রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় অবৈধভাবে পুকুর খননের অপরাধে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে এক্সেভেটর (ভেকু) চালকসহ ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় ভেকু চালক দুই জনকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং ব্যবহৃত ভেকুটি নিষ্ক্রিয় করা হয়।
জানা গেছে, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট লায়লা নূর তানজুর নেতৃত্বে রোববার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় দুর্গাপুর উপজেলার ২নম্বর কিসমত গণকৈর ইউনিয়নের (ইউপি) উজানখলসী পূর্বপাড়া এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়। প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অনুমোদন ব্যতীত পুকুর খননের সময় ৬ জনকে আটক করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালতে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ১৫(১) ধারায় ভেকু চালক সাইফুল ইসলাম ও আরিফুল ইসলামকে প্রত্যেককে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে মোট এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে অবৈধ খননে ব্যবহৃত ভেকুটি তাৎক্ষণিকভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়। আটককৃত অপর ৪ জনের বয়স ১৮ বছরের নিচে হওয়ায় প্রাথমিকভাবে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে জড়িত না হওয়ার শর্তে মুচলেকা গ্রহণ করা হয়।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) লায়লা নূর তানজু বলেন, ভূমি ও পরিবেশ রক্ষায় সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অনুমোদনহীন পুকুর খনন ও অবৈধ মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
এদিকে একাধিকবার অভিযান চলিয়ে অবৈধ পুকুর খনন ও ফসলি জমির উপরিভাগের উর্বরা মাটি (টপসয়েল) কাটা প্রতিরোধ এবং ফসলি জমি রক্ষা করায়,সাধারণ মানুষ অভিযানের ভুয়সী প্রশংসা করে অভিযান চলমান রাখার অনুরোধ করেছেন।
জানা গেছে, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট লায়লা নূর তানজুর নেতৃত্বে রোববার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় দুর্গাপুর উপজেলার ২নম্বর কিসমত গণকৈর ইউনিয়নের (ইউপি) উজানখলসী পূর্বপাড়া এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়। প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অনুমোদন ব্যতীত পুকুর খননের সময় ৬ জনকে আটক করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালতে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ১৫(১) ধারায় ভেকু চালক সাইফুল ইসলাম ও আরিফুল ইসলামকে প্রত্যেককে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে মোট এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে অবৈধ খননে ব্যবহৃত ভেকুটি তাৎক্ষণিকভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়। আটককৃত অপর ৪ জনের বয়স ১৮ বছরের নিচে হওয়ায় প্রাথমিকভাবে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে জড়িত না হওয়ার শর্তে মুচলেকা গ্রহণ করা হয়।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) লায়লা নূর তানজু বলেন, ভূমি ও পরিবেশ রক্ষায় সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অনুমোদনহীন পুকুর খনন ও অবৈধ মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
এদিকে একাধিকবার অভিযান চলিয়ে অবৈধ পুকুর খনন ও ফসলি জমির উপরিভাগের উর্বরা মাটি (টপসয়েল) কাটা প্রতিরোধ এবং ফসলি জমি রক্ষা করায়,সাধারণ মানুষ অভিযানের ভুয়সী প্রশংসা করে অভিযান চলমান রাখার অনুরোধ করেছেন।