবশিষ্ট আলু দেখতে গিয়ে বস্তার সংখ্যায় ঘাটতি দেখতে পান তিনি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ম্যানেজার আলু সঠিকভাবে সংরক্ষিত আছে বলে আশ্বস্ত করেন।
অভিযোগকারীর দাবি, ২৫ ডিসেম্বর বিকেলে পুনরায় স্টোরেজে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, তার এক হাজার ৩০০ বস্তা আলু কোনো অনুমতি ছাড়াই বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। ওই আলুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে ম্যানেজার জানান, স্টোরেজ মালিকের নির্দেশে আলু বিক্রি করা হয়েছে এবং ক্ষতিপূরণের টাকা ফেরত দেওয়া হবে। তবে পরে টাকা চাইলে তা দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়।
সব মিলিয়ে আলু নষ্ট ও অনুমতি ছাড়া বিক্রির কারণে তার মোট ক্ষতির পরিমাণ ৪১ লাখ ৯০ হাজার টাকা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। টাকা ফেরত না পেলে তিনি চরম আর্থিক সংকটে পড়বেন বলেও জানান মামুনুর রশিদ।
অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে আল-মদিনা কোল্ড স্টোরেজের ম্যানেজার মাহাবুর রহমান বলেন, বারবার তাগাদা দেওয়ার পরও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কৃষক আলু উত্তোলন না করায় নিয়ম অনুযায়ী স্টোর ফাঁকা করতে আলু বিক্রি করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ওই কৃষকের কাছেই স্টোর কর্তৃপক্ষ টাকা পাবে। সেই টাকা পরিশোধ না করে আত্মসাতের উদ্দেশ্যে স্টোরেজের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
এ বিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুজ্জামান বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।