চট্টগ্রামের খুলশী থানা এলাকায় ১২ বছর বয়সী শ্রাবন্তী ঘোষকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামিকে ২৩ ঘণ্টার মধ্যে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে প্রধান আসামি প্রদীপ লাল ও অজয় সিংহ।
ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ভিকটিম শ্রাবন্তী ঘোষ (১২) সাতকানিয়া উপজেলার আমিলাইশ গ্রামের তপন ও রোজি ঘোষের মেয়ে। পরিবারের সঙ্গে চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী লালখান বাজার পানির ট্যাংকি এলাকায় প্রদীপ ঘোষের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিল। তার বাবা গার্মেন্টস কর্মী হওয়ায় সপ্তাহে একদিন বাসায় থাকতেন এবং মা প্রতিদিন দুপুরে গার্মেন্টস যান ও রাত আনুমানিক ১টায় বাসায় ফিরেন। এ সময় বাড়িতে থাকত শ্রাবন্তী ও তার ছোট ভাই।
পুলিশ ও পরিবারের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ৩ জানুয়ারি ২০২৬ রাত প্রায় ৯টা শ্রাবন্তী তার দাদার বাসা থেকে কোনোকে না জানিয়ে পুনরায় ভাড়াটিয়া বাসায় ফিরে আসে। পরে রাত প্রায় ১১টা ৫০ মিনিটে তার দাদা বাড়িতে ফিরে গেলে দেখতে পায় শ্রাবন্তী গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আড়ার সঙ্গে ঝুলে আছে। খবর পেয়ে শ্রাবন্তীর মা স্থানীয় লোকজন ও থানার পুলিশকে নিয়ে তিনি তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরিবার সন্দেহ করেন, তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে ঘটনাস্থল গোপন করতে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মরদেহের ময়নাতদন্ত ও ধর্ষণ পরীক্ষা চালানো হয় এবং ঘটনার দিকে সকল সম্ভাব্য দিক থেকে খতিয়ে দেখা হয়। ঘটনাটি এলাকায় ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।
পরিবারের পক্ষ থেকে ভিকটিমের মা রোজি ঘোষ ৮ জানুয়ারি খুলশী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, সন ২০০০ (ধারা ৯(৩) অধীন একটি মামলা (নং-০৫) দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগপত্রে প্রধান আসামি হিসেবে প্রদীপ লাল ঘোষ ও অজয় সিংহসহ অজ্ঞাত ২/৩ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।
র্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, উক্ত পলাতক প্রধান আসামিরা খুলশী থানাধীন লালখান বাজার এলাকায় অবস্থান করছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় র্যাব-৭ একটি অভিযান পরিচালনা করে সেখানে অবস্থানরত প্রদীপ লাল ঘোষ (৫২) ও অজয় সিংহ (২৫)-কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য খুলশী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ভিকটিম শ্রাবন্তী ঘোষ (১২) সাতকানিয়া উপজেলার আমিলাইশ গ্রামের তপন ও রোজি ঘোষের মেয়ে। পরিবারের সঙ্গে চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী লালখান বাজার পানির ট্যাংকি এলাকায় প্রদীপ ঘোষের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিল। তার বাবা গার্মেন্টস কর্মী হওয়ায় সপ্তাহে একদিন বাসায় থাকতেন এবং মা প্রতিদিন দুপুরে গার্মেন্টস যান ও রাত আনুমানিক ১টায় বাসায় ফিরেন। এ সময় বাড়িতে থাকত শ্রাবন্তী ও তার ছোট ভাই।
পুলিশ ও পরিবারের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ৩ জানুয়ারি ২০২৬ রাত প্রায় ৯টা শ্রাবন্তী তার দাদার বাসা থেকে কোনোকে না জানিয়ে পুনরায় ভাড়াটিয়া বাসায় ফিরে আসে। পরে রাত প্রায় ১১টা ৫০ মিনিটে তার দাদা বাড়িতে ফিরে গেলে দেখতে পায় শ্রাবন্তী গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আড়ার সঙ্গে ঝুলে আছে। খবর পেয়ে শ্রাবন্তীর মা স্থানীয় লোকজন ও থানার পুলিশকে নিয়ে তিনি তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরিবার সন্দেহ করেন, তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে ঘটনাস্থল গোপন করতে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মরদেহের ময়নাতদন্ত ও ধর্ষণ পরীক্ষা চালানো হয় এবং ঘটনার দিকে সকল সম্ভাব্য দিক থেকে খতিয়ে দেখা হয়। ঘটনাটি এলাকায় ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।
পরিবারের পক্ষ থেকে ভিকটিমের মা রোজি ঘোষ ৮ জানুয়ারি খুলশী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, সন ২০০০ (ধারা ৯(৩) অধীন একটি মামলা (নং-০৫) দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগপত্রে প্রধান আসামি হিসেবে প্রদীপ লাল ঘোষ ও অজয় সিংহসহ অজ্ঞাত ২/৩ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।
র্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, উক্ত পলাতক প্রধান আসামিরা খুলশী থানাধীন লালখান বাজার এলাকায় অবস্থান করছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় র্যাব-৭ একটি অভিযান পরিচালনা করে সেখানে অবস্থানরত প্রদীপ লাল ঘোষ (৫২) ও অজয় সিংহ (২৫)-কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য খুলশী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।