বগুড়ার আদমদীঘিতে নওগাঁগামী একটি বাসের ধাক্কায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা উল্টে দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শনিবার (সকাল ৮টা) বগুড়া–নওগাঁ মহাসড়কের আদমদীঘি উপজেলার পূর্ব ঢাকা রোডের বড় আখিড়ার মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার আরজিপাড়া আচলাই গ্রামের তফছের আলী প্রামাণিকের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৫০) এবং তার ভাতিজা, একই গ্রামের হাজি হামিদ মোল্লার ছেলে রাসেল মোল্লা (৩৫)। আহত ব্যক্তি হলেন একই গ্রামের ফজলুল প্রামাণিকের ছেলে মিজু আহমেদ (২৪)।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সকালে শিবগঞ্জ থেকে সিএনজি চালিত অটোরিকশায় করে তিনজন যাত্রী মান্দা উপজেলার দেলুয়াবাড়ী হাটে কচু বীজ কিনতে যাচ্ছিলেন। এ সময় ঘন কুয়াশায় সড়কে দৃশ্যমানতা কম ছিল। অটোরিকশাটি বড় আখিড়ার মোড়ে পৌঁছালে পেছন থেকে আসা নওগাঁগামী একটি অজ্ঞাত বাস সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি উল্টে দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই রফিকুল ইসলাম ও রাসেল মোল্লা নিহত হন এবং মিজু আহমেদ গুরুতর আহত হন।
খবর পেয়ে আদমদীঘি ফায়ার সার্ভিস ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে যায়।
আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতদের স্বজনরা মামলা না করায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর (ইউডি) মামলা করা হয়েছে।
শনিবার (সকাল ৮টা) বগুড়া–নওগাঁ মহাসড়কের আদমদীঘি উপজেলার পূর্ব ঢাকা রোডের বড় আখিড়ার মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার আরজিপাড়া আচলাই গ্রামের তফছের আলী প্রামাণিকের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৫০) এবং তার ভাতিজা, একই গ্রামের হাজি হামিদ মোল্লার ছেলে রাসেল মোল্লা (৩৫)। আহত ব্যক্তি হলেন একই গ্রামের ফজলুল প্রামাণিকের ছেলে মিজু আহমেদ (২৪)।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সকালে শিবগঞ্জ থেকে সিএনজি চালিত অটোরিকশায় করে তিনজন যাত্রী মান্দা উপজেলার দেলুয়াবাড়ী হাটে কচু বীজ কিনতে যাচ্ছিলেন। এ সময় ঘন কুয়াশায় সড়কে দৃশ্যমানতা কম ছিল। অটোরিকশাটি বড় আখিড়ার মোড়ে পৌঁছালে পেছন থেকে আসা নওগাঁগামী একটি অজ্ঞাত বাস সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি উল্টে দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই রফিকুল ইসলাম ও রাসেল মোল্লা নিহত হন এবং মিজু আহমেদ গুরুতর আহত হন।
খবর পেয়ে আদমদীঘি ফায়ার সার্ভিস ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে যায়।
আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতদের স্বজনরা মামলা না করায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর (ইউডি) মামলা করা হয়েছে।