২০২০ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক ও পেসার শাহীন আলমের চরম দুঃসময়ে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘদিনের ইনজুরি, পারিবারিক অস্বচ্ছলতা এবং আর্থিক সংকটে থাকা এই ক্রিকেটারের পাশে দাঁড়াতে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে বিশেষ আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর মিরপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হকের বাসভবনে এই অনুদান শাহীন আলমের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
২০২০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ জয়ে শাহীন আলম ছিলেন দলের অন্যতম পেস বোলিং শক্তি। তবে ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে ইনজুরি এবং আর্থিক টানাপোড়েনের কারণে গত কয়েক বছর ধরে তাঁর ক্যারিয়ার থমকে দাঁড়িয়েছে। কুড়িগ্রামের এই ক্রিকেটার বর্তমানে বাবা-মায়ের অসুস্থতা এবং তীব্র সংকটের মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। এমনকি চলমান প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগেও কোনো দল না পাওয়ায় তাঁর উপার্জনের পথ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এই মানবিক সংকটের কথা জানতে পেরে তারেক রহমান ব্যক্তিগতভাবে এই সহায়তার উদ্যোগ নেন।
অনুদান হস্তান্তরের সময় আমিনুল হক বলেন, বিশ্বকাপজয়ী একজন ক্রিকেটার দেশের সম্পদ। শাহীন আলমের মতো মেধাবী পেসার অভাবের তাড়নায় হারিয়ে যাবে, তা হতে পারে না। তাঁর এই কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস আশা করি শাহীনকে আবারও মাঠে ফিরতে অনুপ্রাণিত করবে।
বর্তমান ক্রিকেট বোর্ডের সমালোচনা করে সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ক্রিকেট বোর্ডে যারা দায়িত্বরত আছেন, তাদের দায়িত্ব নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। তারা বিভিন্নভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছেন। সবকিছু ভুলে আমরা যদি ক্রিকেটের স্বার্থে ও ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়াতে পারি, তবেই খেলা এগিয়ে যাবে। শাহীন আলমের মতো ক্রিকেটারদের বিষয়ে বোর্ডের আরও অনেক বেশি নজর দেওয়া উচিত।
দেশের ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে বিএনপির ভিশন তুলে ধরে আমিনুল হক আরও জানান, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ক্রীড়াঙ্গনকে ধারণ করেন এবং এর মাধ্যমে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনতে চান। তিনি বারবার বলেন যে ক্রীড়াবিদরাই আমাদের মূল শক্তি। আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে তৃণমূল পর্যায় থেকে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার, যাতে আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে আমরা সাফ, এশিয়ান গেমস বা অলিম্পিকে ভালো কিছু করার স্বপ্ন দেখতে পারি।
খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, খেলোয়াড়দের খেলা ছাড়ার পর আর হতাশ হওয়ার কারণ নেই। আমরা তাদের স্থায়ী কর্মসংস্থান এবং জাতীয় বীরদের সরকারি ভাতার আওতায় এনে ভবিষ্যৎ নিরাপদ করব। জাতীয় ক্রীড়াবিদদের যথাযথ সম্মান দিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও তারেক রহমান বদ্ধপরিকর।
তারেক রহমানের এই মানবিক সহায়তায় আবেগাপ্লুত শাহীন আলম তাঁর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং দ্রুত মাঠে ফেরার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর মিরপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হকের বাসভবনে এই অনুদান শাহীন আলমের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
২০২০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ জয়ে শাহীন আলম ছিলেন দলের অন্যতম পেস বোলিং শক্তি। তবে ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে ইনজুরি এবং আর্থিক টানাপোড়েনের কারণে গত কয়েক বছর ধরে তাঁর ক্যারিয়ার থমকে দাঁড়িয়েছে। কুড়িগ্রামের এই ক্রিকেটার বর্তমানে বাবা-মায়ের অসুস্থতা এবং তীব্র সংকটের মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। এমনকি চলমান প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগেও কোনো দল না পাওয়ায় তাঁর উপার্জনের পথ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এই মানবিক সংকটের কথা জানতে পেরে তারেক রহমান ব্যক্তিগতভাবে এই সহায়তার উদ্যোগ নেন।
অনুদান হস্তান্তরের সময় আমিনুল হক বলেন, বিশ্বকাপজয়ী একজন ক্রিকেটার দেশের সম্পদ। শাহীন আলমের মতো মেধাবী পেসার অভাবের তাড়নায় হারিয়ে যাবে, তা হতে পারে না। তাঁর এই কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস আশা করি শাহীনকে আবারও মাঠে ফিরতে অনুপ্রাণিত করবে।
বর্তমান ক্রিকেট বোর্ডের সমালোচনা করে সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ক্রিকেট বোর্ডে যারা দায়িত্বরত আছেন, তাদের দায়িত্ব নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। তারা বিভিন্নভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছেন। সবকিছু ভুলে আমরা যদি ক্রিকেটের স্বার্থে ও ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়াতে পারি, তবেই খেলা এগিয়ে যাবে। শাহীন আলমের মতো ক্রিকেটারদের বিষয়ে বোর্ডের আরও অনেক বেশি নজর দেওয়া উচিত।
দেশের ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে বিএনপির ভিশন তুলে ধরে আমিনুল হক আরও জানান, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ক্রীড়াঙ্গনকে ধারণ করেন এবং এর মাধ্যমে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনতে চান। তিনি বারবার বলেন যে ক্রীড়াবিদরাই আমাদের মূল শক্তি। আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে তৃণমূল পর্যায় থেকে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার, যাতে আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে আমরা সাফ, এশিয়ান গেমস বা অলিম্পিকে ভালো কিছু করার স্বপ্ন দেখতে পারি।
খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, খেলোয়াড়দের খেলা ছাড়ার পর আর হতাশ হওয়ার কারণ নেই। আমরা তাদের স্থায়ী কর্মসংস্থান এবং জাতীয় বীরদের সরকারি ভাতার আওতায় এনে ভবিষ্যৎ নিরাপদ করব। জাতীয় ক্রীড়াবিদদের যথাযথ সম্মান দিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও তারেক রহমান বদ্ধপরিকর।
তারেক রহমানের এই মানবিক সহায়তায় আবেগাপ্লুত শাহীন আলম তাঁর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং দ্রুত মাঠে ফেরার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।