বলিউডে পিআর সংস্কৃতি নিয়ে ফের সরব হলেন অভিনেত্রী তাপসী পান্নু। প্রকাশ্যে তিনি এমন এক বাস্তবতার কথা তুলে ধরলেন, যা নিয়ে ইন্ডাস্ট্রির অন্দরমহলে অনেকেই ফিসফাস করলেও খুব কম মানুষই মুখ খুলতে চান। তাপসীর স্পষ্ট অভিযোগ, আজকের দিনে সিনেমা জগতে প্রতিভার চেয়েও অনেক বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে জনসংযোগ বা পিআর ইমেজ। কে কেমন অভিনয় করছেন, তার থেকেও বড় হয়ে উঠছে কে কতটা আলোচনায় আছেন, কে সোশ্যাল মিডিয়ায় কতটা ভাইরাল হচ্ছেন কিংবা কে কতটা কৌশলে নিজেকে প্রচার করতে পারছেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাপসী বলেন, “মানুষ এখন অন্য কাউকে নিচে নামানোর জন্যও টাকা খরচ করছে।” তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে বলিউডের বর্তমান কাজের সংস্কৃতি নিয়ে। অভিনেত্রীর কথায়, কবে থেকে একজনের সাফল্য আরেকজনের ব্যর্থতার ওপর নির্ভর করতে শুরু করল, সেই উত্তরই খুঁজে পাচ্ছেন না তিনি।
জনসংযোগের বদলে যাওয়া চরিত্র নিয়ে খোলাখুলি কথা বলতে গিয়ে তাপসী জানান, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পিআরের সংজ্ঞাই বদলে গেছে। তিনি বলেন, নিজের কাজ নিয়ে এতদিন এতটাই ব্যস্ত ছিলেন যে এই দিকটায় খুব একটা নজর দেওয়া হয়নি। তবে গত দেড়-দুই বছরে ইচ্ছাকৃতভাবে কাজের গতি কিছুটা কমানোর পরেই বিষয়টা তাঁর চোখে পড়ে। তখনই বুঝতে পারেন, পিআর গেম এখন একেবারে অন্য স্তরে পৌঁছে গিয়েছে। আগে পিআরের উদ্দেশ্য ছিল নিজেকে এগিয়ে তুলে ধরা, কিন্তু এখন তা শুধু সেখানেই সীমাবদ্ধ নেই। এখন অর্থ খরচ করা হচ্ছে অন্য কাউকে ছোট করতে, নিচে নামাতে।
তাপসী পান্নুর অভিনয়জীবন শুরু থেকেই শক্তিশালী চরিত্রে ভরপুর। ‘পিঙ্ক’ ছবির মাধ্যমে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান। তার পর ‘মুল্ক’, ‘বাদলা’, ‘মনমরজিয়ান’-এর মতো ছবিতে তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হয়। ২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মিশন মঙ্গল’ বক্স অফিসে বড় সাফল্য পায় এবং একই বছরে ‘সান্ড কি আঁখ’ ছবিতেও দর্শকদের মন জয় করেন তিনি। ২০২০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘থাপ্পড়’ তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম সেরা কাজ হিসেবে বিশেষ সাড়া ফেলে। পরবর্তী সময়ে ‘রশ্মি রকেট’, ‘শাবাশ মিঠু’ ও ‘ডানকি’-তেও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করে নিজের অভিনয় দক্ষতার প্রমাণ রেখেছেন তাপসী।
বর্তমানে অভিনেত্রী তাঁর আগামী ছবি ‘গান্ধারী’ -র কাজ শেষ করেছেন বলে জানা যাচ্ছে। অ্যাকশন-থ্রিলার ঘরানার এই ছবিতে তাঁকে একেবারে নতুন রূপে দেখা যাবে। চলতি বছরই ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাপসী বলেন, “মানুষ এখন অন্য কাউকে নিচে নামানোর জন্যও টাকা খরচ করছে।” তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে বলিউডের বর্তমান কাজের সংস্কৃতি নিয়ে। অভিনেত্রীর কথায়, কবে থেকে একজনের সাফল্য আরেকজনের ব্যর্থতার ওপর নির্ভর করতে শুরু করল, সেই উত্তরই খুঁজে পাচ্ছেন না তিনি।
জনসংযোগের বদলে যাওয়া চরিত্র নিয়ে খোলাখুলি কথা বলতে গিয়ে তাপসী জানান, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পিআরের সংজ্ঞাই বদলে গেছে। তিনি বলেন, নিজের কাজ নিয়ে এতদিন এতটাই ব্যস্ত ছিলেন যে এই দিকটায় খুব একটা নজর দেওয়া হয়নি। তবে গত দেড়-দুই বছরে ইচ্ছাকৃতভাবে কাজের গতি কিছুটা কমানোর পরেই বিষয়টা তাঁর চোখে পড়ে। তখনই বুঝতে পারেন, পিআর গেম এখন একেবারে অন্য স্তরে পৌঁছে গিয়েছে। আগে পিআরের উদ্দেশ্য ছিল নিজেকে এগিয়ে তুলে ধরা, কিন্তু এখন তা শুধু সেখানেই সীমাবদ্ধ নেই। এখন অর্থ খরচ করা হচ্ছে অন্য কাউকে ছোট করতে, নিচে নামাতে।
তাপসী পান্নুর অভিনয়জীবন শুরু থেকেই শক্তিশালী চরিত্রে ভরপুর। ‘পিঙ্ক’ ছবির মাধ্যমে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান। তার পর ‘মুল্ক’, ‘বাদলা’, ‘মনমরজিয়ান’-এর মতো ছবিতে তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হয়। ২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মিশন মঙ্গল’ বক্স অফিসে বড় সাফল্য পায় এবং একই বছরে ‘সান্ড কি আঁখ’ ছবিতেও দর্শকদের মন জয় করেন তিনি। ২০২০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘থাপ্পড়’ তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম সেরা কাজ হিসেবে বিশেষ সাড়া ফেলে। পরবর্তী সময়ে ‘রশ্মি রকেট’, ‘শাবাশ মিঠু’ ও ‘ডানকি’-তেও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করে নিজের অভিনয় দক্ষতার প্রমাণ রেখেছেন তাপসী।
বর্তমানে অভিনেত্রী তাঁর আগামী ছবি ‘গান্ধারী’ -র কাজ শেষ করেছেন বলে জানা যাচ্ছে। অ্যাকশন-থ্রিলার ঘরানার এই ছবিতে তাঁকে একেবারে নতুন রূপে দেখা যাবে। চলতি বছরই ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।