রাজশাহী অঞ্চলের ওপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবারের তুলনায় বুধবার তাপমাত্রা সামান্য বেড়েছে, তবে উত্তর দিক থেকে আসা হিমেল হাওয়ার কারণে ঠান্ডার প্রকোপ কমেনি। কুয়াশার দাপট আগের কয়েক দিনের তুলনায় কিছুটা কম থাকলেও শীতের অনুভূতি রয়ে গেছে।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বুধবার সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন মঙ্গলবার এ তাপমাত্রা ছিল ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক রহিদুল ইসলাম বলেন, রাজশাহীতে তাপমাত্রা সামান্য বেড়েছে। সকালে সূর্যের আলো ওঠায় শীতের তীব্রতা কিছুটা কম অনুভূত হচ্ছে। তবে আশপাশের এলাকায় তাপমাত্রার বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি। বর্তমান শীতের এই পরিস্থিতি রাজশাহী অঞ্চলে আরও তিন থেকে চার দিন থাকতে পারে।”
বুধবার সূর্যের দেখা পাওয়ায় রাজশাহীতে জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। শহরে মানুষের চলাচল বেড়েছে, সড়ক ও মহাসড়কে যানবাহন চলাচলও তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক হয়েছে।
অন্যদিকে শীত ও ঠান্ডাজনিত কারণে রাজশাহীর হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বেড়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা ডায়রিয়া, পাতলা পায়খানা, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ১ হাজার ২০০ শয্যার বিপরীতে বুধবার পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫৩৭ জনে।
রামেক হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, অধিকাংশ রোগীই শিশু ও বয়স্ক। প্রতিদিন নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশু ও শ্বাসকষ্টে ভোগা বয়স্ক রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে দেরিতে চিকিৎসা নেওয়ায় রোগ জটিল হয়ে উঠছে। তবে চিকিৎসকরা এসব রোগীর সার্বক্ষণিক চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন।
আবহাওয়া অফিস ও চিকিৎসকরা শীতের এই সময়ে শিশু ও বয়স্কদের বিশেষ যত্ন নেওয়া এবং ঠান্ডা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বুধবার সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন মঙ্গলবার এ তাপমাত্রা ছিল ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক রহিদুল ইসলাম বলেন, রাজশাহীতে তাপমাত্রা সামান্য বেড়েছে। সকালে সূর্যের আলো ওঠায় শীতের তীব্রতা কিছুটা কম অনুভূত হচ্ছে। তবে আশপাশের এলাকায় তাপমাত্রার বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি। বর্তমান শীতের এই পরিস্থিতি রাজশাহী অঞ্চলে আরও তিন থেকে চার দিন থাকতে পারে।”
বুধবার সূর্যের দেখা পাওয়ায় রাজশাহীতে জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। শহরে মানুষের চলাচল বেড়েছে, সড়ক ও মহাসড়কে যানবাহন চলাচলও তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক হয়েছে।
অন্যদিকে শীত ও ঠান্ডাজনিত কারণে রাজশাহীর হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বেড়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা ডায়রিয়া, পাতলা পায়খানা, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ১ হাজার ২০০ শয্যার বিপরীতে বুধবার পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫৩৭ জনে।
রামেক হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, অধিকাংশ রোগীই শিশু ও বয়স্ক। প্রতিদিন নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশু ও শ্বাসকষ্টে ভোগা বয়স্ক রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে দেরিতে চিকিৎসা নেওয়ায় রোগ জটিল হয়ে উঠছে। তবে চিকিৎসকরা এসব রোগীর সার্বক্ষণিক চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন।
আবহাওয়া অফিস ও চিকিৎসকরা শীতের এই সময়ে শিশু ও বয়স্কদের বিশেষ যত্ন নেওয়া এবং ঠান্ডা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।