নাটোরের লালপুর উপজেলার বিলমাড়ীয়া ইউনিয়নের করারি নওশারা চরে রাতের আঁধারে বাড়িতে ঢুকে আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি চালিয়ে সোহেল রানা (৩৭) নামে এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে। পর পর হামলায় আহত হয়েছেন তার স্ত্রী সোণালীনা খাতুন (৩০)।
ঘটনাস্থল ও পরিচয়ের ভিত্তিতে পুলিশ ধারণা করছে এটি পূর্বের খড় কাটাকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া গোলাগুলির পরবর্তি প্রতিশোধমূলক হামলা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টার দিকে ওই বাড়িতে ঢুকে দূর্বৃত্তরা সোহেল রানাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। তিনি ঘটনাস্থলেই মারা গেলে স্ত্রী স্বাধীনা খাতুনকে আহত অবস্থায় দ্রুত উদ্ধার করে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তার হাতে আঘাত এসেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত সোহেল রানা বিলমাড়ীয়া করারি নওশারার কালু মণ্ডলের ছেলে।
এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে একটি বড় ঘটনার প্রেক্ষাপট রয়েছে। ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর রাজশাহীর বাঘা, নাটোরের লালপুর, পাবনার ঈশ্বরদী ও কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তবর্তী খানপুর-হবিরচর অঞ্চলসহ পদ্মার চরে খড় কাটাকে কেন্দ্র করে গোলাগুলি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সে সময় খানপুরের মিনহাজ মণ্ডলের ছেলে আমান মণ্ডল (৩৬) ও শুকুর মণ্ডলের ছেলে নাজমুল হোসেন (৩৩) নিহত হন। পরদিন ২৮ অক্টোবর হবিরচর থেকে কুষ্টিয়ার লিটন হোসেনের মরদেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ ও স্থানীয়রা সন্দেহ করেন ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে কাকন বাহিনী ভুক্ত কিছু দুষ্কৃতী আবার এ প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে।
বাঘা থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) সুপ্রভাত মণ্ডল বলেন, আগের হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুর্বৃত্তরা রাতে বাড়িতে ঢুকে সোহেল রানাকে গুলি করে নিহত করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টির তদন্ত শুরু হয়েছে।
ঘটনাস্থল ও পরিচয়ের ভিত্তিতে পুলিশ ধারণা করছে এটি পূর্বের খড় কাটাকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া গোলাগুলির পরবর্তি প্রতিশোধমূলক হামলা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টার দিকে ওই বাড়িতে ঢুকে দূর্বৃত্তরা সোহেল রানাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। তিনি ঘটনাস্থলেই মারা গেলে স্ত্রী স্বাধীনা খাতুনকে আহত অবস্থায় দ্রুত উদ্ধার করে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তার হাতে আঘাত এসেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত সোহেল রানা বিলমাড়ীয়া করারি নওশারার কালু মণ্ডলের ছেলে।
এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে একটি বড় ঘটনার প্রেক্ষাপট রয়েছে। ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর রাজশাহীর বাঘা, নাটোরের লালপুর, পাবনার ঈশ্বরদী ও কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তবর্তী খানপুর-হবিরচর অঞ্চলসহ পদ্মার চরে খড় কাটাকে কেন্দ্র করে গোলাগুলি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সে সময় খানপুরের মিনহাজ মণ্ডলের ছেলে আমান মণ্ডল (৩৬) ও শুকুর মণ্ডলের ছেলে নাজমুল হোসেন (৩৩) নিহত হন। পরদিন ২৮ অক্টোবর হবিরচর থেকে কুষ্টিয়ার লিটন হোসেনের মরদেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ ও স্থানীয়রা সন্দেহ করেন ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে কাকন বাহিনী ভুক্ত কিছু দুষ্কৃতী আবার এ প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে।
বাঘা থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) সুপ্রভাত মণ্ডল বলেন, আগের হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুর্বৃত্তরা রাতে বাড়িতে ঢুকে সোহেল রানাকে গুলি করে নিহত করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টির তদন্ত শুরু হয়েছে।