কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমারের ভেতর থেকে ছোড়া গুলিতে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল–টেচ্ছিব্রিজ সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশুর নাম আফনান ওরফে পুতুনি (১২)। সে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ জসিমের মেয়ে এবং লম্বাবিল হাজি মোহাম্মদ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে শিশুটি বাড়ির কাছাকাছি অবস্থান করছিল। এ সময় মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান গোলাগুলির মধ্যে একটি গুলি সীমান্ত পেরিয়ে এসে তাকে আঘাত করে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পরপরই সীমান্ত এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা কক্সবাজার–টেকনাফ প্রধান সড়কের লম্বাবিল ও টেচ্ছিব্রিজ এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন। এতে সাময়িকভাবে যান চলাচল ব্যাহত হয়।
হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খোকন কান্তি নাথ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সীমান্তের ওপার থেকে ছোড়া গুলিতে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে রাতভর গোলাগুলির শব্দ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা বিক্ষোভে নেমেছেন। সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
উখিয়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (৬৪ বিজিবি) ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, সীমান্ত পরিস্থিতি বিজিবির পক্ষ থেকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি যাতে কোনো ধরনের অনুপ্রবেশ না ঘটে, সে বিষয়ে সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমামুল হাফিজ নাদিম বলেন, সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদে থাকার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহারে প্রশাসন কাজ করছে।
উল্লেখ্য, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের প্রভাব দীর্ঘদিন ধরে টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় পড়ে আসছে। এর আগেও গোলাগুলির ঘটনায় বাংলাদেশি নাগরিক হতাহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সীমান্তবাসীরা দ্রুত কার্যকর ও স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।
রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল–টেচ্ছিব্রিজ সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশুর নাম আফনান ওরফে পুতুনি (১২)। সে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ জসিমের মেয়ে এবং লম্বাবিল হাজি মোহাম্মদ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে শিশুটি বাড়ির কাছাকাছি অবস্থান করছিল। এ সময় মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান গোলাগুলির মধ্যে একটি গুলি সীমান্ত পেরিয়ে এসে তাকে আঘাত করে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পরপরই সীমান্ত এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা কক্সবাজার–টেকনাফ প্রধান সড়কের লম্বাবিল ও টেচ্ছিব্রিজ এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন। এতে সাময়িকভাবে যান চলাচল ব্যাহত হয়।
হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খোকন কান্তি নাথ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সীমান্তের ওপার থেকে ছোড়া গুলিতে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে রাতভর গোলাগুলির শব্দ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা বিক্ষোভে নেমেছেন। সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
উখিয়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (৬৪ বিজিবি) ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, সীমান্ত পরিস্থিতি বিজিবির পক্ষ থেকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি যাতে কোনো ধরনের অনুপ্রবেশ না ঘটে, সে বিষয়ে সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমামুল হাফিজ নাদিম বলেন, সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদে থাকার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহারে প্রশাসন কাজ করছে।
উল্লেখ্য, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের প্রভাব দীর্ঘদিন ধরে টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় পড়ে আসছে। এর আগেও গোলাগুলির ঘটনায় বাংলাদেশি নাগরিক হতাহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সীমান্তবাসীরা দ্রুত কার্যকর ও স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।