পেশাদার টেনিসের রাজনীতিতে বড়সড় নড়চড়। প্রফেশনাল টেনিস প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন বা পিটিপিএ থেকে সম্পূর্ণভাবে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলেন নোভাক জোকোভিচ। ২৪টি গ্র্যান্ড স্ল্যামজয়ী এই তারকা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন—সংস্থার বর্তমান দিশা, পরিচালন পদ্ধতি এবং মূল্যবোধের সঙ্গে তাঁর অবস্থান আর মেলে না। তাই এই ঘোষণা।
২০২০ সালের ইউএস ওপেন চলাকালীন ভাসেক পসপিসিলির সঙ্গে যৌথভাবে পিটিপিএ গড়ে তোলেন জোকোভিচ। উদ্দেশ্য একটাই—ব্যক্তিনির্ভর খেলায় পেশাদার টেনিস খেলোয়াড়দের জন্য একটি স্বাধীন প্রতিনিধিত্বমূলক মঞ্চ তৈরি করা, যেখানে তাঁরা নিজেদের স্বার্থ, আয় এবং কাজের পরিবেশ নিয়ে ‘সংগঠিতভাবে’ কথা বলতে পারবেন। কিন্তু ছয় বছর পর সেই সম্পর্কেই সংক্রমিত জটিলতা, ব্যাপক টানাপড়েন।
কেন সরে দাঁড়ালেন জোকোভিচ?
সোশ্যাল মিডিয়া বার্তায় জোকোভিচের মন্তব্য, ‘স্বচ্ছতা, শাসনব্যবস্থা এবং আমার কণ্ঠস্বর ও ভাবমূর্তি কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে—এই সব বিষয় নিয়ে আমার দীর্ঘদিনের উদ্বেগ রয়েছে।’তাঁর কথায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে পিটিপিএ-র দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত নীতি ও কাজের পদ্ধতির মিল নেই।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, পিটিপিএ যখন ২০২৫ সালের মার্চে নারী ও পুরুষদের ট্যুর, আন্তর্জাতিক টেনিস ফেডারেশন (ITF) এবং খেলার ইন্টেগ্রিটি সংস্থার বিরুদ্ধে ক্লাস-অ্যাকশন মামলা দায়ের করে, তখন সেই মামলায় জোকোভিচ নিজে বাদী ছিলেন না। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছিল—খেলোয়াড়দের আয় সীমিত করা, প্রতিযোগিতামূলক বাজারে বাধা দেওয়া এবং খেলোয়াড় কল্যাণকে উপেক্ষা করার মতো ‘সিস্টেমিক সমস্যা’রয়েছে টেনিস প্রশাসনে। অন্যদিকে জোকোভিচ আগেই জানিয়েছিলেন, তিনি চান অন্য খেলোয়াড়রা সামনে এসে নেতৃত্ব নিক। সেই অবস্থানে আপাতত তিনি অনড়।
পিটিপিএ কী চাইছে? কোথায় আসল বিরোধ?
পিটিপিএ-র দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য ছিল দলগত খেলাগুলোর মতো একটি পূর্ণাঙ্গ ইউনিয়নে পরিণত হওয়া, যেখানে খেলোয়াড়দের জন্য সমষ্টিগত দরকষাকষির সুযোগ থাকবে। বিশেষ করে চারটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম—উইম্বলডন, ইউএস ওপেন, ফরাসি ওপেন এবং অস্ট্রেলিয়ান ওপেন -সহ বড় টুর্নামেন্টগুলোর আয় কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল সংগঠনটি। পিটিপিএ-র দাবি, এই সমস্ত সংস্থা পুরস্কারমূল্যের উপর নিয়ন্ত্রণ রেখে খেলোয়াড়দের উপার্জনের সম্ভাবনা সীমিত করছে, এমনকি কোর্টের বাইরেও তাঁদের আয় করার সুযোগ কমানো হচ্ছে! জোকোভিচের সাম্প্রতিক অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে, আইনি লড়াইয়ের কৌশল ও সংগঠনের অভ্যন্তরীণ পরিচালন পদ্ধতি নিয়ে তাঁর আপত্তি বেশ গভীর!
এরপর কী?
নিজের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে জোকোভিচ পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি আপাতত মন দেবেন শুধুমাত্র টেনিস, পরিবার এবং খেলায় এমনভাবে ছাপ রাখার দিকে, যা তাঁর নীতি ও সততার সঙ্গে মানানসই। পিটিপিএ-র ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি শুভকামনা জানিয়েছেন, কিন্তু পাশাপাশি মন্তব্য এই অধ্যায় তাঁর কেরিয়ারে ‘সম্পূর্ণভাবে বন্ধ’!
জোকোভিচের এমন সিদ্ধান্ত টেনিস প্রশাসনে একাধিক প্রশ্ন তুলে দিল। খেলোয়াড়দের ঐক্যবদ্ধ মঞ্চ গঠনের যে প্রচেষ্টা, তার ভবিষ্যৎ কী? সেই আন্দোলনে জোকোভিচের মতো প্রভাবশালী মুখ না থাকলে পিটিপিএ কতটা কার্যকর থাকবে?
এত অনিশ্চয়তার মধ্যে একটা বিষয় নিশ্চিত—টেনিসের ক্ষমতার কাঠামো নিয়ে এই বিতর্ক আপাতত থামছে না।
২০২০ সালের ইউএস ওপেন চলাকালীন ভাসেক পসপিসিলির সঙ্গে যৌথভাবে পিটিপিএ গড়ে তোলেন জোকোভিচ। উদ্দেশ্য একটাই—ব্যক্তিনির্ভর খেলায় পেশাদার টেনিস খেলোয়াড়দের জন্য একটি স্বাধীন প্রতিনিধিত্বমূলক মঞ্চ তৈরি করা, যেখানে তাঁরা নিজেদের স্বার্থ, আয় এবং কাজের পরিবেশ নিয়ে ‘সংগঠিতভাবে’ কথা বলতে পারবেন। কিন্তু ছয় বছর পর সেই সম্পর্কেই সংক্রমিত জটিলতা, ব্যাপক টানাপড়েন।
কেন সরে দাঁড়ালেন জোকোভিচ?
সোশ্যাল মিডিয়া বার্তায় জোকোভিচের মন্তব্য, ‘স্বচ্ছতা, শাসনব্যবস্থা এবং আমার কণ্ঠস্বর ও ভাবমূর্তি কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে—এই সব বিষয় নিয়ে আমার দীর্ঘদিনের উদ্বেগ রয়েছে।’তাঁর কথায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে পিটিপিএ-র দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত নীতি ও কাজের পদ্ধতির মিল নেই।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, পিটিপিএ যখন ২০২৫ সালের মার্চে নারী ও পুরুষদের ট্যুর, আন্তর্জাতিক টেনিস ফেডারেশন (ITF) এবং খেলার ইন্টেগ্রিটি সংস্থার বিরুদ্ধে ক্লাস-অ্যাকশন মামলা দায়ের করে, তখন সেই মামলায় জোকোভিচ নিজে বাদী ছিলেন না। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছিল—খেলোয়াড়দের আয় সীমিত করা, প্রতিযোগিতামূলক বাজারে বাধা দেওয়া এবং খেলোয়াড় কল্যাণকে উপেক্ষা করার মতো ‘সিস্টেমিক সমস্যা’রয়েছে টেনিস প্রশাসনে। অন্যদিকে জোকোভিচ আগেই জানিয়েছিলেন, তিনি চান অন্য খেলোয়াড়রা সামনে এসে নেতৃত্ব নিক। সেই অবস্থানে আপাতত তিনি অনড়।
পিটিপিএ কী চাইছে? কোথায় আসল বিরোধ?
পিটিপিএ-র দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য ছিল দলগত খেলাগুলোর মতো একটি পূর্ণাঙ্গ ইউনিয়নে পরিণত হওয়া, যেখানে খেলোয়াড়দের জন্য সমষ্টিগত দরকষাকষির সুযোগ থাকবে। বিশেষ করে চারটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম—উইম্বলডন, ইউএস ওপেন, ফরাসি ওপেন এবং অস্ট্রেলিয়ান ওপেন -সহ বড় টুর্নামেন্টগুলোর আয় কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল সংগঠনটি। পিটিপিএ-র দাবি, এই সমস্ত সংস্থা পুরস্কারমূল্যের উপর নিয়ন্ত্রণ রেখে খেলোয়াড়দের উপার্জনের সম্ভাবনা সীমিত করছে, এমনকি কোর্টের বাইরেও তাঁদের আয় করার সুযোগ কমানো হচ্ছে! জোকোভিচের সাম্প্রতিক অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে, আইনি লড়াইয়ের কৌশল ও সংগঠনের অভ্যন্তরীণ পরিচালন পদ্ধতি নিয়ে তাঁর আপত্তি বেশ গভীর!
এরপর কী?
নিজের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে জোকোভিচ পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি আপাতত মন দেবেন শুধুমাত্র টেনিস, পরিবার এবং খেলায় এমনভাবে ছাপ রাখার দিকে, যা তাঁর নীতি ও সততার সঙ্গে মানানসই। পিটিপিএ-র ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি শুভকামনা জানিয়েছেন, কিন্তু পাশাপাশি মন্তব্য এই অধ্যায় তাঁর কেরিয়ারে ‘সম্পূর্ণভাবে বন্ধ’!
জোকোভিচের এমন সিদ্ধান্ত টেনিস প্রশাসনে একাধিক প্রশ্ন তুলে দিল। খেলোয়াড়দের ঐক্যবদ্ধ মঞ্চ গঠনের যে প্রচেষ্টা, তার ভবিষ্যৎ কী? সেই আন্দোলনে জোকোভিচের মতো প্রভাবশালী মুখ না থাকলে পিটিপিএ কতটা কার্যকর থাকবে?
এত অনিশ্চয়তার মধ্যে একটা বিষয় নিশ্চিত—টেনিসের ক্ষমতার কাঠামো নিয়ে এই বিতর্ক আপাতত থামছে না।