হাই তোলার সময় করণীয়, নবীজি (সা.) যা বলেছেন

আপলোড সময় : ০৬-০১-২০২৬ ০৩:০৩:১৪ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৬-০১-২০২৬ ০৩:০৩:১৪ অপরাহ্ন
নবীজি (সা.) হাই যথাসাধ্য দমন করার এবং হাই তোলার সময় হাত দিয়ে মুখ ঢাকার পরামর্শ দিয়েছেন এবং বলেছেন, হাই আল্লাহ তাআলা অপছন্দ করেন আর হাই তুললে শয়তান খুশি হয়।

হজরত আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা হাঁচি ভালবাসেন, আর হাই তোলা অপছন্দ করেন। তাই তোমাদের কেউ যখন হাঁচি দেবে এবং ’আলহামদুলিল্লাহ’ পড়বে তখন প্রত্যেক মুসলিম শ্রোতার উচিত হবে তার জবাবে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলা। হাই শয়তানের পক্ষ থেকে আসে। কারো যখন হাই আসে, তখন সে যেন যথাসাধ্য তা রোধ করে। যখন তোমাদের কেউ হাই তোলে, তখন শয়তান তা দেখে হাসে। (সহিহ বুখারি: ৬২২৩)

আরেকটি বর্ণনায় এসেছে নবীজি (সা.) আরও বলেন, তোমাদের কেউ যখন হাই তোলে, তখন সে যেন নিজ মুখের উপর হাত রেখে নেয়। কারণ শয়তান এ সময় মুখে ঢুকে পড়ে। (সহিহ মুসলিম: ২৯৯৫)

ওলামায়ে কেরাম বলেন, হাই যেহেতু আলস্য ও উদাসীনতা প্রকাশ করে, আর এগুলো শয়তানের পক্ষ থেকে আসে, তাই ‍উন্মুক্তভাবে হা করে হাই তুলতে দেখলে শয়তান খুশি হয়। এ ছাড়া হা করে হাই তুললে তা আশপাশের মানুষের কষ্ট বা বিরক্তির কারণও হয়। এ কারণেও হাই যথাসাধ্য দমন করা বা হাই তোলার সময় হাত দিয়ে মুখ ঢাকার নির্দেশনা দিয়েছেন নবীজি (সা.)।

হাদিসে হাই তোলার সময় বা হাই তোলার পর কোনো দোয়া পড়তে বলা হয়নি। আমাদের দেশে অনেকেই মনে করেন, হাই তুললে ‘লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ বা ‘আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম’ পড়া সুন্নত। এই ধারণা সঠিক নয়। যেহেতু নবীজি (সা.) বলেছেন, হাই শয়তানের পক্ষ থেকে আসে, তাই কেউ চাইলে এই দোয়াগুলো পড়তে পারেন। কিন্তু এটাকে নবীজির (সা.) নির্দেশনা বা সুন্নত মনে করা যাবে না।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]