চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী থানা এলাকা থেকে র্যাব-৭ চট্টগ্রাম বহুল আলোচিত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি শ্রী গনেশ প্রকাশ শ্রী গনেজকে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোতোয়ালী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৭ জানিয়েছে, গোয়েন্দা নজরদারি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসামি চট্টগ্রাম নগরীতে অবস্থান করছে এমন তথ্য পাওয়ার পর আজ বিকেল ৬টার দিকে লালদীঘী কোর্ট রোড, জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। শ্রী গনেশ প্রকাশ শ্রী গনেজের বয়স ১৯ বছর এবং সে শেরীপ প্রকাশ শরিফ দাশের ছেলে।
উল্লেখ্য, গত ২৫ নভেম্বর ২০২৪ সালে সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় দাসকে রাষ্ট্রদোহের অভিযোগে ঢাকা বিমানবন্দর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরের দিন চট্টগ্রাম আদালতে হাজির করা হলে তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। এ সময় চিন্ময় দাসের অনুসারীরা আদালতের চত্বরে বিক্ষোভ শুরু করলে ঘটেছে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা ও ভাঙচুর। বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আদালতের বিপরীতে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে হত্যা করে, যা জাতীয় স্তরে সমালোচনা ও প্রতিবাদের ঝড় তোলে।
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি ২৭ ও ২৮ নভেম্বর কর্মবিরতি পালন করে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আইনজীবী আলিফের বাবা চট্টগ্রাম কোতোয়ালী থানায় ৩১ জনকে এজাহারনামীয় এবং আরও ১০–১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ৪৬(১১)২৪, জি আর নং ৫০৯/২০২৪, ধারাসমূহ – ১৪৭/১৪৮/১৪৯/৩০২/৩৪/১১৪ পেনাল কোড ১৮৬০।
র্যাব-৭ এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনার জন্য গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়া তদন্ত চালিয়ে আসছিল।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোতোয়ালী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৭ জানিয়েছে, গোয়েন্দা নজরদারি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসামি চট্টগ্রাম নগরীতে অবস্থান করছে এমন তথ্য পাওয়ার পর আজ বিকেল ৬টার দিকে লালদীঘী কোর্ট রোড, জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। শ্রী গনেশ প্রকাশ শ্রী গনেজের বয়স ১৯ বছর এবং সে শেরীপ প্রকাশ শরিফ দাশের ছেলে।
উল্লেখ্য, গত ২৫ নভেম্বর ২০২৪ সালে সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় দাসকে রাষ্ট্রদোহের অভিযোগে ঢাকা বিমানবন্দর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরের দিন চট্টগ্রাম আদালতে হাজির করা হলে তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। এ সময় চিন্ময় দাসের অনুসারীরা আদালতের চত্বরে বিক্ষোভ শুরু করলে ঘটেছে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা ও ভাঙচুর। বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আদালতের বিপরীতে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে হত্যা করে, যা জাতীয় স্তরে সমালোচনা ও প্রতিবাদের ঝড় তোলে।
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি ২৭ ও ২৮ নভেম্বর কর্মবিরতি পালন করে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আইনজীবী আলিফের বাবা চট্টগ্রাম কোতোয়ালী থানায় ৩১ জনকে এজাহারনামীয় এবং আরও ১০–১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ৪৬(১১)২৪, জি আর নং ৫০৯/২০২৪, ধারাসমূহ – ১৪৭/১৪৮/১৪৯/৩০২/৩৪/১১৪ পেনাল কোড ১৮৬০।
র্যাব-৭ এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনার জন্য গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়া তদন্ত চালিয়ে আসছিল।