দিনভর অকারণ ক্লান্তি, সামান্য কাজেই হাঁপিয়ে ওঠা, মাথা ঘোরা কিংবা কাজে মন বসছে না, এগুলোকে আমরা অনেক সময় সাধারণ অবসাদ বা অতিরিক্ত চাপের ফল বলে এড়িয়ে যাই। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এই উপসর্গগুলির নেপথ্যে লুকিয়ে থাকতে পারে আয়রনের ঘাটতি। শরীরে হিমোগ্লোবিন তৈরি ও অক্সিজেন পরিবহনে আয়রনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই খনিজের অভাব হলে তার প্রভাব পড়ে গোটা শরীরেই।
আয়রনের অভাব হলে শরীরে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌঁছয় না। ফলে দিনের শুরু থেকেই শরীর ভারী লাগে, কাজ করতে ইচ্ছে করে না এবং ঘুম ঘুম ভাব লেগেই থাকে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার পরও যদি ক্লান্তি কাটতে না চায়, তা হলে বিষয়টি অবহেলা না করাই ভাল।
হঠাৎ দাঁড়ালে চোখে অন্ধকার নেমে আসা বা মাথা ঘোরা, এগুলো আয়রনের ঘাটতির অন্যতম পরিচিত লক্ষণ। রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে গেলে মস্তিষ্কে তার প্রভাব পড়ে দ্রুত। বিশেষ করে দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকলে বা শরীর দুর্বল থাকলে এই সমস্যা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
সিঁড়ি ভাঙা, দ্রুত হাঁটা কিংবা হালকা পরিশ্রমেই যদি শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, তা হলে সেটি হতে পারে আয়রনের ঘাটতির ইঙ্গিত। কারণ শরীরে অক্সিজেন বহন করার ক্ষমতা কমে গেলে ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয়। চুল পড়া বা নখ দুর্বল হয়ে যাওয়া অনেক সময় সৌন্দর্যজনিত সমস্যা বলে মনে হলেও এর সঙ্গে আয়রনের ঘাটতির সরাসরি যোগ রয়েছে। পর্যাপ্ত আয়রন না থাকলে চুলের গোড়া দুর্বল হয় এবং নখ সহজেই ভেঙে যেতে শুরু করে।
আয়রনের অভাবে শুধু শরীর নয়, মস্তিষ্কও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে কাজে মন বসে না, স্মৃতিশক্তি দুর্বল লাগে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও কমে যেতে পারে। পড়ুয়া ও কর্মজীবী মানুষের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও বেশি চোখে পড়ে।
কেন হয় আয়রনের ঘাটতি?
অপর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার, অতিরিক্ত ঋতুস্রাব, গর্ভাবস্থা, দীর্ঘদিনের অসুখ কিংবা শরীরে আয়রন শোষণের সমস্যার কারণে এই ঘাটতি দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে মহিলাদের মধ্যে আয়রন ডেফিসিয়েন্সি অ্যানিমিয়া অত্যন্ত সাধারণ একটি সমস্যা।
কী করণীয়?
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, আয়রনের ঘাটতির লক্ষণ দেখা দিলে রক্ত পরীক্ষা করা জরুরি। খাদ্যতালিকায় পালং শাক, বিট, ডাল, ডিম, লাল মাংস, খেজুর ও কিসমিসের মতো আয়রনসমৃদ্ধ খাবার রাখা প্রয়োজন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে আয়রন সাপ্লিমেন্ট নেওয়া যেতে পারে। সময়মতো এই সংকেতগুলো বুঝে ব্যবস্থা নিলে বড়সড় স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। তাই শরীরের কথা শুনুন, অবহেলা করবেন না।
আয়রনের অভাব হলে শরীরে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌঁছয় না। ফলে দিনের শুরু থেকেই শরীর ভারী লাগে, কাজ করতে ইচ্ছে করে না এবং ঘুম ঘুম ভাব লেগেই থাকে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার পরও যদি ক্লান্তি কাটতে না চায়, তা হলে বিষয়টি অবহেলা না করাই ভাল।
হঠাৎ দাঁড়ালে চোখে অন্ধকার নেমে আসা বা মাথা ঘোরা, এগুলো আয়রনের ঘাটতির অন্যতম পরিচিত লক্ষণ। রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে গেলে মস্তিষ্কে তার প্রভাব পড়ে দ্রুত। বিশেষ করে দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকলে বা শরীর দুর্বল থাকলে এই সমস্যা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
সিঁড়ি ভাঙা, দ্রুত হাঁটা কিংবা হালকা পরিশ্রমেই যদি শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, তা হলে সেটি হতে পারে আয়রনের ঘাটতির ইঙ্গিত। কারণ শরীরে অক্সিজেন বহন করার ক্ষমতা কমে গেলে ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয়। চুল পড়া বা নখ দুর্বল হয়ে যাওয়া অনেক সময় সৌন্দর্যজনিত সমস্যা বলে মনে হলেও এর সঙ্গে আয়রনের ঘাটতির সরাসরি যোগ রয়েছে। পর্যাপ্ত আয়রন না থাকলে চুলের গোড়া দুর্বল হয় এবং নখ সহজেই ভেঙে যেতে শুরু করে।
আয়রনের অভাবে শুধু শরীর নয়, মস্তিষ্কও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে কাজে মন বসে না, স্মৃতিশক্তি দুর্বল লাগে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও কমে যেতে পারে। পড়ুয়া ও কর্মজীবী মানুষের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও বেশি চোখে পড়ে।
কেন হয় আয়রনের ঘাটতি?
অপর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার, অতিরিক্ত ঋতুস্রাব, গর্ভাবস্থা, দীর্ঘদিনের অসুখ কিংবা শরীরে আয়রন শোষণের সমস্যার কারণে এই ঘাটতি দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে মহিলাদের মধ্যে আয়রন ডেফিসিয়েন্সি অ্যানিমিয়া অত্যন্ত সাধারণ একটি সমস্যা।
কী করণীয়?
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, আয়রনের ঘাটতির লক্ষণ দেখা দিলে রক্ত পরীক্ষা করা জরুরি। খাদ্যতালিকায় পালং শাক, বিট, ডাল, ডিম, লাল মাংস, খেজুর ও কিসমিসের মতো আয়রনসমৃদ্ধ খাবার রাখা প্রয়োজন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে আয়রন সাপ্লিমেন্ট নেওয়া যেতে পারে। সময়মতো এই সংকেতগুলো বুঝে ব্যবস্থা নিলে বড়সড় স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। তাই শরীরের কথা শুনুন, অবহেলা করবেন না।