রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বন্য প্রাণী আলোকচিত্রীদের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার দুর্লভ আমেরিকান কালো শকুন (American Black Vulture)।
এশিয়ার আকাশে এই পাখি দেখা যাওয়া প্রায় অসম্ভব হলেও গত ১০ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে পাখিটির উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন আলোকচিত্রীরা।
বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, বন্য প্রাণী পাচারকারী চক্রের হাত ফসকে বা কোনো অভয়ারণ্য থেকে অবমুক্ত হয়ে পাখিটি বাংলাদেশের আকাশে এসেছে।
জানা যায়, গত ১০ নভেম্বর বন্য প্রাণী আলোকচিত্রী তানভীর তাসনিম অভি ও গাজী আল মাহমুদ মারুফ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দুর্লভ ছোট কালী পেঁচা’র (ঔঁহমষব ঙষিবঃ) ছবি তুলতে যান। ২০২১ সালে এই ক্যাম্পাসে প্রথম ছোট কালী পেঁচার সন্ধান মিলেছিল। পেঁচার ছবি তোলার পর তাঁরা ক্যাম্পাসের বধ্যভূমি এলাকায় যান। সেখানে অন্যান্য পাখির ছবি তোলার সময় আকাশে উড়ন্ত কিছু শিকারি পাখির দিকে নজর পড়ে অভির। টেলিল্যান্সে চোখ রেখে তিনি একটি উড়ন্ত শকুনের ছবি তোলেন। এটি ছিল অভির তোলা ১৫০তম পাখির ছবি।
ছবিটি তোলার পর ভালোমতো পর্যবেক্ষণ করে তাঁরা বুঝতে পারেন, এর ওড়ার ধরন ও গায়ের রং দেশীয় বাংলা শকুন বা হিমালয়ান গৃধিনী থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। পরবর্তীতে পাখিবিষয়ক বিভিন্ন অনলাইন গ্রুপ ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, এটি মূলত আমেরিকান ব্ল্যাক ভালচার বা কালো শকুন। এই পাখিদের প্রধান বিচরণক্ষেত্র যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্ব অংশ থেকে দক্ষিণ আমেরিকা পর্যন্ত। এদের মাথা ও গলা পালকহীন ধূসর এবং শরীর চকচকে কালো।
আমেরিকার পাখি রাজশাহীর আকাশে কীভাবে এল? এ বিষয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ড. মনিরুল হাসান খান বলেন, এটি নর্থ আমেরিকার পাখি, স্বাভাবিকভাবে একে দেশের আকাশে দেখা যাওয়ার কথা নয়। তবে প্রকৃতিতে মাঝেমধ্যে এমন ঘটনা ঘটে। মূলত আন্তর্জাতিক বন্য প্রাণী চোরাকারবারিরা বিভিন্ন রুট দিয়ে প্রাণী পাচার করে।
ধারণা করা হচ্ছে, ভারত বা পার্শ্ববর্তী কোনো দেশে পাচারকারীদের হাত থেকে উদ্ধার হয়ে বা পালিয়ে পাখিটি প্রকৃতিতে অবমুক্ত হয়েছে এবং পথ ভুল করে বাংলাদেশের আকাশে চলে এসেছে। এ প্রসঙ্গে প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলা এক বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞ ২০০২ সালের একটি ঘটনার উদাহরণ টানেন। তিনি জানান, নরসিংদীর চরসিন্দুরে মরুভূমির সাপ বালু বোরা পাওয়া গিয়েছিল, যা মূলত বেদেদের বহর থেকে পালিয়ে সেখানে আশ্রয় নিয়েছিল।
রাজশাহীর আকাশে আমেরিকান শকুন দেখার বিষয়টিকেও তিনি অনুরূপ একটি রহস্যময় অথচ যৌক্তিক ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশে বাংলা শকুন ও রাজ শকুন প্রায় বিলুপ্তির পথে। এমন অবস্থায় ভিনদেশি এই শকুনের উপস্থিতি বন্য প্রাণী প্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
এশিয়ার আকাশে এই পাখি দেখা যাওয়া প্রায় অসম্ভব হলেও গত ১০ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে পাখিটির উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন আলোকচিত্রীরা।
বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, বন্য প্রাণী পাচারকারী চক্রের হাত ফসকে বা কোনো অভয়ারণ্য থেকে অবমুক্ত হয়ে পাখিটি বাংলাদেশের আকাশে এসেছে।
জানা যায়, গত ১০ নভেম্বর বন্য প্রাণী আলোকচিত্রী তানভীর তাসনিম অভি ও গাজী আল মাহমুদ মারুফ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দুর্লভ ছোট কালী পেঁচা’র (ঔঁহমষব ঙষিবঃ) ছবি তুলতে যান। ২০২১ সালে এই ক্যাম্পাসে প্রথম ছোট কালী পেঁচার সন্ধান মিলেছিল। পেঁচার ছবি তোলার পর তাঁরা ক্যাম্পাসের বধ্যভূমি এলাকায় যান। সেখানে অন্যান্য পাখির ছবি তোলার সময় আকাশে উড়ন্ত কিছু শিকারি পাখির দিকে নজর পড়ে অভির। টেলিল্যান্সে চোখ রেখে তিনি একটি উড়ন্ত শকুনের ছবি তোলেন। এটি ছিল অভির তোলা ১৫০তম পাখির ছবি।
ছবিটি তোলার পর ভালোমতো পর্যবেক্ষণ করে তাঁরা বুঝতে পারেন, এর ওড়ার ধরন ও গায়ের রং দেশীয় বাংলা শকুন বা হিমালয়ান গৃধিনী থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। পরবর্তীতে পাখিবিষয়ক বিভিন্ন অনলাইন গ্রুপ ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, এটি মূলত আমেরিকান ব্ল্যাক ভালচার বা কালো শকুন। এই পাখিদের প্রধান বিচরণক্ষেত্র যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্ব অংশ থেকে দক্ষিণ আমেরিকা পর্যন্ত। এদের মাথা ও গলা পালকহীন ধূসর এবং শরীর চকচকে কালো।
আমেরিকার পাখি রাজশাহীর আকাশে কীভাবে এল? এ বিষয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ড. মনিরুল হাসান খান বলেন, এটি নর্থ আমেরিকার পাখি, স্বাভাবিকভাবে একে দেশের আকাশে দেখা যাওয়ার কথা নয়। তবে প্রকৃতিতে মাঝেমধ্যে এমন ঘটনা ঘটে। মূলত আন্তর্জাতিক বন্য প্রাণী চোরাকারবারিরা বিভিন্ন রুট দিয়ে প্রাণী পাচার করে।
ধারণা করা হচ্ছে, ভারত বা পার্শ্ববর্তী কোনো দেশে পাচারকারীদের হাত থেকে উদ্ধার হয়ে বা পালিয়ে পাখিটি প্রকৃতিতে অবমুক্ত হয়েছে এবং পথ ভুল করে বাংলাদেশের আকাশে চলে এসেছে। এ প্রসঙ্গে প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলা এক বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞ ২০০২ সালের একটি ঘটনার উদাহরণ টানেন। তিনি জানান, নরসিংদীর চরসিন্দুরে মরুভূমির সাপ বালু বোরা পাওয়া গিয়েছিল, যা মূলত বেদেদের বহর থেকে পালিয়ে সেখানে আশ্রয় নিয়েছিল।
রাজশাহীর আকাশে আমেরিকান শকুন দেখার বিষয়টিকেও তিনি অনুরূপ একটি রহস্যময় অথচ যৌক্তিক ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশে বাংলা শকুন ও রাজ শকুন প্রায় বিলুপ্তির পথে। এমন অবস্থায় ভিনদেশি এই শকুনের উপস্থিতি বন্য প্রাণী প্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।