নিলামের নামে নাটক সাজিয়ে সরকারি মোটরসাইকেল অবৈধভাবে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ঝিনাইদহ জেলা কারাগারের সুপার মোহাম্মদ হাবীবুর রহমানের বিরুদ্ধে। নিলামে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের তোয়াক্কা না করে নিয়মবহির্ভূতভাবে এক ব্যবসায়ীর কাছে মোটরসাইকেলটি বিক্রি করার ঘটনায় জেলাজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ ডিসেম্বর ঝিনাইদহ জেলা কারাগারের ব্যবহৃত একটি পুরাতন মোটরসাইকেল বিক্রির নিলাম বিজ্ঞপ্তি কারা ফটকে প্রকাশ করা হয়। পরদিন ৩০ ডিসেম্বর স্থানীয় বাসিন্দা তুহিন হোসেন, মোঃ রইচ উদ্দিন ও সোহেল রানা নির্ধারিত ২ হাজার ৫০০ টাকা করে জামানত জমা দিয়ে নিলামে অংশ নেন। নিলাম চলাকালে জেল সুপার, জেলার, কেরানী ও হিসাব সহকারীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অংশগ্রহণকারীদের অভিযোগ, নিলামের আগে নিয়ম অনুযায়ী সরকারি নির্ধারিত মূল্য জানানোর কথা থাকলেও কর্তৃপক্ষ তা গোপন রাখে। এক পর্যায়ে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে তুহিন হোসেন সাড়ে ৭ হাজার টাকা দাম হাঁকালেও জেল সুপার সেই দামে মোটরসাইকেলটি বিক্রি করতে অস্বীকৃতি জানান এবং পুনরায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নিলাম হবে বলে অংশগ্রহণকারীদের বিদায় করে দেন।
নিলাম স্থগিত করার মাত্র দুই ঘণ্টা পর ‘সোনা মিয়া’ নামে এক ব্যক্তি ২০ হাজার টাকায় মোটরসাইকেলটি কিনে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়েন। সোনা মিয়া পূর্বের নিলামে অংশগ্রহণ না করলেও জেল কর্তৃপক্ষের সাথে যোগসাজশে এটি কিনে নেন তিনি। স্থানীয়রা মোটরসাইকেলসহ তাকে আটকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি ২০ হাজার টাকায় সেটি কেনার কথা স্বীকার করেন, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও আকারে ছড়িয়ে পড়ে।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর জেল সুপার তড়িঘড়ি করে সোনা মিয়ার কাছ থেকে মোটরসাইকেলটি ফিরিয়ে আনেন। এই বিষয়ে সাংবাদিকরা জেল সুপার মোহাম্মদ হাবীবুর রহমানের সাথে কথা বলতে গেলে তিনি সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন জমা রেখে ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেন। তিনি সরাসরি মোটরসাইকেল বিক্রির বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং দাবি করেন মোটরসাইকেলটি মেরামতের জন্য বাইরে পাঠানো হচ্ছিল। তবে, সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে অস্বীকৃতি জানান।
কারা হিসাব সহকারী মীর আলামিন প্রথমে বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করলেও পরবর্তীতে সাংবাদিকদের এড়িয়ে গিয়ে জেল সুপারের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।
এই অনিয়মের বিষয়ে মন্তব্য নিতে খুলনা বিভাগের কারা উপ-মহাপরিদর্শক মনির আহমেদ এবং কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মোঃ মোতাহের হোসেনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও কল রিসিভ করেননি তারা।
সরকারি সম্পদ নিয়ে এমন ‘লুকোচুরি’ এবং নিয়ম বহির্ভূত কর্মকাণ্ডের ঘটনায় ঝিনাইদহ শহরজুড়ে ক্ষোভ ও সমালোচনা বিরাজ করছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচার দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ ডিসেম্বর ঝিনাইদহ জেলা কারাগারের ব্যবহৃত একটি পুরাতন মোটরসাইকেল বিক্রির নিলাম বিজ্ঞপ্তি কারা ফটকে প্রকাশ করা হয়। পরদিন ৩০ ডিসেম্বর স্থানীয় বাসিন্দা তুহিন হোসেন, মোঃ রইচ উদ্দিন ও সোহেল রানা নির্ধারিত ২ হাজার ৫০০ টাকা করে জামানত জমা দিয়ে নিলামে অংশ নেন। নিলাম চলাকালে জেল সুপার, জেলার, কেরানী ও হিসাব সহকারীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অংশগ্রহণকারীদের অভিযোগ, নিলামের আগে নিয়ম অনুযায়ী সরকারি নির্ধারিত মূল্য জানানোর কথা থাকলেও কর্তৃপক্ষ তা গোপন রাখে। এক পর্যায়ে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে তুহিন হোসেন সাড়ে ৭ হাজার টাকা দাম হাঁকালেও জেল সুপার সেই দামে মোটরসাইকেলটি বিক্রি করতে অস্বীকৃতি জানান এবং পুনরায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নিলাম হবে বলে অংশগ্রহণকারীদের বিদায় করে দেন।
নিলাম স্থগিত করার মাত্র দুই ঘণ্টা পর ‘সোনা মিয়া’ নামে এক ব্যক্তি ২০ হাজার টাকায় মোটরসাইকেলটি কিনে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়েন। সোনা মিয়া পূর্বের নিলামে অংশগ্রহণ না করলেও জেল কর্তৃপক্ষের সাথে যোগসাজশে এটি কিনে নেন তিনি। স্থানীয়রা মোটরসাইকেলসহ তাকে আটকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি ২০ হাজার টাকায় সেটি কেনার কথা স্বীকার করেন, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও আকারে ছড়িয়ে পড়ে।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর জেল সুপার তড়িঘড়ি করে সোনা মিয়ার কাছ থেকে মোটরসাইকেলটি ফিরিয়ে আনেন। এই বিষয়ে সাংবাদিকরা জেল সুপার মোহাম্মদ হাবীবুর রহমানের সাথে কথা বলতে গেলে তিনি সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন জমা রেখে ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেন। তিনি সরাসরি মোটরসাইকেল বিক্রির বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং দাবি করেন মোটরসাইকেলটি মেরামতের জন্য বাইরে পাঠানো হচ্ছিল। তবে, সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে অস্বীকৃতি জানান।
কারা হিসাব সহকারী মীর আলামিন প্রথমে বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করলেও পরবর্তীতে সাংবাদিকদের এড়িয়ে গিয়ে জেল সুপারের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।
এই অনিয়মের বিষয়ে মন্তব্য নিতে খুলনা বিভাগের কারা উপ-মহাপরিদর্শক মনির আহমেদ এবং কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মোঃ মোতাহের হোসেনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও কল রিসিভ করেননি তারা।
সরকারি সম্পদ নিয়ে এমন ‘লুকোচুরি’ এবং নিয়ম বহির্ভূত কর্মকাণ্ডের ঘটনায় ঝিনাইদহ শহরজুড়ে ক্ষোভ ও সমালোচনা বিরাজ করছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচার দাবি করেছেন স্থানীয়রা।