কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় স্ত্রীকে ছুরি দিয়ে নির্মমভাবে হত্যা মামলার প্রধান আসামী সাকিব মিয়াকে (২৩), গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র্যাব-১৪, ময়মনসিংহের যৌথ অভিযানিক দল।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, হত্যাকাণ্ড ঘটায় পলাতক থাকা সাকিব মিয়া কর্ণফুলী থানাধীন ইছাক নগর, বিএফডিসি রোড এলাকায় অবস্থান করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকাল ৪টায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করে র্যাবের এই যৌথ দল। অভিযানে গ্রেফতারকৃত সাকিব মিয়া পরবর্তীতে চট্টগ্রাম মহানগরীর কর্ণফুলী থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ ও র্যাব জানায়, নিহত গৃহবধূ ইকরাবিন ইভা (২১), কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া থানার ছয়চির এলাকার বাসিন্দা। তার মা-বাবা সৌদি আরবে অবস্থান করায় ইভা পড়াশোনার জন্য খালার বাড়িতে থাকতেন। সেখানে তিনি সাকিব মিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন। পরে ইভা মা-বাবার সম্মতি নিয়েই বিয়ে করেন তারা। তাঁদের একটি ৭ মাস বয়সী পুত্র সন্তান রয়েছে।
তবে নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, বিবাহিত জীবনে সাকিব মিয়া মাদকসেবী ও উচ্ছৃঙ্খল প্রকৃতির ছিল এবং পারিবারিক বিষয় নিয়ে ইভাকে নিয়মিত শারীরিক নির্যাতন ও অত্যাচার করত।
র্যাব জানায়, (১৮ ডিসেম্বর ২০২৫) রাত সাড়ে ১১টায়, ইভা ঘরের ভেতর গুরুতর আহত অবস্থায় পাওয়া যায়। পারিবারিক সদস্য ও প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় তাকে প্রাইভেটকারে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ইভার মা বিউটি আক্তার বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া থানায় (১৯ ডিসেম্বর) একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নাম্বার ১২/১৮৩, ধারায় ৩০২ ধারায় দেশীয় আইনানুগ ব্যবস্থাসহ ঘটনার সকল দিক তদন্তাধীন আছে।
সার্বিক তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারির পর আজ গ্রেফতার সাকিব মিয়া আইনগত কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, হত্যাকাণ্ড ঘটায় পলাতক থাকা সাকিব মিয়া কর্ণফুলী থানাধীন ইছাক নগর, বিএফডিসি রোড এলাকায় অবস্থান করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকাল ৪টায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করে র্যাবের এই যৌথ দল। অভিযানে গ্রেফতারকৃত সাকিব মিয়া পরবর্তীতে চট্টগ্রাম মহানগরীর কর্ণফুলী থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ ও র্যাব জানায়, নিহত গৃহবধূ ইকরাবিন ইভা (২১), কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া থানার ছয়চির এলাকার বাসিন্দা। তার মা-বাবা সৌদি আরবে অবস্থান করায় ইভা পড়াশোনার জন্য খালার বাড়িতে থাকতেন। সেখানে তিনি সাকিব মিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন। পরে ইভা মা-বাবার সম্মতি নিয়েই বিয়ে করেন তারা। তাঁদের একটি ৭ মাস বয়সী পুত্র সন্তান রয়েছে।
তবে নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, বিবাহিত জীবনে সাকিব মিয়া মাদকসেবী ও উচ্ছৃঙ্খল প্রকৃতির ছিল এবং পারিবারিক বিষয় নিয়ে ইভাকে নিয়মিত শারীরিক নির্যাতন ও অত্যাচার করত।
র্যাব জানায়, (১৮ ডিসেম্বর ২০২৫) রাত সাড়ে ১১টায়, ইভা ঘরের ভেতর গুরুতর আহত অবস্থায় পাওয়া যায়। পারিবারিক সদস্য ও প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় তাকে প্রাইভেটকারে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ইভার মা বিউটি আক্তার বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া থানায় (১৯ ডিসেম্বর) একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নাম্বার ১২/১৮৩, ধারায় ৩০২ ধারায় দেশীয় আইনানুগ ব্যবস্থাসহ ঘটনার সকল দিক তদন্তাধীন আছে।
সার্বিক তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারির পর আজ গ্রেফতার সাকিব মিয়া আইনগত কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।