‘বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যেন হাসপাতাল কর্তা আসাদুজ্জামান ও হাসপাতাল ঠিকাদার মুকুল হোসেনের গোয়াল ঘর’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ আসাদুজ্জামান।
এক প্রতিবাদ লিপিতে তিনি জানান, উক্ত সংবাদ টি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমাকে জড়িয়ে উক্ত সংবাদে যা প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমি এই সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে, সাংবাদিক হাসপাতালে প্রবেশের পর আমি সটকে পড়ি, সাংবাদিক কে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী ভর্তির সংখ্যা জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছি। এটা চরম মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত । প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, আমি সাংবাদিক কে আমার বক্তব্য দিয়েছি । যে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে সেটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও ভুয়া। উক্ত সংবাদে আমার জ্ঞাতসারে হাসপাতালে কর্মরত একজন স্টাফের থেকে ঠিকাদারের ৪৫ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। এ ধরণের কোন লেনদেনের বিষয়েও আমার কিছু জানা নেই এবং আমার কোন স্টাপ কাউকে কোন চাঁদা দিয়েছেন বলে আমাকে জানান নাই।
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, প্রতিবেদনকারী সাংবাদিক কোন বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচারমূলক সংবাদ প্রকাশ করেছেন।
বাস্তবতা হচ্ছে, আমি এই হাসপাতালে গত ১৮/৫ /২২ ইং তারিখে যোগদানের পর থেকে হাসপাতালের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়েছে।
আমি আমার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় হাসপাতালে এনসিডি কর্ণার চালু করেছি,অপারেশন থিয়েটার চালু করেছি,আইভিশন সেন্টার চালু করেছি,অকার্যকর এক্স-রে মেশিন নতুন রূপে চালুতে আগের চেয়ে ব্যাপকভাবে উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। জুলাই আগস্টে আহত রোগীদের চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ওষুধ স্বল্পতার পরেও আমার এখানে বরাদ্দকৃত ঔষধ সুষ্ঠু বন্টনের মাধ্যমে রোগীদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি।
আমি উক্ত সংবাদ মাধ্যমে জড়িত দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের প্রতি আহ্বান জানাই, সংবাদটি প্রকাশের আগে বিষয়টি আরও গভীরভাবে অনুসন্ধান করা উচিত ছিলো বলে আমি মনে করছি এবং সাংবাদিক কে ভবিষ্যতে সংবাদ সংগ্রহে পেশাদারিত্বের পরিচয় দেয়ার অনুরোধ রইলো।
ডাঃ আশাদুজ্জামান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা
বাঘা, রাজশাহী।
এক প্রতিবাদ লিপিতে তিনি জানান, উক্ত সংবাদ টি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমাকে জড়িয়ে উক্ত সংবাদে যা প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমি এই সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে, সাংবাদিক হাসপাতালে প্রবেশের পর আমি সটকে পড়ি, সাংবাদিক কে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী ভর্তির সংখ্যা জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছি। এটা চরম মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত । প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, আমি সাংবাদিক কে আমার বক্তব্য দিয়েছি । যে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে সেটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও ভুয়া। উক্ত সংবাদে আমার জ্ঞাতসারে হাসপাতালে কর্মরত একজন স্টাফের থেকে ঠিকাদারের ৪৫ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। এ ধরণের কোন লেনদেনের বিষয়েও আমার কিছু জানা নেই এবং আমার কোন স্টাপ কাউকে কোন চাঁদা দিয়েছেন বলে আমাকে জানান নাই।
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, প্রতিবেদনকারী সাংবাদিক কোন বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচারমূলক সংবাদ প্রকাশ করেছেন।
বাস্তবতা হচ্ছে, আমি এই হাসপাতালে গত ১৮/৫ /২২ ইং তারিখে যোগদানের পর থেকে হাসপাতালের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়েছে।
আমি আমার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় হাসপাতালে এনসিডি কর্ণার চালু করেছি,অপারেশন থিয়েটার চালু করেছি,আইভিশন সেন্টার চালু করেছি,অকার্যকর এক্স-রে মেশিন নতুন রূপে চালুতে আগের চেয়ে ব্যাপকভাবে উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। জুলাই আগস্টে আহত রোগীদের চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ওষুধ স্বল্পতার পরেও আমার এখানে বরাদ্দকৃত ঔষধ সুষ্ঠু বন্টনের মাধ্যমে রোগীদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি।
আমি উক্ত সংবাদ মাধ্যমে জড়িত দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের প্রতি আহ্বান জানাই, সংবাদটি প্রকাশের আগে বিষয়টি আরও গভীরভাবে অনুসন্ধান করা উচিত ছিলো বলে আমি মনে করছি এবং সাংবাদিক কে ভবিষ্যতে সংবাদ সংগ্রহে পেশাদারিত্বের পরিচয় দেয়ার অনুরোধ রইলো।
ডাঃ আশাদুজ্জামান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা
বাঘা, রাজশাহী।