গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার মাওনা চৌরাস্তায় (পিয়ার আলী কলেজ রোড) এলাকা থেকে আকাশ (২৮) নামে এক যুবককে পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে পিয়ার আলী কলেজ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানের সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
গাজীপুর সেনা ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাফিস বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী এবং যৌথ বাহিনী একটি টিম শ্রীপুরের মাওনা এলাকায় কতিপয় দুষ্কৃতিকার ডাকাতি করার প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির ভিত্তিতে আমরা ওই এলাকায় দ্রুত অভিযান পরিচালনা করি। একটি বিদেশী পিস্তল, একটি ম্যাগজিনসহ আকাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে মূলত অস্ত্র ভাড়া দেওয়ার কাজে নিয়োজিত ছিল এবং অস্ত্রগুলো বর্ডার পাস করে বিভিন্ন জায়গা থেকে নিযয়ে এসে বিভিন্ন অপকর্মের জন্য ভাড়া দিত। যেমন কিছুদিন আগে আমরা ফায়ারিং ইন্সিডেন্ট পেয়েছি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে কোন তথ্য দেয়নি। তাকে আমরা আরো জিজ্ঞাসাবাদ করব। কিভাবে অস্ত্র নিয়ে আসতো এবং কি কাজে ব্যবহার করত তার কাছ থেকে জানার চেষ্টা করব।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার আকাশ মূলত পিয়ার আলী কলেজ এলাকায় ভাঙারীর ব্যবসা করে। ওই ব্যবসার আড়ালে সে এই অস্ত্রগুলো ভাড়া দিত। আমরা অভিযান চালিয়ে তার ভাঙ্গারি দোকানের কর্নারের একটি ড্রামের নিচ থেকে অস্ত্র লোড অবস্থায় এমোনেশনসহ পাই। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি জানায় তার নামে একটি অস্ত্র ও হত্যা মামলা ছিল, বর্তমানে সে ওই মামলায় জামিনে রয়েছে। পরবর্তীতে আমরা তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করবো এবং যাচাই বাছাই করে বিস্তারিত জানা যাবে।
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপন নজরদারি এবং গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান থাকবে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে পিয়ার আলী কলেজ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানের সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
গাজীপুর সেনা ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাফিস বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী এবং যৌথ বাহিনী একটি টিম শ্রীপুরের মাওনা এলাকায় কতিপয় দুষ্কৃতিকার ডাকাতি করার প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির ভিত্তিতে আমরা ওই এলাকায় দ্রুত অভিযান পরিচালনা করি। একটি বিদেশী পিস্তল, একটি ম্যাগজিনসহ আকাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে মূলত অস্ত্র ভাড়া দেওয়ার কাজে নিয়োজিত ছিল এবং অস্ত্রগুলো বর্ডার পাস করে বিভিন্ন জায়গা থেকে নিযয়ে এসে বিভিন্ন অপকর্মের জন্য ভাড়া দিত। যেমন কিছুদিন আগে আমরা ফায়ারিং ইন্সিডেন্ট পেয়েছি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে কোন তথ্য দেয়নি। তাকে আমরা আরো জিজ্ঞাসাবাদ করব। কিভাবে অস্ত্র নিয়ে আসতো এবং কি কাজে ব্যবহার করত তার কাছ থেকে জানার চেষ্টা করব।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার আকাশ মূলত পিয়ার আলী কলেজ এলাকায় ভাঙারীর ব্যবসা করে। ওই ব্যবসার আড়ালে সে এই অস্ত্রগুলো ভাড়া দিত। আমরা অভিযান চালিয়ে তার ভাঙ্গারি দোকানের কর্নারের একটি ড্রামের নিচ থেকে অস্ত্র লোড অবস্থায় এমোনেশনসহ পাই। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি জানায় তার নামে একটি অস্ত্র ও হত্যা মামলা ছিল, বর্তমানে সে ওই মামলায় জামিনে রয়েছে। পরবর্তীতে আমরা তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করবো এবং যাচাই বাছাই করে বিস্তারিত জানা যাবে।
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপন নজরদারি এবং গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান থাকবে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।