ইরানে অর্থনৈতিক সঙ্কট, মূল্যবৃদ্ধি ও অপর্যাপ্ত সরকারি সেবার বিরুদ্ধে গত সপ্তাহজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত সাত জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারীর পাশাপাশি একজন নিরাপত্তাকর্মীরও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ধরপাকড়, আহত এবং গ্রেফতারের সংখ্যা বাড়ছে।
অর্থনৈতিক সংকট ও সরকারি অতার্ততার বিরুদ্ধে তেহরানসহ অন্যান্য শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ২০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ বিক্ষোভ দমন করতে গিয়ে প্রায় ৫০ জনকে গ্রেফতার করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভের মাঝেই ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর হতাশাজনক ভাঙ্গণ চালায়, আমেরিকা নীরবে থাকবে না। তাঁর মন্তব্যে কিছু আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহল সম্ভাব্য সেনা হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের সিনিয়র সহকারি আলি শামখানি ট্রাম্পকে কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি আমেরিকার তৎপরতার বিরোধিতা করে বলেছেন, ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা একটি লাল রেখা এবং তা লঙ্ঘন করা দুঃসাহসিক কাজ” শামখানি ইরান ও আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনাবাহিনীর দ্রুত প্রত্যাবর্তনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন।
রাজধানী তেহরান ছাড়াও লোর্ডেগান, কুহদাশত ও ইসফাহানসহ নানা অঞ্চলে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ লক্ষ্য করা গেছে। শাসকদের সমালোচনায় বিক্ষোভকারীরা ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের সময় ক্ষমতাচ্যুত শাসক শাহ মুহাম্মদ রেজা পাহলভির পুত্র রেজা পাহলভির নামে ‘শাহ দীর্ঘজীবী হোন’ স্লোগান তুলেছেন। আমেরিকায় নির্বাসিত পাহলভিও সামাজিকমাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।
গত এক দশক ধরে ইরানে মূল্যবৃদ্ধি, খরা, নারী অধিকার, হিজাব বিরোধিতা ও রাজনৈতিক মতপ্রকাশসহ বিভন্ন ইস্যুতে বিক্ষোভ হয়েছে এবং সরকার তা কঠোর হাতে দমন করেছে। প্রতিবারই তেহরান ওয়াশিংটনকে বিক্ষোভে সহযোগিতার দোষে অভিযুক্ত করেছে।
দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক সঙ্কট, মূল্যবৃদ্ধি ও সরকারি পরিষেবার অপ্রতুলতার বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণের ক্ষোভ। তেহরান, লোর্ডেগান, কুহদাশত, ইসফাহানসহ সারাদেশে।
গত সপ্তাহ থেকে বিক্ষোভ বৃদ্ধি।
সাধারণ জনতা, নিরাপত্তা বাহিনী, ট্রাম্প প্রশাসন ও ইরানি কর্তৃপক্ষ। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ থেকে শুরু করে সংঘর্ষ ও পুলিশি জরাসহ হিংসাত্মক পরিস্থিতি।
ইরানে অর্থনৈতিক ও সামাজিক অসন্তোষের মাঝে একটি গভীর অভ্যুত্থান দেখা দিচ্ছে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ব, শেষ করে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ক, উভয়ের জন্যই চাপ বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অর্থনৈতিক সংকট ও সরকারি অতার্ততার বিরুদ্ধে তেহরানসহ অন্যান্য শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ২০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ বিক্ষোভ দমন করতে গিয়ে প্রায় ৫০ জনকে গ্রেফতার করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভের মাঝেই ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর হতাশাজনক ভাঙ্গণ চালায়, আমেরিকা নীরবে থাকবে না। তাঁর মন্তব্যে কিছু আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহল সম্ভাব্য সেনা হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের সিনিয়র সহকারি আলি শামখানি ট্রাম্পকে কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি আমেরিকার তৎপরতার বিরোধিতা করে বলেছেন, ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা একটি লাল রেখা এবং তা লঙ্ঘন করা দুঃসাহসিক কাজ” শামখানি ইরান ও আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনাবাহিনীর দ্রুত প্রত্যাবর্তনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন।
রাজধানী তেহরান ছাড়াও লোর্ডেগান, কুহদাশত ও ইসফাহানসহ নানা অঞ্চলে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ লক্ষ্য করা গেছে। শাসকদের সমালোচনায় বিক্ষোভকারীরা ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের সময় ক্ষমতাচ্যুত শাসক শাহ মুহাম্মদ রেজা পাহলভির পুত্র রেজা পাহলভির নামে ‘শাহ দীর্ঘজীবী হোন’ স্লোগান তুলেছেন। আমেরিকায় নির্বাসিত পাহলভিও সামাজিকমাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।
গত এক দশক ধরে ইরানে মূল্যবৃদ্ধি, খরা, নারী অধিকার, হিজাব বিরোধিতা ও রাজনৈতিক মতপ্রকাশসহ বিভন্ন ইস্যুতে বিক্ষোভ হয়েছে এবং সরকার তা কঠোর হাতে দমন করেছে। প্রতিবারই তেহরান ওয়াশিংটনকে বিক্ষোভে সহযোগিতার দোষে অভিযুক্ত করেছে।
দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক সঙ্কট, মূল্যবৃদ্ধি ও সরকারি পরিষেবার অপ্রতুলতার বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণের ক্ষোভ। তেহরান, লোর্ডেগান, কুহদাশত, ইসফাহানসহ সারাদেশে।
গত সপ্তাহ থেকে বিক্ষোভ বৃদ্ধি।
সাধারণ জনতা, নিরাপত্তা বাহিনী, ট্রাম্প প্রশাসন ও ইরানি কর্তৃপক্ষ। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ থেকে শুরু করে সংঘর্ষ ও পুলিশি জরাসহ হিংসাত্মক পরিস্থিতি।
ইরানে অর্থনৈতিক ও সামাজিক অসন্তোষের মাঝে একটি গভীর অভ্যুত্থান দেখা দিচ্ছে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ব, শেষ করে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ক, উভয়ের জন্যই চাপ বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।