ভারতে বাংলাদেশের তিনটি উপদূতাবাস, কলকাতা, মুম্বাই ও চেন্নাইতে দেশটির নাগরিকদের পর্যটক ভিসা দেয়া ‘সীমিত’ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এর আগে, দিল্লির দূতাবাস এবং আগরতলা সহকারী হাইকমিশনারের দফতর থেকেও ভিসা দেয়ার কার্যক্রম বন্ধ করা হয়।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) থেকে পর্যটক ভিসা দেয়া ‘সীমিত’ করা হয়েছে। এতে, শুধুমাত্র আসামের গুয়াহাটির সহকারী হাইকমিশনারের দফতর থেকে ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশের ভিসা দেয়ার ব্যবস্থা চালু থাকল।
তবে পর্যটক ভিসা দেয়া ‘সীমিত’ করলেও বাণিজ্যিক ভিসাসহ অন্যান্য ভিসা দেয়ার কার্যক্রম চালু থাকছে।
মূলত, গত বছর গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বাংলাদেশে থাকা চারটি ভারতীয় ভিসা সেন্টারে ভাঙচুর চালানো হয়। সেসময় ঢাকাস্থ ভিসা সেন্টারের সামনেও বিক্ষোভ হয়। এরপর কয়েকদিন ভারত সব ধরনের ভিসা কার্যক্রম বন্ধ রাখে।
পরে ভিসা সেন্টারগুলো চালু হলেও মূলত ওই সময় থেকেই ভারত জানিয়ে দেয়, মেডিকেল ভিসা এবং কিছু জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অন্যান্য ভিসা আপাতত ইস্যু করবে না তারা।
উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় পর্যটক ভিসা পুরোপুরিভাবে বন্ধ রয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) থেকে পর্যটক ভিসা দেয়া ‘সীমিত’ করা হয়েছে। এতে, শুধুমাত্র আসামের গুয়াহাটির সহকারী হাইকমিশনারের দফতর থেকে ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশের ভিসা দেয়ার ব্যবস্থা চালু থাকল।
তবে পর্যটক ভিসা দেয়া ‘সীমিত’ করলেও বাণিজ্যিক ভিসাসহ অন্যান্য ভিসা দেয়ার কার্যক্রম চালু থাকছে।
মূলত, গত বছর গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বাংলাদেশে থাকা চারটি ভারতীয় ভিসা সেন্টারে ভাঙচুর চালানো হয়। সেসময় ঢাকাস্থ ভিসা সেন্টারের সামনেও বিক্ষোভ হয়। এরপর কয়েকদিন ভারত সব ধরনের ভিসা কার্যক্রম বন্ধ রাখে।
পরে ভিসা সেন্টারগুলো চালু হলেও মূলত ওই সময় থেকেই ভারত জানিয়ে দেয়, মেডিকেল ভিসা এবং কিছু জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অন্যান্য ভিসা আপাতত ইস্যু করবে না তারা।
উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় পর্যটক ভিসা পুরোপুরিভাবে বন্ধ রয়েছে।