গণভোটের প্রচার ও ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে রাজশাহী বিভাগীয় প্রশাসনের উদ্যোগে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ডা. কাইছার রহমান চৌধুরী অডিটোরিয়ামে একটি বিভাগীয় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, গণভোট মূলত হ্যাঁ বা না-এর ভোট। বাংলাদেশে অতীতেও একাধিকবার গণভোট হয়েছে, তবে এবারের গণভোট ব্যতিক্রম ও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, এই গণভোট ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গঠনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। এর মাধ্যমে জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে, তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অনুমতি দেবে কি না।
সভায় উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও অংশীজনদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণকে গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে সবাইকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। তাঁর ভাষায়, মানুষ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত বলেই জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান সম্ভব হয়েছে। অতীতে বহু নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা পরিবর্তনের প্রত্যাশা করেছি, কিন্তু এবার সেই সুযোগ এসেছে অনেক ত্যাগ ও নিপীড়নের মধ্য দিয়ে।
তিনি আরও বলেন, ভিন্নমত নিয়েই বাংলাদেশ একটি বহুমাত্রিক রাষ্ট্র। মতের পার্থক্য থাকবেই, তবে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, আমরা কেমন ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ চাই। জনগণকে বোঝাতে হবে, দেশের চাবিকাঠি তাদের হাতেই। গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রই সেই অভীষ্ট মোহনা, যেখানে সব মত ও পথ এসে মিলিত হয়।
মতবিনিময় সভায় অধ্যাপক আলী রীয়াজ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা, সংসদের উচ্চকক্ষ, গণপ্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি, তিনটি পিএসসি গঠন, প্রধানমন্ত্রীর দুই মেয়াদসহ বিভিন্ন বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের প্রশ্নের উত্তর দেন।
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য মনির হায়দার।
এছাড়াও সভায় বক্তব্য রাখেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুর রাজ্জাক এবং রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. জিল্লুর রহমান।
সভায় রাজশাহী বিভাগের সব জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সুধীজন এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, মতবিনিময় সভার পাশাপাশি গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, গণভোট মূলত হ্যাঁ বা না-এর ভোট। বাংলাদেশে অতীতেও একাধিকবার গণভোট হয়েছে, তবে এবারের গণভোট ব্যতিক্রম ও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, এই গণভোট ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গঠনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। এর মাধ্যমে জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে, তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অনুমতি দেবে কি না।
সভায় উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও অংশীজনদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণকে গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে সবাইকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। তাঁর ভাষায়, মানুষ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত বলেই জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান সম্ভব হয়েছে। অতীতে বহু নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা পরিবর্তনের প্রত্যাশা করেছি, কিন্তু এবার সেই সুযোগ এসেছে অনেক ত্যাগ ও নিপীড়নের মধ্য দিয়ে।
তিনি আরও বলেন, ভিন্নমত নিয়েই বাংলাদেশ একটি বহুমাত্রিক রাষ্ট্র। মতের পার্থক্য থাকবেই, তবে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, আমরা কেমন ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ চাই। জনগণকে বোঝাতে হবে, দেশের চাবিকাঠি তাদের হাতেই। গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রই সেই অভীষ্ট মোহনা, যেখানে সব মত ও পথ এসে মিলিত হয়।
মতবিনিময় সভায় অধ্যাপক আলী রীয়াজ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা, সংসদের উচ্চকক্ষ, গণপ্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি, তিনটি পিএসসি গঠন, প্রধানমন্ত্রীর দুই মেয়াদসহ বিভিন্ন বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের প্রশ্নের উত্তর দেন।
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য মনির হায়দার।
এছাড়াও সভায় বক্তব্য রাখেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুর রাজ্জাক এবং রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. জিল্লুর রহমান।
সভায় রাজশাহী বিভাগের সব জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সুধীজন এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, মতবিনিময় সভার পাশাপাশি গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।