নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় এক ইন্স্যুরেন্স কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।
নিহত বিপ্লব চন্দ্র শীল (৩৮) উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামের অর্জুন চন্দ্র শীলের ছেলে। তিনি ফেনীর মেটলাইফ এজেন্সির বসুরহাট বাজারের ইউনিট ম্যানেজার ছিলেন।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে কবিরহাট টু বসুরহাট সড়কের গলাকাটা পোল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতের সাবেক সহকর্মি আব্দুল মোবারক হৃদয় জানান, বিপ্লব পরিবার নিয়ে পার্শ্ববর্তী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। সোমবার দুপুরের দিকে তিনি পারিবারিক কাজে কবিরহাট যান।
পরবর্তীতে সন্ধ্যার দিকে মোটরসাইকেল যোগে ভগ্নিপতি পলাশ চন্দ্র শীলকে নিয়ে কোম্পানীগঞ্জের বাসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। যাত্রা পথে মোটরসাইকেল কবিরহাট টু বসুরহাট সড়কের গলাকাটা পোল এলাকায় পৌঁছলে কবিরহাট গামী একটি বেপরোয়া গতির কাভার্ড ভ্যান মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি মারাত্মকভাবে মাথায় আঘাত পান।
ঘটনার পরপরই কাভার্ড ভ্যান পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত পৌনে ৯টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। এ সময় নিহতের ভগ্নিপতি পলাশও গুরুত্বর আহত হন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে।
কবিরহাট থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার বিষয়টি জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর থেকে জানানো হয়। এর বেশি কিছু আমাদের জানা নেই।
নিহত বিপ্লব চন্দ্র শীল (৩৮) উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামের অর্জুন চন্দ্র শীলের ছেলে। তিনি ফেনীর মেটলাইফ এজেন্সির বসুরহাট বাজারের ইউনিট ম্যানেজার ছিলেন।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে কবিরহাট টু বসুরহাট সড়কের গলাকাটা পোল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতের সাবেক সহকর্মি আব্দুল মোবারক হৃদয় জানান, বিপ্লব পরিবার নিয়ে পার্শ্ববর্তী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। সোমবার দুপুরের দিকে তিনি পারিবারিক কাজে কবিরহাট যান।
পরবর্তীতে সন্ধ্যার দিকে মোটরসাইকেল যোগে ভগ্নিপতি পলাশ চন্দ্র শীলকে নিয়ে কোম্পানীগঞ্জের বাসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। যাত্রা পথে মোটরসাইকেল কবিরহাট টু বসুরহাট সড়কের গলাকাটা পোল এলাকায় পৌঁছলে কবিরহাট গামী একটি বেপরোয়া গতির কাভার্ড ভ্যান মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি মারাত্মকভাবে মাথায় আঘাত পান।
ঘটনার পরপরই কাভার্ড ভ্যান পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত পৌনে ৯টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। এ সময় নিহতের ভগ্নিপতি পলাশও গুরুত্বর আহত হন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে।
কবিরহাট থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার বিষয়টি জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর থেকে জানানো হয়। এর বেশি কিছু আমাদের জানা নেই।