ওয়াশিংটন ও কপেনহেগেন: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, তিনি আগামী সপ্তাহে ডেনিশ কর্মকর্তাদের সাথে গ্রিনল্যান্ড সংক্রান্ত আলোচনার জন্য দেখা করবেন। এটি এমন এক সময়ে ঘটছে যখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের আর্কটিক অঞ্চলে আগ্রাসনের সম্ভাবনার কারণে ন্যাটোর মধ্যে সংকট তীব্র হচ্ছে।
রুবিও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় সরাসরি এ প্রশ্নের উত্তর দেননি যে ট্রাম্প প্রশাসন গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ অর্জনের জন্য সামরিক বিকল্প বিবেচনা করতে চায় কি না। তিনি বলেন, আমি এখানে ডেনমার্ক বা সামরিক হস্তক্ষেপ নিয়ে কথা বলার জন্য আসিনি। আগামী সপ্তাহে আমরা এই বিষয়ে আলোচনা করব। তিনি আরও যোগ করেন, প্রতিটি মার্কিন রাষ্ট্রপতি জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির মোকাবিলার জন্য সামরিক বিকল্প রাখেন।
ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা একটি জরুরি বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, ন্যাটো মিত্রদের দ্বারা আক্রমণ বা দখল হলে এটি পশ্চিমা সামরিক জোটের জন্য বিপজ্জনক এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নিরাপত্তা কাঠামোর জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।
ফ্রান্সও মঙ্গলবার জানিয়েছে, তারা গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের প্রতিক্রিয়া নিয়ে ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা করছে। ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল ব্যারোট বলেন, “আমরা পদক্ষেপ নিতে চাই, তবে এটি আমাদের ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে করতে চাই।
রুবিও বলেন, প্রথম দিন থেকেই ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের কথা বলছেন। তিনি প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট নন যিনি এই বিষয়ে সম্ভাবনা যাচাই করেছেন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ট্রাম্প কূটনীতি পছন্দ করেন, কিন্তু সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেন না। প্রেস সচিব ক্যারোলিন লিভিট বলেন, রাষ্ট্রপতি আর্কটিক অঞ্চলে চীনা ও রাশিয়ান আগ্রাসন রোধের স্বার্থে এই বিষয়গুলো আলোচনা করছেন।
রুবিও আরও বলেন, আর্কটিক অঞ্চলের উপর আরও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হবে যাতে চীন ও রাশিয়া এই কৌশলগত অঞ্চলে হস্তক্ষেপ করতে না পারে।
এদিকে, ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোকে ত্যাগ করবে না, যদিও ন্যাটো সবসময় আমাদের জন্য থাকবে না। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া রাশিয়া ও চীনের ন্যাটো নিয়ে ভয় পাবে না বলেও উল্লেখ করেন।
ডেনিশ পার্লামেন্ট মঙ্গলবার গ্রিনল্যান্ড সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি বৈঠক করেছে। ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোকে রাসমুসেন বলেন, আমরা আলোচনায় যুক্তিসঙ্গত সংলাপ চাই; চিৎকার-চেঁচামেচি নয়।
ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডকে চীনা ও রাশিয়ান আগ্রাসনের হুমকি বলে উল্লেখ করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি করেছেন। তবে ডেনিশ কর্মকর্তারা এই দাবিকে মিথ্যা ও অতিরঞ্জিত বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
ডেনমার্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ট্রোয়েলস লুন্ড পলসেন বলেন, আমরা নিরাপত্তা সক্ষমতায় প্রায় ১০০ বিলিয়ন ড্যানিশ ক্রোনার (১১.৬ বিলিয়ন) বিনিয়োগ করেছি। সূত্র: দ্যা গার্ডিয়ান
রুবিও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় সরাসরি এ প্রশ্নের উত্তর দেননি যে ট্রাম্প প্রশাসন গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ অর্জনের জন্য সামরিক বিকল্প বিবেচনা করতে চায় কি না। তিনি বলেন, আমি এখানে ডেনমার্ক বা সামরিক হস্তক্ষেপ নিয়ে কথা বলার জন্য আসিনি। আগামী সপ্তাহে আমরা এই বিষয়ে আলোচনা করব। তিনি আরও যোগ করেন, প্রতিটি মার্কিন রাষ্ট্রপতি জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির মোকাবিলার জন্য সামরিক বিকল্প রাখেন।
ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা একটি জরুরি বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, ন্যাটো মিত্রদের দ্বারা আক্রমণ বা দখল হলে এটি পশ্চিমা সামরিক জোটের জন্য বিপজ্জনক এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নিরাপত্তা কাঠামোর জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।
ফ্রান্সও মঙ্গলবার জানিয়েছে, তারা গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের প্রতিক্রিয়া নিয়ে ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা করছে। ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল ব্যারোট বলেন, “আমরা পদক্ষেপ নিতে চাই, তবে এটি আমাদের ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে করতে চাই।
রুবিও বলেন, প্রথম দিন থেকেই ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের কথা বলছেন। তিনি প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট নন যিনি এই বিষয়ে সম্ভাবনা যাচাই করেছেন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ট্রাম্প কূটনীতি পছন্দ করেন, কিন্তু সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেন না। প্রেস সচিব ক্যারোলিন লিভিট বলেন, রাষ্ট্রপতি আর্কটিক অঞ্চলে চীনা ও রাশিয়ান আগ্রাসন রোধের স্বার্থে এই বিষয়গুলো আলোচনা করছেন।
রুবিও আরও বলেন, আর্কটিক অঞ্চলের উপর আরও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হবে যাতে চীন ও রাশিয়া এই কৌশলগত অঞ্চলে হস্তক্ষেপ করতে না পারে।
এদিকে, ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোকে ত্যাগ করবে না, যদিও ন্যাটো সবসময় আমাদের জন্য থাকবে না। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া রাশিয়া ও চীনের ন্যাটো নিয়ে ভয় পাবে না বলেও উল্লেখ করেন।
ডেনিশ পার্লামেন্ট মঙ্গলবার গ্রিনল্যান্ড সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি বৈঠক করেছে। ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোকে রাসমুসেন বলেন, আমরা আলোচনায় যুক্তিসঙ্গত সংলাপ চাই; চিৎকার-চেঁচামেচি নয়।
ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডকে চীনা ও রাশিয়ান আগ্রাসনের হুমকি বলে উল্লেখ করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি করেছেন। তবে ডেনিশ কর্মকর্তারা এই দাবিকে মিথ্যা ও অতিরঞ্জিত বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
ডেনমার্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ট্রোয়েলস লুন্ড পলসেন বলেন, আমরা নিরাপত্তা সক্ষমতায় প্রায় ১০০ বিলিয়ন ড্যানিশ ক্রোনার (১১.৬ বিলিয়ন) বিনিয়োগ করেছি। সূত্র: দ্যা গার্ডিয়ান