রাজশাহী–৫ কেন্দ্র (পুঠিয়া ও দূর্গাপুর) থেকে সতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন বিএনপি নেতা ও গ্র্যান্ড রিভারভিউ এর স্বত্বাধিকারী জননেতা ইসফা খাইরুল হক শিমুল।
কিন্তু মনোনয়নপত্রে কাগজপত্রগত কিছু অসঙ্গতির কারণে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আফিয়া আক্তার তা বাতিল করে দেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে শিমুল হাইকোর্টে আপিল করলে মঙ্গলবার হাইকোর্ট তাঁর মনোনয়নপত্রকে বৈধ ঘোষণা করেন, এমনটাই নিজেই জানিয়েছেন ইসফা খাইরুল হক শিমুল।
শিমুল বলেন, তিনি শুরু থেকেই মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন এবং খোদ সৃষ্টিকর্তার রহমতে হাইকোর্ট সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।
মনোনয়ন বৈধ হওয়ায় পুঠিয়া–দূর্গাপুরবাসীর মধ্যে স্বস্তির বায়ু ফিরে এসেছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, গত সতের বছর ধরে অবৈধ সরকারকে দেশের মাটির বাইরে পাঠানোর আন্দোলনে তিনি নিরলসভাবে যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি বলেছেন, এলাকাবাসীর সঙ্গে তার সম্পর্ক সবসময় মজবুত ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
শিমুল বলেন, তিনি নির্বাচিত হলে, সর্বদা জনগণের পাশে থাকবেন, রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করবেন, বেকারত্ব কমাতে উদ্যোগ নেবেন, নারী ক্ষমতায়ন ও সমাজ উন্নয়নে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন এবং মাদক, চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেবেন।
তিনি বলেন, পুঠিয়া–দূর্গাপুরে জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে সার্বক্ষণিক কাজ করে যাবেন।
এলাকাবাসী জানান, এই আসনে পূর্বে যিনি বিএনপির প্রার্থী ছিলেন, তিনি জনবিচ্ছিন্ন বলে গণ্য হতেন। এজন্য ভোট প্রদানে মানুষ অসন্তুষ্ট ও দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন। তাই ইসফা খাইরুল হক শিমুলের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণায় তারা আনন্দিত এবং বলেন, এবার তাঁকেই ভোট দিয়ে বিজয়ী করব।
রাজশাহী-৫ আসনটি পুঠিয়া ও দূর্গাপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত একটি সংসদীয় এলাকা, যেখানে কৃষি, শিক্ষা ও নানাবিধ সামাজিক ইস্যু ভোটারের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
কিন্তু মনোনয়নপত্রে কাগজপত্রগত কিছু অসঙ্গতির কারণে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আফিয়া আক্তার তা বাতিল করে দেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে শিমুল হাইকোর্টে আপিল করলে মঙ্গলবার হাইকোর্ট তাঁর মনোনয়নপত্রকে বৈধ ঘোষণা করেন, এমনটাই নিজেই জানিয়েছেন ইসফা খাইরুল হক শিমুল।
শিমুল বলেন, তিনি শুরু থেকেই মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন এবং খোদ সৃষ্টিকর্তার রহমতে হাইকোর্ট সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।
মনোনয়ন বৈধ হওয়ায় পুঠিয়া–দূর্গাপুরবাসীর মধ্যে স্বস্তির বায়ু ফিরে এসেছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, গত সতের বছর ধরে অবৈধ সরকারকে দেশের মাটির বাইরে পাঠানোর আন্দোলনে তিনি নিরলসভাবে যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি বলেছেন, এলাকাবাসীর সঙ্গে তার সম্পর্ক সবসময় মজবুত ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
শিমুল বলেন, তিনি নির্বাচিত হলে, সর্বদা জনগণের পাশে থাকবেন, রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করবেন, বেকারত্ব কমাতে উদ্যোগ নেবেন, নারী ক্ষমতায়ন ও সমাজ উন্নয়নে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন এবং মাদক, চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেবেন।
তিনি বলেন, পুঠিয়া–দূর্গাপুরে জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে সার্বক্ষণিক কাজ করে যাবেন।
এলাকাবাসী জানান, এই আসনে পূর্বে যিনি বিএনপির প্রার্থী ছিলেন, তিনি জনবিচ্ছিন্ন বলে গণ্য হতেন। এজন্য ভোট প্রদানে মানুষ অসন্তুষ্ট ও দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন। তাই ইসফা খাইরুল হক শিমুলের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণায় তারা আনন্দিত এবং বলেন, এবার তাঁকেই ভোট দিয়ে বিজয়ী করব।
রাজশাহী-৫ আসনটি পুঠিয়া ও দূর্গাপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত একটি সংসদীয় এলাকা, যেখানে কৃষি, শিক্ষা ও নানাবিধ সামাজিক ইস্যু ভোটারের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।