রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বাসুদেবপুর ইউনিয়নের (ইউপি) ৭ নম্বর ওয়ার্ডের লস্করহাটী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কানেক্টিং রাস্তার কার্পেটিং কাজে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়রা বলছে, সিডিউল অনুযায়ী কোনো কাজ হচ্ছে না। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরুর আগে কাজের তথ্য সংবলিত সাইনবোর্ড দেয়নি। যে কারনে কাজের কোনো তথ্য কেউ জানতে পারছে না।আবার এলজিইডি কোনো তথ্য দিচ্ছেন না।সরেজমিন অনুসন্ধান করা হলেই কার্পেটিং কাজে ভয়াবহ অনিয়মের সত্যতা পাওয়া যাবে। এদিকে কাজের বিভিন্ন ধাপে এলজিইডির নির্ধারিত মান ও পদ্ধতি অনুসরণ না করায় রাস্তাটির স্থায়িত্ব নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রথম দফায় রাস্তায় তরল পিচ ছিটিয়ে দেন। এরপর পিচ শুকানোর অজুহাতে তার ওপর বালি দেওয়া হয়। কিন্তু এলজিইডির নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্পেটিং কাজ সম্পন্ন না করে কয়েকদিন বিরতি দিয়ে পুনরায় এসে কার্পেট বিছানো শুরু করা হয়। এতে পিচ ও কার্পেটের মধ্যে প্রয়োজনীয় বন্ধন (বন্ডিং) তৈরি হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, রাস্তার নিচে নতুন করে কোনো খোয়া (স্টোন বেজ) ব্যবহার করা হয়নি। আগে থেকে থাকা পুরোনো ও দুর্বল খোয়াগুলো রেখেই কাজ চালানো হচ্ছে। কেবল কিছু নির্দিষ্ট স্থানে দায়সারা ভাবে খোয়া দিয়ে লেভেল দেখানো হয়েছে। ফলে পুরো রাস্তায় ভিত্তির মান সমান নয়, যা অল্প সময়ের মধ্যেই রাস্তা বসে যাওয়া, ফাটল সৃষ্টি এবং কার্পেটিং উঠে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়াবে বলে মনে করছেন তারা।
স্থানীয়দের মতে, কার্পেটিংয়ের সময় বিটুমেন (তেল) এর পরিমাণও প্রয়োজনের তুলনায় কম ব্যবহার করা হচ্ছে। তরল বিটুমিন ব্যবহার ও নির্ধারিত অনুপাতে তেল ব্যবহার না করায় কার্পেট যথাযথভাবে খোয়ার সঙ্গে আটকাচ্ছে না। এতে করে কয়েক মাস বা একটি মৌসুম পার না হতেই রাস্তাটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
উদ্বেগের বিষয় হলো রাস্তাটি একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থিত। প্রতিদিন শতাধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় যানবাহন এই পথ ব্যবহার করে। এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিম্নমানের কাজ জনদুর্ভোগের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল।
এলাকাবাসী দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কাজের মান যাচাই, অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ঠিকাদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রয়োজনে পুনরায় মানসম্মতভাবে রাস্তা নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে গোদাগাড়ী উপজেলা প্রকৌশলী সাদরুল ইসলাম বলেন, ‘রাস্তায় খোয়ার পরিমাণ কিছুটা কম দেওয়া হয়েছে, এটি আমি স্বীকার করছি। তবে আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যে বাজেট বরাদ্দ দিয়েছে, সেই বাজেটের মধ্যেই কাজ করা হচ্ছে। বর্তমানে কাজ চলমান রয়েছে।’তিনি আরও দাবি করেন, নিয়ম বহির্ভূতভাবে ইট ভাটার ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে রাস্তার ক্ষতি হচ্ছে এবং এক্ষেত্রে স্থানীয়দেরও দায় রয়েছে। তবে তিনি আশ্বস্ত করেন যে, ‘রাস্তার কাজ শতভাগ ভালোভাবে সম্পন্ন করা হচ্ছে এবং কাজের মান বজায় রাখা হচ্ছে।
তবে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও ঠিকাদারের নাম জানতে চাইলে উপজেলা প্রকৌশলী কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং ঠিকাদারের পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন। এমনকি রাস্তার পরিমাণ, বরাদ্দের পরিমাণসহ বিস্তারিত তথ্য জানতে চাইলে জানাতে পারেননি।
স্থানীয়রা বলছে, সিডিউল অনুযায়ী কোনো কাজ হচ্ছে না। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরুর আগে কাজের তথ্য সংবলিত সাইনবোর্ড দেয়নি। যে কারনে কাজের কোনো তথ্য কেউ জানতে পারছে না।আবার এলজিইডি কোনো তথ্য দিচ্ছেন না।সরেজমিন অনুসন্ধান করা হলেই কার্পেটিং কাজে ভয়াবহ অনিয়মের সত্যতা পাওয়া যাবে। এদিকে কাজের বিভিন্ন ধাপে এলজিইডির নির্ধারিত মান ও পদ্ধতি অনুসরণ না করায় রাস্তাটির স্থায়িত্ব নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রথম দফায় রাস্তায় তরল পিচ ছিটিয়ে দেন। এরপর পিচ শুকানোর অজুহাতে তার ওপর বালি দেওয়া হয়। কিন্তু এলজিইডির নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্পেটিং কাজ সম্পন্ন না করে কয়েকদিন বিরতি দিয়ে পুনরায় এসে কার্পেট বিছানো শুরু করা হয়। এতে পিচ ও কার্পেটের মধ্যে প্রয়োজনীয় বন্ধন (বন্ডিং) তৈরি হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, রাস্তার নিচে নতুন করে কোনো খোয়া (স্টোন বেজ) ব্যবহার করা হয়নি। আগে থেকে থাকা পুরোনো ও দুর্বল খোয়াগুলো রেখেই কাজ চালানো হচ্ছে। কেবল কিছু নির্দিষ্ট স্থানে দায়সারা ভাবে খোয়া দিয়ে লেভেল দেখানো হয়েছে। ফলে পুরো রাস্তায় ভিত্তির মান সমান নয়, যা অল্প সময়ের মধ্যেই রাস্তা বসে যাওয়া, ফাটল সৃষ্টি এবং কার্পেটিং উঠে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়াবে বলে মনে করছেন তারা।
স্থানীয়দের মতে, কার্পেটিংয়ের সময় বিটুমেন (তেল) এর পরিমাণও প্রয়োজনের তুলনায় কম ব্যবহার করা হচ্ছে। তরল বিটুমিন ব্যবহার ও নির্ধারিত অনুপাতে তেল ব্যবহার না করায় কার্পেট যথাযথভাবে খোয়ার সঙ্গে আটকাচ্ছে না। এতে করে কয়েক মাস বা একটি মৌসুম পার না হতেই রাস্তাটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
উদ্বেগের বিষয় হলো রাস্তাটি একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থিত। প্রতিদিন শতাধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় যানবাহন এই পথ ব্যবহার করে। এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিম্নমানের কাজ জনদুর্ভোগের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল।
এলাকাবাসী দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কাজের মান যাচাই, অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ঠিকাদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রয়োজনে পুনরায় মানসম্মতভাবে রাস্তা নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে গোদাগাড়ী উপজেলা প্রকৌশলী সাদরুল ইসলাম বলেন, ‘রাস্তায় খোয়ার পরিমাণ কিছুটা কম দেওয়া হয়েছে, এটি আমি স্বীকার করছি। তবে আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যে বাজেট বরাদ্দ দিয়েছে, সেই বাজেটের মধ্যেই কাজ করা হচ্ছে। বর্তমানে কাজ চলমান রয়েছে।’তিনি আরও দাবি করেন, নিয়ম বহির্ভূতভাবে ইট ভাটার ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে রাস্তার ক্ষতি হচ্ছে এবং এক্ষেত্রে স্থানীয়দেরও দায় রয়েছে। তবে তিনি আশ্বস্ত করেন যে, ‘রাস্তার কাজ শতভাগ ভালোভাবে সম্পন্ন করা হচ্ছে এবং কাজের মান বজায় রাখা হচ্ছে।
তবে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও ঠিকাদারের নাম জানতে চাইলে উপজেলা প্রকৌশলী কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং ঠিকাদারের পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন। এমনকি রাস্তার পরিমাণ, বরাদ্দের পরিমাণসহ বিস্তারিত তথ্য জানতে চাইলে জানাতে পারেননি।