রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী–তানোর) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও দলটির নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এবং রাজশাহী-২ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনুর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আখতার।
শনিবার সকালে রাজশাহীর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সভা শেষে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, রাজশাহী-১ আসনে মোট ছয়জন প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের মনোনয়ন বাতিল এবং তিনজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীরা হলেন, বিএনপির মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির আব্দুর রহমান এবং জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।
রাজশাহী-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আল সাআদের মনোনয়ন বাতিল করা হয় সমর্থনকারী তালিকায় অনিয়মের কারণে। যাচাইয়ে তাঁর সমর্থকদের মধ্যে দুজনকে মৃত এবং চারজনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী সুলতানুল ইসলাম তারেকের আয়-ব্যয়ের নথিতে স্বাক্ষর না থাকা, ১ শতাংশ ভোটার সমর্থনে গরমিল এবং ১০ জন সমর্থকের মধ্যে ছয়জনকে না পাওয়ার কারণে মনোনয়ন বাতিল হয়। গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মীর মোহাম্মদ শাহজাহানের ক্ষেত্রেও দলীয় সভাপতি নুরুল হক নূরের স্বাক্ষরের সঙ্গে জমাকৃত স্বাক্ষরের অমিল পাওয়ায় মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
অন্যদিকে রাজশাহী-২ আসনে নয়জন প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের মনোনয়ন বাতিল এবং ছয়জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীরা হলেন, বিএনপির মিজানুর রহমান মিনু, জামায়াতে ইসলামীর ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, এবি পার্টির সাঈদ নোমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলুল করিম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মেসবাউল ইসলাম এবং নাগরিক ঐক্যের শামসুল আলম।
রাজশাহী-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাবুদ্দিনের আয়-ব্যয়ের হিসাব বিবরণীতে স্বাক্ষর না থাকা, সমর্থনকারী তালিকায় মৃত ভোটার থাকা এবং ১০ জন সমর্থকের মধ্যে আটজনের স্বাক্ষর দেওয়ার বিষয়ে অজ্ঞতা প্রকাশ করায় তাঁর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এছাড়া লেবার ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ওয়াহিদুজ্জামানের বিরুদ্ধে ব্যাংক ঋণ খেলাপির অভিযোগ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সালেহ উদ্দিনের ১ শতাংশ ভোটার তালিকায় গরমিল থাকায় তাঁদের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
শনিবার সকালে রাজশাহীর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সভা শেষে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, রাজশাহী-১ আসনে মোট ছয়জন প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের মনোনয়ন বাতিল এবং তিনজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীরা হলেন, বিএনপির মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির আব্দুর রহমান এবং জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।
রাজশাহী-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আল সাআদের মনোনয়ন বাতিল করা হয় সমর্থনকারী তালিকায় অনিয়মের কারণে। যাচাইয়ে তাঁর সমর্থকদের মধ্যে দুজনকে মৃত এবং চারজনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী সুলতানুল ইসলাম তারেকের আয়-ব্যয়ের নথিতে স্বাক্ষর না থাকা, ১ শতাংশ ভোটার সমর্থনে গরমিল এবং ১০ জন সমর্থকের মধ্যে ছয়জনকে না পাওয়ার কারণে মনোনয়ন বাতিল হয়। গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মীর মোহাম্মদ শাহজাহানের ক্ষেত্রেও দলীয় সভাপতি নুরুল হক নূরের স্বাক্ষরের সঙ্গে জমাকৃত স্বাক্ষরের অমিল পাওয়ায় মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
অন্যদিকে রাজশাহী-২ আসনে নয়জন প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের মনোনয়ন বাতিল এবং ছয়জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীরা হলেন, বিএনপির মিজানুর রহমান মিনু, জামায়াতে ইসলামীর ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, এবি পার্টির সাঈদ নোমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলুল করিম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মেসবাউল ইসলাম এবং নাগরিক ঐক্যের শামসুল আলম।
রাজশাহী-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাবুদ্দিনের আয়-ব্যয়ের হিসাব বিবরণীতে স্বাক্ষর না থাকা, সমর্থনকারী তালিকায় মৃত ভোটার থাকা এবং ১০ জন সমর্থকের মধ্যে আটজনের স্বাক্ষর দেওয়ার বিষয়ে অজ্ঞতা প্রকাশ করায় তাঁর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এছাড়া লেবার ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ওয়াহিদুজ্জামানের বিরুদ্ধে ব্যাংক ঋণ খেলাপির অভিযোগ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সালেহ উদ্দিনের ১ শতাংশ ভোটার তালিকায় গরমিল থাকায় তাঁদের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।