রাজশাহী নগরীতে ডিবিসহ ছয় থানার পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজা, ইয়াবা ট্যাবলেট ও দেশীয় চোলাই মদসহ ৭জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা, বোয়ালিয়া, কর্ণহার, রাজপাড়া ও পবা থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় ৪৫০ গ্রাম গাঁজা, ৪৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৫ লিটার চোলাই মদ, মাদক বিক্রির নগদ ৫ হাজার ২৫০ টাকা জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো: মোছাঃ তাজমিনা (৫৩), মোঃ বুলবুল ইসলাম (৪৯), মোঃ টিয়ারুল ইসলাম ওরফে আশরাফুল (৩৮), নূর ইসলাম ওরফে শামীম (৩৫), মোঃ পারভেজ ইসলাম (২১), মোঃ ইমন ইসলাম (২৫) ও মোঃ বাদল আলী (১৯)। তারা সবাই রাজশাহী মহানগরীর বাসিন্দা।
শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ডিবির একটি দল কাশিয়াডাঙ্গা থানার রায়পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাঁজা বিক্রির সময় তাজমিনাকে আটক করে। তার কাছ থেকে ২০০ গ্রাম গাঁজা ও ৪ হাজার ৪৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়। তাজমিনার বিরুদ্ধে আরএমপির বিভিন্ন থানায় ছয়টি মাদক মামলা চলমান রয়েছে।
এদিন রাত সোয়া ৮টার দিকে বোয়ালিয়া থানার পুলিশ বাজে কাজলা খরবোনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২০০ গ্রাম গাঁজা ও ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট-সহ বুলবুলকে গ্রেফতার করে।
রাত সোয়া ১০টার দিকে কর্ণহার থানার পুলিশ বিলধরমপুর মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫০ গ্রাম গাঁজা ও ৮০০ টাকা-সহ টিয়ারুলকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে এর আগেও তিনটি মাদক মামলা রয়েছে।
এ ছাড়া সন্ধ্যা ৭টায় রাজপাড়া থানার পুলিশ ডিঙ্গাডোবা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট-সহ নূর ইসলামকে গ্রেফতার করে। বিকেল ৫টায় কাশিয়াডাঙ্গা থানার পুলিশ গোলজারবাগ গুড়িপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ পিস ইয়াবাসহ পারভেজকে গ্রেফতার করে।
পবা থানার পুলিশ সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় মথুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দেশীয় চোলাই মদ বিক্রির সময় ৫ লিটার চোলাই মদ ইমন ইসলাম ও বাদল আলীকে গ্রেফতার করে।
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে এসব মাদক নিজেদের কাছে রাখার কথা স্বীকার করেছে বলে জানায় পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করে শুক্রবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা, বোয়ালিয়া, কর্ণহার, রাজপাড়া ও পবা থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় ৪৫০ গ্রাম গাঁজা, ৪৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৫ লিটার চোলাই মদ, মাদক বিক্রির নগদ ৫ হাজার ২৫০ টাকা জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো: মোছাঃ তাজমিনা (৫৩), মোঃ বুলবুল ইসলাম (৪৯), মোঃ টিয়ারুল ইসলাম ওরফে আশরাফুল (৩৮), নূর ইসলাম ওরফে শামীম (৩৫), মোঃ পারভেজ ইসলাম (২১), মোঃ ইমন ইসলাম (২৫) ও মোঃ বাদল আলী (১৯)। তারা সবাই রাজশাহী মহানগরীর বাসিন্দা।
শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ডিবির একটি দল কাশিয়াডাঙ্গা থানার রায়পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাঁজা বিক্রির সময় তাজমিনাকে আটক করে। তার কাছ থেকে ২০০ গ্রাম গাঁজা ও ৪ হাজার ৪৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়। তাজমিনার বিরুদ্ধে আরএমপির বিভিন্ন থানায় ছয়টি মাদক মামলা চলমান রয়েছে।
এদিন রাত সোয়া ৮টার দিকে বোয়ালিয়া থানার পুলিশ বাজে কাজলা খরবোনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২০০ গ্রাম গাঁজা ও ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট-সহ বুলবুলকে গ্রেফতার করে।
রাত সোয়া ১০টার দিকে কর্ণহার থানার পুলিশ বিলধরমপুর মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫০ গ্রাম গাঁজা ও ৮০০ টাকা-সহ টিয়ারুলকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে এর আগেও তিনটি মাদক মামলা রয়েছে।
এ ছাড়া সন্ধ্যা ৭টায় রাজপাড়া থানার পুলিশ ডিঙ্গাডোবা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট-সহ নূর ইসলামকে গ্রেফতার করে। বিকেল ৫টায় কাশিয়াডাঙ্গা থানার পুলিশ গোলজারবাগ গুড়িপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ পিস ইয়াবাসহ পারভেজকে গ্রেফতার করে।
পবা থানার পুলিশ সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় মথুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দেশীয় চোলাই মদ বিক্রির সময় ৫ লিটার চোলাই মদ ইমন ইসলাম ও বাদল আলীকে গ্রেফতার করে।
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে এসব মাদক নিজেদের কাছে রাখার কথা স্বীকার করেছে বলে জানায় পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করে শুক্রবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।