র্যাব-১২, সদর কোম্পানি সিরাজগঞ্জ এবং র্যাব-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের যৌথ অভিযানে একটি আলোচিত হত্যা মামলার ২ নম্বর পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকাল পৌনে ৫টার দিকে টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানার লতিফপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামি হলেন মোঃ গোলাম মোস্তফা (৫৫), পিতা- সামছুল হক। তার বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর থানার চর তালতলা এলাকায়।
র্যাব সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারকৃত গোলাম মোস্তফা সিরাজগঞ্জ সদর থানার একটি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি। মামলাটি দায়ের করেন মোঃ মিনহাজ (৩৫), পিতা- মোঃ নুরুল হক, যিনি দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ থানার পলাশবাড়ী এলাকার বাসিন্দা।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদীর ছোট বোন মোছাঃ রুপালী আক্তার (২৪)-এর সঙ্গে প্রায় পাঁচ বছর আগে আসামি মোঃ হজরত আলীর ইসলামি শরিয়াহ মতে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে রুপালী আক্তারকে তার স্বামীসহ অন্যান্য আসামিরা প্রায়ই শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন।
ঘটনার দিন ২০২৫ সালের ৯ জুন সকাল ১০টার দিকে আসামিরা ভিকটিমকে সঙ্গে নিয়ে সিরাজগঞ্জ সদর থানাধীন ৮ নম্বর কাওয়াখোলা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সিঙ্গারবিল হালদিয়া এলাকায় তার নানা-শ্বশুরের বাড়িতে যান। পরে একই দিন বিকাল ৩টার দিকে প্রতিবেশী একজন ফোন করে ভিকটিমের স্বজনদের জানান, রুপালী আক্তার পানিতে ডুবে মারা গেছেন।
খবর পেয়ে বাদী ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়ির উঠানে বোনের মরদেহ দেখতে পান। বাদীর অভিযোগ, আসামিরা ওই দিন দুপুর ২টা থেকে ৩টার মধ্যে যেকোনো সময়ে রুপালী আক্তারকে হত্যা করে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে সিঙ্গারবিল হালদিয়া এলাকায় যমুনা নদীর একটি শাখায় ফেলে দেন।
এ ঘটনায় সিরাজগঞ্জ সদর থানায় ১০ জুন ২০২৫ তারিখে মামলা নম্বর-৩১, দণ্ডবিধির ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
র্যাব জানায়, অধিনায়ক র্যাব-১২, সিরাজগঞ্জের দিকনির্দেশনায় গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পলাতক আসামি মোঃ গোলাম মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিরাজগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকাল পৌনে ৫টার দিকে টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানার লতিফপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামি হলেন মোঃ গোলাম মোস্তফা (৫৫), পিতা- সামছুল হক। তার বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর থানার চর তালতলা এলাকায়।
র্যাব সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারকৃত গোলাম মোস্তফা সিরাজগঞ্জ সদর থানার একটি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি। মামলাটি দায়ের করেন মোঃ মিনহাজ (৩৫), পিতা- মোঃ নুরুল হক, যিনি দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ থানার পলাশবাড়ী এলাকার বাসিন্দা।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদীর ছোট বোন মোছাঃ রুপালী আক্তার (২৪)-এর সঙ্গে প্রায় পাঁচ বছর আগে আসামি মোঃ হজরত আলীর ইসলামি শরিয়াহ মতে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে রুপালী আক্তারকে তার স্বামীসহ অন্যান্য আসামিরা প্রায়ই শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন।
ঘটনার দিন ২০২৫ সালের ৯ জুন সকাল ১০টার দিকে আসামিরা ভিকটিমকে সঙ্গে নিয়ে সিরাজগঞ্জ সদর থানাধীন ৮ নম্বর কাওয়াখোলা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সিঙ্গারবিল হালদিয়া এলাকায় তার নানা-শ্বশুরের বাড়িতে যান। পরে একই দিন বিকাল ৩টার দিকে প্রতিবেশী একজন ফোন করে ভিকটিমের স্বজনদের জানান, রুপালী আক্তার পানিতে ডুবে মারা গেছেন।
খবর পেয়ে বাদী ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়ির উঠানে বোনের মরদেহ দেখতে পান। বাদীর অভিযোগ, আসামিরা ওই দিন দুপুর ২টা থেকে ৩টার মধ্যে যেকোনো সময়ে রুপালী আক্তারকে হত্যা করে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে সিঙ্গারবিল হালদিয়া এলাকায় যমুনা নদীর একটি শাখায় ফেলে দেন।
এ ঘটনায় সিরাজগঞ্জ সদর থানায় ১০ জুন ২০২৫ তারিখে মামলা নম্বর-৩১, দণ্ডবিধির ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
র্যাব জানায়, অধিনায়ক র্যাব-১২, সিরাজগঞ্জের দিকনির্দেশনায় গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পলাতক আসামি মোঃ গোলাম মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিরাজগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।